রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

ইবিতে মারামারির ঘটনায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলন, মানহানির অভিযোগ

ইরফান উল্লাহ, ইবি প্রতিনিধি : বাসে সিট ধরাকে কেন্দ্র করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মাঝে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে গতকাল রবিবার আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের লাঞ্ছনা সহ বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলন করেন আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা আল-ফিকহের বাইরে অন্য বিভাগের তিন শিক্ষার্থীকে ইন্ধনদাতা দাবি করেন। এর প্রতিবাদে সোমবার বিকেল সাড়ে […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ২৩:২৮

ইরফান উল্লাহ, ইবি প্রতিনিধি :

বাসে সিট ধরাকে কেন্দ্র করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মাঝে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে গতকাল রবিবার আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের লাঞ্ছনা সহ বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলন করেন আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা আল-ফিকহের বাইরে অন্য বিভাগের তিন শিক্ষার্থীকে ইন্ধনদাতা দাবি করেন।

এর প্রতিবাদে সোমবার বিকেল সাড়ে চারটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস কর্নারে আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মানহানির অভিযোগে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই তিন শিক্ষার্থী। তারা হলেন আল কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী জাকারিয়া, আল হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী আমিরুল ইসলাম ও দাওয়াত অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী হাসানুল বান্না অলি।

সম্মেলনে ইবি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আজাহারুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হোসাইন, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক নুর আলম, ইবি সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তাজমুল হক জাইম সহ কর্মরত অন্য সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে আল কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী জাকারিয়া বলেন, চব্বিশের আন্দোলনের শুরু থেকেই আমি সামনে ছিলাম। আমি মনে করছি কোন একটি মহল আমি ব্যক্তি জাকারিয়াকে মানহানি করার জন্যই এই ঘটনার সাথে আমাকে জড়ানো হয়েছে। আমাকে কেন জরানো হয়েছে তা আমি ছাত্র হিসেবে জানি না। এই ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে তাদের রিপোর্টে সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে পারবো। আমি আগে থেকেই মেইনগেটে ছিলাম। উৎসুক জনতা হিসেবে আমি পরিস্থিতি দেখতে গেছি। সেখানে শুধু আমি একা ছিলাম না, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী এবং সমন্বয়ক প্যানেলের অনেকেই ছিল।

এসময় তিনি আরো বলেন, এখানে অনেক শিক্ষার্থী ছিল, অন্য কারো নাম কেন উল্লেখ করা হলো না এটা আমাদের প্রশ্ন। আমাদের বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানো হলো যে আমরা এখানে ইন্ধন যুগিয়েছি এবং মারামারির সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম। উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে এমন অভিযোগ করা হয়েছে। আমরা আশা করছি তদন্ত কমিটিতে সঠিক তথ্য উঠে আসবে। বাস আটকানোর সময় সম্পূর্ণ বিষয়টা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন। সেখানে অনেক শিক্ষার্থী ছিলেন, যাতে কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনা না ঘটে সেহেতু আমরা বাসের মধ্যে দুই পক্ষকে বাধা দিয়েছিলাম। শিক্ষকদের গায়ে আঘাতের মত একটা ঘটনা ঘটেছিল। আমরা চাই এর তদন্ত হোক এবং দ্রুত বিচার হোক। আমরা পুরো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।

আল হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী আমিরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটা মেইনগেট কেন্দ্রিক তাই একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে আমার থাকাটা স্বাভাবিক। মোস্তাফিজ স্যার জামালপুর যাবে তাই আমি স্যারকে হেল্প করার জন্য সাথে ছিলাম। পরবর্তীতে ঘটনাক্রমে আমরা সেখানে পৌছে দেখি একটা গ্যাঞ্জাম তৈরি হয়েছে। আমার বিশ্বাস তারা যে অভিযোগ তুলেছে এর কোন প্রমাণ তাদের কাছে নেই।

দাওয়াত অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী হাসানুল বান্না অলি বলেন, আমি ওখানে গিয়ে দেখি শিক্ষার্থীরা মবের দিকে আগাচ্ছে। তখন আমি একজন সচেতন শিক্ষার্থী হিসেবে উভয় বিভাগের শিক্ষার্থীদের শান্ত করার চেষ্টা করি। আমরা সেখানে দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেছিলাম। সেখানে আমাদের ছবি দেখালে হামলাকারী প্রমাণিত হয় না। দুই পক্ষকে থামাতে গিয়ে বৈষম্য বিরোধী, প্রক্টর, শিক্ষার্থী অনেকের ছবি উঠেছে। আমাদেরকে নিয়েই কেন প্রশ্ন।

এর আগে গতকাল রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে একই ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করে আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। সংবাদ সম্মেলনে তারা জানান, ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রক্টর অফিসে রাকিব তার ভুল স্বীকার করে মাফ চায় এবং এ বিষয়ে লিখিত মুচলেকা দিতে সম্মত হয়। এই সিদ্ধান্তকে আইন বিভাগের শিক্ষার্থীরা স্বাগত জানায়। তবে মিটিংয়ের এই সিদ্ধান্ত বাহিরে জানাতে গেলে সেখানে উপস্থিত আল ফিকহ ও অন্য অনুষদের কিছু শিক্ষার্থী ‘আল ফিকহ’ বিভাগের নামে স্লোগানসহ বিভিন্ন উস্কানীমূলক বক্তব্য দেয়। এরপর তারা আইন বিভাগের শিক্ষার্থীদের উপর অতর্কিত ও পরিকল্পিত হামলা চালায়। এ হামলায় সরাসরি সম্পৃক্ত ও ইন্ধনদাতা ছিল জাকারিয়া (বঙ্গবন্ধু হল), আমিনুর (জিয়া হল), হাসানুল বান্না (লালন হল)। এদের কেউ আল ফিকহ বিভাগের শিক্ষার্থী নন।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।