সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

গকসু নির্বাচন : ভিপি পদে প্রার্থীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ

গবি সংবাদদাতা: গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকলেও আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (গকসু) নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে মনোনয়ন নেওয়া একাধিক প্রার্থীর রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। প্রার্থীদের তালিকা যাচাই করে দেখা গিয়েছে, ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে মনোনয়ন নিয়েছেন ১০ জন শিক্ষার্থী। কিন্তু এদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। গকসুর গঠনতন্ত্রের […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৪:৫৯

গবি সংবাদদাতা:

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকলেও আসন্ন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (গকসু) নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে মনোনয়ন নেওয়া একাধিক প্রার্থীর রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।

প্রার্থীদের তালিকা যাচাই করে দেখা গিয়েছে, ভাইস প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে মনোনয়ন নিয়েছেন ১০ জন শিক্ষার্থী। কিন্তু এদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।

গকসুর গঠনতন্ত্রের ১৭(খ) ধারায় স্পষ্ট বলা আছে—কোনো রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনে যোগ দিলে বা ওই সংগঠনের পদে থাকলে প্রার্থীর সদস্যপদ বাতিল হবে। তবে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন বলেছে, লিখিত অভিযোগ বা প্রমাণ না থাকায় এখনই কাউকে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়নি।

এ নিয়ে ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও কীভাবে রাজনৈতিক পরিচয়ের শিক্ষার্থীরা প্রার্থী হচ্ছেন?

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ক্যাম্পাসে কমিটি গঠন করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। সেই কমিটির সভাপতি মো: নির্জন গকসু নির্বাচনের ভিপি পদের মনোনয়ন নিয়েছেন। তিনি আইন বিভাগের ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী।

নির্জন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের একটি কমিটি থাকলেও প্রশাসন সেটিকে বৈধতা দেয়নি। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো কোনো দলীয় কার্যক্রম করিনি। দীর্ঘ সাত বছর পর ছাত্র সংসদ নির্বাচন হচ্ছে, এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুযোগ। গঠনতন্ত্রে শুধু দলীয় রাজনীতি নয়, আরও নানা বিষয়ে কথা বলেছে—সব আইন কি মানা হচ্ছে?”

তিনি আরো বলেন, “একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে আমারও তো প্রার্থী হওয়ার অধিকার আছে। তিনি যোগ করেন, শিক্ষার্থীদের মনোভাবকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবেন এবং তারা যদি দলীয় রাজনীতি না চান তবে তিনিও তা সমর্থন করবেন না।”

একই বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী, ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খোদার নুর রনি মনোনয়ন নিলেও শিক্ষাবিরতির কারণে প্রাথমিকভাবে অযোগ্য ঘোষিত হয়েছেন।

আইন বিভাগের ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের আরেক শিক্ষার্থী রাকিব মুসুল্লিও ভিপি পদে লড়ছেন। বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ঘনিষ্ঠ ’জয় বাংলা’ ক্লাবের সভাপতি, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচি, নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতেন। তার এ সংক্রান্ত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

তবে রাকিবের দাবি, ‘জয় বাংলা’ ক্লাব একটি ক্রীড়া সংগঠন, রাজনৈতিক নয়। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “স্থানীয় এমপি মহিবুর রহমান মহিবের সঙ্গে পারিবারিক আত্মীয়তার সূত্রে একবার তার নির্বাচনে কাজ করতে হয়েছিল। এটা নৌকা প্রতীকের কারণে নয়, উনি যেকোনো প্রতীকে আসলেও একইভাবে করতাম। স্থানীয় ভাইস চেয়ারম্যান আমাকে সন্তান বলে সম্বোধন করতেন, যোগাযোগ থাকলেও কোনো রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিল না। আওয়ামী লীগের কোনো অঙ্গসংগঠনের সঙ্গেও কখনো যুক্ত ছিলাম না। উল্টো আমি সক্রিয়ভাবে জুলাই আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছি, আমার সহযোদ্ধারা সাক্ষী।”

আরেক প্রার্থী রাজিব হোসেন ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলামের কর্মী হিসেবে নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নিতেন। তবে জুলাই আন্দোলন চলাকালে তিনি আন্দোলনের পক্ষে ভূমিকা রাখেন। তিনি ফলিত গণিত বিভাগের ৭ম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী।

রাজিব জানান, ৫ আগস্টের আগে তিনি ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তবে কোনো পদে ছিলেন না।

তিনি বলেন, “আমাদের গঠনতন্ত্রে স্পষ্ট বলা আছে, পদধারীরা নির্বাচন করতে পারবে না। আমি সাবেক সাংসদ সাইফুল ইসলামের নির্বাচনে কাজ করেছিলাম, কিন্তু তখন তিনি অপরাধে জড়াননি। পরে যখন জুলাই আন্দোলন শুরু হয়, তখন তাদের বিপক্ষে আমিই প্রথম দাঁড়াই। আমি ন্যায়ের পক্ষে ছিলাম এবং স্থানীয় শক্তির বিরুদ্ধেও আন্দোলনে সবাইকে সম্পৃক্ত করি। ক্যাম্পাসে দলীয় রাজনীতি আমরা কোনোভাবেই মেনে নেব না। আমার শরীরে এক ফোঁটা রক্ত থাকা পর্যন্তও আমি এর বিরোধিতা করব।”

বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে অপর ভিপি পদপ্রার্থী নাসিমের বিরুদ্ধে। তিনি রসায়ন বিভাগের ৭ম সেমিস্টারে অধ্যায়নরত আছেন।

তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়েই আমার বেড়ে ওঠা। চরম আওয়ামী দুঃশাসনের মধ্যেও আমি আওয়ামী বিরোধী অবস্থান ধরে রেখেছি। সেই সময় থেকেই ফ্যাসিবাদবিরোধী প্রতিটি শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়। বহু আন্দোলনে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে অংশ নিয়েছি, বক্তব্য রেখেছি; তবে কোনো বিশেষ দলীয় কার্যক্রম বা এজেন্ডা বাস্তবায়নে কখনো যুক্ত হইনি।”

তিনি আরও জানান, ৫ আগস্টের পর গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস) গঠিত হলে তাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে রাখা হয়েছিল। কিন্তু তিনি সহ প্রায় ৩৫ জন সেদিনই প্রতিবাদ জানিয়ে পদত্যাগ করি।

বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী আরেক ভিপি প্রার্থী ইয়াসিন আল মৃদুল দেওয়ান। তার বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। তিনি সাভারের সাবেক সংসদ সদস্য তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদ এর কর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক সভাতেও সরব উপস্থিতি ও সদ্য গ্রেফতার হওয়া ছাত্রলীগ নেতা ইমনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন বলেও জানা যায়।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, “গ্রেফতার হওয়া ছাত্রলীগ নেতা ইমন আমার আপন ফুপাতো ভাই। তিনি ছাত্রলীগ করতেন এবং আওয়ামী লীগ নেতা মুরাদ জংয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। আত্মীয়তার কারণে অনেক সময় তার কথা ফেলতে পারিনি, তাই সর্বোচ্চ এক-দুবার দলীয় কর্মসূচিতে যেতে হয়েছে।”

অভিযোগকে ভিত্তিহীন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগের দলীয় রাজনীতির সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই, কোনো পদ-পদবিও নেই। বরং জুলাই আন্দোলনেও আমি সক্রিয় ছিলাম। ইমন ভাইয়ের সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক থাকার কারণে বিভিন্ন মহলে আমার বিরুদ্ধে আওয়ামী সংশ্লিষ্টতার মিথ্যা প্রচার চালানো হচ্ছে।”

আইন বিভাগের ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের প্রার্থী রিফাত আল মুক্তাদির। তিনি জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং বিভিন্ন সময়ে নিজ ফেসবুক প্রোফাইলে রাজনৈতিক কর্মসূচির প্রচারণা চালিয়ে থাকেন।

পারিবারিক রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করে রিফাত জানান, “আমার পরিবার রাজনীতির সাথে জড়িত। কিন্তু এখনো পর্যন্ত আমি কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত না। একজনের রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকতেই পারে, তবে আমি তো কোনো রাজনৈতিক দলের পদে ছিলাম না! আমি কোনো রাজনৈতিক দলের অনুগামীও নই। এমনকি কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে আমার সম্পৃক্ততা কেউ প্রমাণ করতেও পারবে না। কেউ যদি কোনো রাজনৈতিক দলের পদ-পদবি দেখাতে পারে, আমি গকসু নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবো।”

রাজনৈতিক সম্পৃক্ততায় প্রার্থীতা বাতিল হবে কিনা প্রশ্নে রিটার্নিং অফিসার ও উপাচার্য ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে কোনো সুস্পষ্ট বক্তব্যও দেননি তারা।

রিটার্নিং অফিসারের দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, “যেসব তথ্যের ভিত্তিতে প্রার্থীকে যোগ্য বিবেচনা করা হয়েছে, তা সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে। এখানে আলাদা কোনো তথ্য সংযোজনের এখতিয়ার আমাদের নাই। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বা কোনো শাস্তি প্রাপ্তসহ এমন কোনো তথ্য থাকলে তা নিশ্চিত করবে প্রশাসন (রেজিস্ট্রার)। তাদের পক্ষ হতে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের যোগ্য বলা হয়েছে।”

লিখিত অভিযোগের ব্যপারে তারা জানান, কারো বিরুদ্ধে এখনো পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ আসেনি।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: আবুল হোসেন বলেন, “যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, তাদের সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অফিশিয়াল সম্পৃক্ততার তথ্য নেই।”

তিনি জানান, “তাদের কার্যক্রম মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই সীমাবদ্ধ। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড কখনো দেখা যায়নি। তবে বাইরে তারা বিভিন্ন দলে যুক্ত হতে পারে, সেটি তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রম চালানো হয়, তাহলে প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।”

তিনি আরও বলেন, “বিষয়টি আমরা আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে পর্যালোচনা করেছি। কোনো প্রমাণিত বা অফিশিয়াল তথ্য ছাড়া তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আইনগত ভিত্তি নেই। তাই তাদের প্রার্থীতা বাতিল করার এখতিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নেই। এটি সম্পূর্ণ নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারভুক্ত।”

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।