বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

উন্নত প্রযুক্তি ও শিক্ষার সমন্বয়ে বুটেক্সে টেক্সটাইল ম্যাটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের যাত্রা শুরু 

মোঃ আলী মোর্তজা বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)-এ ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে নতুন বিভাগ হিসেবে টেক্সটাইল ম্যাটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগটি যুক্ত হচ্ছে। বিভাগটির আসন সংখ্যা ৪০। নতুন এই বিভাগটির শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি প্রায় শেষের দিকে।  টেক্সটাইল ম্যাটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে রয়েছে প্রায় ২৫ কোটি টাকার অত্যাধুনিক মেশিনারিজ। যা গবেষণা এবং শিক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিভাগটির মেশিনারিজের মধ্যে রয়েছে ইলেকট্রন […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ জানুয়ারী ২০২৫, ০১:১৯

মোঃ আলী মোর্তজা

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)-এ ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে নতুন বিভাগ হিসেবে টেক্সটাইল ম্যাটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগটি যুক্ত হচ্ছে। বিভাগটির আসন সংখ্যা ৪০। নতুন এই বিভাগটির শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি প্রায় শেষের দিকে। 

টেক্সটাইল ম্যাটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে রয়েছে প্রায় ২৫ কোটি টাকার অত্যাধুনিক মেশিনারিজ। যা গবেষণা এবং শিক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিভাগটির মেশিনারিজের মধ্যে রয়েছে ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপ যার দ্বারা পদার্থের মাইক্রো এবং ন্যানো স্কেলে গঠন বিশ্লেষণ করা যায়। রয়েছে এক্স-রে ডিফ্র্যাক্টোমিটার যা স্ফটিক কাঠামো এবং বস্তুর উপাদানগত গঠন নির্ণয় করে। বস্তুর উপাদানের পর্যবেক্ষণের জন্যও এটি খুবই কার্যকর। রয়েছে ডায়নামিক মেকানিক্যাল অ্যানালাইজার; এটি প্রধানত উপকরণের স্থিতিস্থাপকতা, সান্দ্রতা এবং তাপমাত্রা পরিবর্তনের প্রভাব বিশ্লেষণ করে। উপাদানের তাপীয় স্থিতিশীলতা এবং ভর হ্রাসের হার নির্ণয়ের জন্য রয়েছে থার্মোগ্র্যাভিমেট্রিক অ্যানালাইজার।

এছাড়াও রয়েছে অ্যাটমিক ফোর্স মাইক্রোস্কোপ, স্পেকট্রোফটোমিটার, ড্রপ শেইপ অ্যানালাইজার, আল্ট্রাসনিক বাথ, ইলেকট্রিক্যাল রেজিসটিভিটি টেস্টার, থ্রি-ডি প্রিন্টার এবং র‌্যাপিড প্রোটোটাইপিং মেশিন, ফাইবার এবং পলিমার টেস্টিং যন্ত্র, ডিফারেনশিয়াল স্ক্যানিং ক্যালোরিমিটার (ডি.এস.সি), হাইড্রোলিক প্রেস এবং হিট প্রেস ইত্যাদি অত্যাধুনিক মেশিনারিজ।

বিভাগটির ল্যাবে বিদ্যমান আধুনিক মেশিনারিজসমূহ ব্যবহার করা যাবে নানাবিধ গবেষণার কাজে। যুগোপযোগী ন্যানোটেকনোলজি, পলিমার সাইন্স, কম্পোজিট ম্যাটেরিয়াল এবং বায়োম্যাটেরিয়ালস নিয়ে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ল্যাবে বিদ্যমান রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন শিল্প খাতের প্রয়োজন অনুযায়ী টেস্টিং এবং উন্নয়নের কাঠামোগত কাজ ল্যাবটিতে করা যাবে। 

বিভাগটি চালু করার কারণ প্রসঙ্গে বিভাগটির ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. শেখ মোঃ মামুন কবীর বলেন, টেক্সটাইল ম্যাটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগটি প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হলো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এমন একটি শাখা তৈরি করা যা পদার্থের গঠন, বৈশিষ্ট্য এবং ব্যবহারযোগ্যতা নিয়ে গবেষণা করে। বিভাগটি চালু করার আরও কয়েকটি কারণ হলো উন্নত প্রযুক্তির চাহিদা মেটানো, শিল্প ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন, পরিবেশবান্ধব সমাধান খুঁজে বের করা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের প্রসার ঘটানো, সর্বোপরি শিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা। 

তিনি আরও বলেন, এই বিভাগটির ল্যাবের মেশিনারিজগুলো গবেষণা এবং শিক্ষার জন্য যথেষ্ট উপযোগী। তবে যন্ত্রগুলোর নিয়মিত ব্যবহার এবং রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে ল্যাবের কার্যক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া উদীয়মান প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে আরও উন্নত মেশিনারিজ যোগ করার প্রয়োজন হতে পারে। 

নতুন বিভাগটির উচ্চশিক্ষায় কেমন সুযোগ রয়েছে এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বুটেক্সে টেক্সটাইল ম্যাটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) এবং ডক্টরেট (পি.এইচ.ডি) পর্যায়ে পড়াশোনা করার সুযোগ রয়েছে। 

এছাড়াও এই বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে (যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইউরোপ, জাপান) উচ্চ শিক্ষার জন্য স্কলারশিপ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ম্যাটেরিয়াল সাইন্সের বিশেষায়িত বিষয়গুলোতে দক্ষতা তৈরি করে বিদেশে কাজ করারও সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। 

টেক্সটাইলের বর্তমান সংকট নিরসনে এবং বাংলাদেশের অর্থনীতিতে টেক্সটাইল ম্যাটেরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগটি কেমন ভূমিকা রাখতে পারে এ প্রশ্নের জবাবে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. হোসনে আরা বেগম বলেন, ম্যাটেরিয়ালস সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগটি সবে মাত্র শুরু হচ্ছে। এখান থেকে বৃহৎ পরিসরে ফলাফল পেতে হলে ধৈর্য ধরতে হবে, আরো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে, অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। যেহেতু এটি গবেষণাধর্মী একটি বিষয়, তাই এখান থেকে ফলাফল আসতে সময়ের প্রয়োজন। উপযুক্ত বিষয় নির্বাচন করে গবেষণা করা, গবেষণার ফলাফল অনুধাবন এবং বাস্তবায়নের প্রত্যক্ষ ফলাফল পেতে হলে বছরের পর বছর সময় লেগে যেতে পারে। যেটির প্রেক্ষিতে টেক্সটাইলের বর্তমানের সংকটগুলো নিরসনে বিভাগটি অতিসত্বর কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আমি মনে করি না।

গবেষণায় নতুন বিভাগটি কেমন ভূমিকা রাখবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আসলে আন্ডারগ্রাজুয়েট লেভেলের শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ফলপ্রসূ গবেষণার আশা করাটা যথার্থ নয়। এখানে কেমন ধরণের শিক্ষার্থী আসবে, তাদেরকে আমরা কীভাবে গবেষণার জন্য উপযুক্ত করে গড়তে পারি সেটি আসল বিষয়। গবেষণা করার জন্য মাস্টার্স এবং পি.এইচ.ডি লেভেল উপযুক্ত সময়। যোগ্য শিক্ষার্থীরা মাস্টার্স, পি.এইচ.ডি লেভেলে যেয়ে নির্দিষ্ট বিষয়ে রিসার্চে অংশ নিতে পারে।

নতুন বিভাগটি নিয়ে আপনার প্রত্যাশা কীরূপ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আসলে নতুন বিভাগের প্রতি প্রত্যাশা তো সবারই থাকে। তবে এই বিভাগটির যেই কোর্স কারিকুলাম সেটি আন্ডারগ্রাজুয়েট পড়তে আসা যেকোনো সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত মনে হয়নি। এটি মাস্টার্স পর্যায়ের সেসব শিক্ষার্থী যারা আসলেই এটির সাথে মানিয়ে নিতে সক্ষম তাদের জন্য উপযুক্ত ছিল। তাছাড়া শুধু প্রত্যাশা রাখলেই তো হবে না, আমাদের উপযুক্ত শিক্ষক লাগবে, ছাত্র লাগবে, ছাত্রদেরকে সঠিকভাবে উপযুক্ত করে গড়তে হবে। প্রত্যাশা তো পরের ব্যাপার। এখন তো আমরা সবে শুরু করছি, সামনে অনেক কিছুর সম্মুখীন হতে হবে, অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। আমরা যখন কয়েকটা ব্যাচ পার করবো, তখন ব্যাপারগুলো আরো দৃশ্যমান হবে। 

বিভাগটির ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধানের মতে নতুন এই বিভাগটি সেসব শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত যারা বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় আগ্রহী এবং প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও শিল্পক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত সমাধান খুঁজে বের করতে উৎসাহী। যারা শিল্প, গবেষণা, বা উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে চায়। এই বিভাগটি তাদের জন্য আদর্শ যারা সৃজনশীল, গবেষণামুখী এবং ভবিষ্যতের জন্য টেকসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনে অবদান রাখতে চায়।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।