রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

আর গান গাইবো না : ইবি উপ-উপাচার্য

ইরফান উল্লাহ, ইবি প্রতিনিধি : ভাষা শহিদদের স্বরণে ‘একুশের কথা ও কবিতা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদেরকে গান গেয়ে শুনিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী। গত রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১ টায় বাংলা বিভাগের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহিদ মিনার প্রাঙ্গনে এটি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তিনি রাধারমণ দত্তের ‘বন্ধু দয়াময়’ বাউল গানটি গেয়ে শুনান। […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ২০:৩৪

ইরফান উল্লাহ, ইবি প্রতিনিধি :

ভাষা শহিদদের স্বরণে ‘একুশের কথা ও কবিতা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদেরকে গান গেয়ে শুনিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী। গত রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১ টায় বাংলা বিভাগের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম শহিদ মিনার প্রাঙ্গনে এটি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় তিনি রাধারমণ দত্তের ‘বন্ধু দয়াময়’ বাউল গানটি গেয়ে শুনান। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যের মতো দায়িত্বশীল অবস্থান থেকে এ ধরনের শিশুসুলভ আচরণ মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। ইতিমধ্যেই এটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেতিবাচকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে নানা ব্যঙ্গাত্মক ও হাস্যরসাত্মক মন্তব্য করা হচ্ছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদাকে ক্ষুন্ন করছে এবং হাসির পাত্রে পরিণত করছে।

একজন উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক ব্যক্তিত্বের কাছ থেকে আমরা গঠনমূলক ও সম্মানজনক আচরণ প্রত্যাশা করি, যা শিক্ষার্থীদের আস্থার প্রতিফলন ঘটায়। এমন কর্মকাণ্ড শুধু তার ব্যক্তিগত ভাবমূর্তিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছে না, বরং পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তিকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করছে। আমরা উপ-উপাচার্যের প্রতি আরও দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করি, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকে এবং প্রশাসনের প্রতি শিক্ষার্থীদের বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা বজায় থাকে।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের ফেসবুক পেইজের তার এই গানটি ব্যাপক সমালোচিত হয়। মন্তব্যের ঘরে শাহজাহান কবির সোহেল বলেন, ‘স্যার সরল মনের গায়ক। কিন্তু যারা অনুপ্রেরণার নামে হাতে তালি দিচ্ছে তারা কিন্তু স্যার কে তেল দিচ্ছে।’ মোহাম্মদ ইমাম হোসেন বলেন, ‘মাহফুজুর রহমানের সাথে টেক্কা দেওয়ার খায়েশ জেগেছে।’ মাহফুজ আনাম বলেন, ‘হিরো আলম গান গাইলেই যত দোষ।’ মাহাদি হাসান শাহজাদা বলেন, ‘আল কুরআনের অধ্যাপক। বলতেও লজ্জা লাগে।’ শাহিদি আফরিন বলেন, ‘মানসিক রোগে ভুগছেন মনে হয়। মানসিক চিকিৎসা দরকার জরুরী ভিত্তিতে।’

এবিষয়ে উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী বলেন, আমি প্রফেশনাল গায়ক বা শিল্পী না। শিক্ষার্থীদের বিশেষ অনুরোধে, তাদেরকে সংগীত চর্চা এবং কবিতা চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে দু লাইন গান গেয়ে শুনিয়েছি। গতানুগতিক বই নিয়ে বসে থাকলেই হবে না বাহ্যিক সাধারণ বিষয়েও জানতে হবে। শিক্ষার্থীরা যাতে একজন মানুষকে দূরের না ভেবে কাছের ভাবে, গল্প করতে পারে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে মানুষ হুজুর, মৌলভী ও প্রতিক্রিয়াশীল মনে করে। আমরা প্রতিক্রিয়াশীল না, আমরা সংস্কৃতি মনা এবং উদার প্রকৃতির।

তিনি আরও বলেন, মানুষের যেকোনো কাজের ক্ষেত্রেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। মাননীয় উপাচার্য কবিতা আবৃতি করেছেন সেজন্য আমি গান গাইলাম মজা করে। অসুবিধা নেই আর গান গাইবো না।

সমালোচিত গানের ভিডিও লিংক: https://www.facebook.com/iupressclub/videos/930532019296254/?app=fbl

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।