সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবিতে ঔষুধ আবিষ্কার,সুযোগ এবং প্রতিবন্ধকতা শীর্ষক সেমিনার

মেহেদী হাসান, (যবিপ্রবি প্রতিনিধি:)  ঔষুধ আবিষ্কার, সুযোগ ও প্রতিবন্ধকতা  নিয়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ। আজ রোববার সকালে যবিপ্রবির কেন্দ্রীয় গ্যালারীতে ‘ড্রাগ ডিসকভারি, চ্যালেঞ্জেস এবং অপরচুনিটি’ শীর্ষক সেমিনারটি যৌথভাবে আয়োজন করে যবিপ্রবির ফার্মেসি বিভাগ ও রিসার্চ সেল। […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৭:৫৭

মেহেদী হাসান, (যবিপ্রবি প্রতিনিধি:) 
ঔষুধ আবিষ্কার, সুযোগ ও প্রতিবন্ধকতা  নিয়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ।
আজ রোববার সকালে যবিপ্রবির কেন্দ্রীয় গ্যালারীতে ‘ড্রাগ ডিসকভারি, চ্যালেঞ্জেস এবং অপরচুনিটি’ শীর্ষক সেমিনারটি যৌথভাবে আয়োজন করে যবিপ্রবির ফার্মেসি বিভাগ ও রিসার্চ সেল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ বলেন, এ ধরনের সেমিনার আয়োজনের জন্য ফার্মেসি বিভাগ ও রিসার্চ সেলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। শিক্ষার্থীদের ভালো ফার্মাসিস্ট, গবেষক হতে হলে এই সেমিনার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। যবিপ্রবি একটি গবেষণাধর্মী বিশ্ববিদ্যালয়।
গবেষণায় আরও ভালো করতে এ ধরনের সেমিনারের বিকল্প নেই। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই সেমিনারের মাধ্যমে ঔষুধ আবিষ্কার কিভাবে করতে হয় সে সম্পর্কে জানবে এবং এ ধরনের জ্ঞান তাদের ক্যারিয়ার গঠনে মূল্যবান ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আমেরিকার এসজিএস লাইফ সাইন্সেস কোম্পনির বায়োফিজিক্সের বিজ্ঞানি ড. মুহাম্মদ সাদ্দাম হুসাইন। তিনি বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থায় ঔষুধ আবিষ্কার, সুযোগ, প্রতিবন্ধকতা ও বিভিন্ন ঔষুধের চাহিদাসহ  গবেষণামূলক তথ্য উপস্থাপন করেন। ঔষুধ আবিষ্কার এবং তার বিভিন্ন স্তরসমূহ বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেন।
রিসার্চ সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মিনহাজ উদ্দিন মনিরের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন যবিপ্রবির জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ড. মো. আমজাদ হোসেন, ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোছা. ফারজানা সুলতানা। সেমিনারে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সেমিনার পরিচালনা করেন ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী নওশীন জাহান জেরিন ও নিলুফা মাহারুফ মিম।
মেহেদী হাসান

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

‘আম্মারের খরচের হিসাব আমাদের কাছে অবাস্তব’: শিবির সভাপতি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার দাপ্তরিক ব্যয় হিসেবে যে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকার হিসাব দিয়েছেন, তা বাস্তব ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল। তার মতে, সামগ্রিক ব্যয়ের কথা বলে জিএস মূলত নিজের দায় এড়ানোর চেষ্টা করছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে […]

‘আম্মারের খরচের হিসাব আমাদের কাছে অবাস্তব’: শিবির সভাপতি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৪৩

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার দাপ্তরিক ব্যয় হিসেবে যে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকার হিসাব দিয়েছেন, তা বাস্তব ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল। তার মতে, সামগ্রিক ব্যয়ের কথা বলে জিএস মূলত নিজের দায় এড়ানোর চেষ্টা করছেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট চত্বরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ছাত্রশিবিরের পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নোত্তরে শিবির সভাপতি বলেন, রাকসুর জিএস দাপ্তরিক ব্যয় হিসেবে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা দেখানো হয়েছে। এর ব্যাখ্যায় আপ্যায়ন ও যাতায়াত খাতে ব্যয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু এত বড় অঙ্কের টাকা শুধু যাতায়াত ও আপ্যায়নে ব্যয় হয়েছে এমন দাবি সম্পূর্ণ অবাস্তব এবং শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নেবেন না।

তিনি আরও বলেন, শিবির সমর্থিত সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোটের প্যানেল থেকে নির্বাচিত রাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে তারা ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব ও জবাবদিহি চেয়েছেন। তাদের পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংস্কৃতি, পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ, মিডিয়া ও প্রকাশনা, তথ্য ও গবেষণা, মহিলা বিষয়ক এবং সাহিত্য ও বিতর্ক—এই ছয়টি দপ্তরে মোট প্রায় ৩৬ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।

শিবির সভাপতির দাবি, ক্রীড়া এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তরের ব্যয়ও হিসাবের আওতায় আনলে সেখানেও সর্বোচ্চ ১০ থেকে ২০ হাজার টাকার বেশি খরচ হওয়ার কথা নয়। তাই জিএসের দেওয়া ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকার সামগ্রিক হিসাব নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, সালাহউদ্দিন আম্মার তাদের প্যানেল থেকে নির্বাচিত নন। ফলে তার কর্মকাণ্ডের কোনো দায়ভার ছাত্রশিবির নেবে না। তবে তাদের প্যানেল থেকে নির্বাচিত রাকসু প্রতিনিধিদের কার্যক্রমের দায় সংগঠন বহন করবে বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে শিবির সভাপতির বক্তব্যের বিষয়ে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, মুজাহিদ ফয়সাল রাকসুর সদস্য নন। তিনি কোথা থেকে এসব তথ্য পেয়েছেন, সেটি তাকেই জিজ্ঞাসা করা উচিত। তার দাবি, সব তথ্য-প্রমাণ, নথি ও ভাউচার পরবর্তী সময়ে প্রকাশ করা হবে।

আম্মার বলেন, রাকসুর বিধান অনুযায়ী সাধারণ সম্পাদক সংসদের হিসাব পরিচালনা করেন এবং কোষাধ্যক্ষের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করেন। অর্থ উত্তোলনের সময় সেটি সংসদের দাপ্তরিক ব্যয় হিসেবে উল্লেখ করা থাকে। তাই পুরো হিসাব প্রকাশের আগে এ বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক নয়।

তিনি আরও বলেন, তার দায়িত্বের মেয়াদের আরও প্রায় আড়াই মাস বাকি রয়েছে। তাই এখনই সম্পূর্ণ ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার সুযোগ নেই। নির্ধারিত সময় শেষে ভাউচারসহ সব হিসাব প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে রাবি শাখা ছাত্রশিবির পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়ন, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন ভাতা চালু, আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল সেন্টার প্রতিষ্ঠা, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট কার্যকর করা এবং পরবর্তী রাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা।

এর আগে গত রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার তার দাপ্তরিক ব্যয় হিসেবে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা খরচের কথা জানিয়েছিলেন।