শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

বুটেক্সে অনুষ্ঠিত হলো ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াড ২.০

আলভী আহমেদ, বুটেক্স প্রতিনিধি  আজ শনিবার (৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ক্লাব (বিওয়াইডিসি) আয়োজিত ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াড ২.০ বুটেক্স ক্যাম্পাসে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এ আয়োজনে দেশের ৩৫টি ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াড টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। এই ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত হওয়া এবং […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ২১:২১

আলভী আহমেদ, বুটেক্স প্রতিনিধি 
আজ শনিবার (৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ক্লাব (বিওয়াইডিসি) আয়োজিত ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াড ২.০ বুটেক্স ক্যাম্পাসে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এ আয়োজনে দেশের ৩৫টি ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াড টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। এই ধরনের প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত হওয়া এবং বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার সুযোগ করে দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় বিওয়াইডিসি  এর সভাপতি মো: সাকিব আহমেদের সভাপতিত্বে বিওয়াইডিসি এ বছর অলিম্পিয়াড আয়োজন করে, যেখানে প্রায় ৬০০ এর অধিক শিক্ষার্থী বিভিন্ন ক্যাম্পাস থেকে আবেদন করেন।
এই অলিম্পিয়াডকে সফল করতে বিভিন্ন ক্যাম্পাস থেকে প্রায় ৭০ জন শিক্ষার্থী ইভেন্ট অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁদের মধ্য থেকে দশজনকে শ্রেষ্ঠ ইভেন্ট অ্যাম্বাসেডর হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। প্রতিযোগিতাটি চারটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে: টেক্সটাইল কেইস প্রতিযোগিতা, টেক্সটাইল কুইজ প্রতিযোগিতা (বহুনির্বাচনি ও ভাইভা), টেক্সটাইল পোস্টার প্রেজেন্টেশন এবং টেক্সটাইল কনটেন্ট রাইটিং। টেক্সটাইল কুইজ প্রতিযোগিতাটি আবার দুটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত ছিল। জুনিয়র ক্যাটাগরিতে প্রথম এবং দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা এবং সিনিয়র ক্যাটাগরিতে তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা এক বা একাধিক ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতার সুযোগ পান।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বুটেক্সের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিন । সম্মানিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন অকো-টেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো: আবদুস সোবহান সিআইপি ও ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ মইদুল ইসলাম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কাবেরী মজুমদার, ক্লাবটির মডারেটর ড. মোহাম্মদ ইমদাদ সরকার এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।
প্রতিটি বিভাগে অংশগ্রহণকারীরা তাদের প্রতিভা ও দক্ষতার প্রমাণ দেন। অলিম্প্যাডে পোস্টার প্রেজেন্টেশন ক্যাটাগরিতে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকার করেন যথাক্রমে টিম টুইস্ট, টিম নেক্সাস ও টিম সেফায়াজ স্কোয়াড। কেইস কম্পিটিশনে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকার করে যথাক্রমে বুটেক্সের টিম স্মল কাউন্সিল, ভিভেরে ও সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের  ফাইবার ফোরস। কন্টেন্ট রাইটিং কম্পিটিশনে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকার করেন যথাক্রমে বুটেক্সের তাহাসিন প্রীতি, গভ. কলেজ অফ অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সাইন্স এর নেহা ও বুটেক্সের রুবায়েত জাহান। কুইজ প্রতিযোগিতায় সিনিয়র ও জুনিয়র ক্যাটাগরতে প্রথম হয়েছেন বুটেক্সের দুইজন শিক্ষার্থী যথাক্রমে আফিয়া ইসলাম সামিরা ও সাদিক হাসান পাবন।
ক্লাবটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ তারেক হোসেন বলেন, বুটেক্স ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ক্লাব সাধারণত শিক্ষার্থীদের মান উন্নয়নে কাজ করে থাকে। যদিও এই ক্লাবের যাত্রা ২০২৩ সালে, মাত্র এক বছরেই ক্লাবটি বাংলাদেশের টেক্সটাইল রিলেটেড কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে পৌছে গেছে। গত বছর আমরা বুটেক্সসহ ৩৪টি বিশ্ববিদ্যালয় ও টেক্সটাইল কলেজ নিয়ে একটি ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াড এর আয়োজন করি। অলিম্পিয়াডে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।
এরই ধারাবাহিকতায় আজকে ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াড ২.০ আয়োজন করা হয়েছে। এই প্রোগ্রামে ৫টি সেগমেন্ট রাখা হয়েছে। আর সব সেগমেন্টের চূড়ান্ত পর্ব বুটেক্স ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়। তাছাড়াও বুটেক্স ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ক্লাব শিক্ষার্থীরা কিভাবে তাদের পরবর্তী পেশাগত জীবনে ভালো করতে পারবে সেটা নিয়েও কাজ করে থাকে। বুটেক্স ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ক্লাব বিশ্বাস করে এই ন্যাশনাল টেক্সটাইল অলিম্পিয়াডটি অন্যান্য অলিম্পিয়াডের মতো ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পা রাখবে।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও […]

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও ‘গরিব’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে এসব আচরণের সমর্থকদের বিরুদ্ধেও প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘Red Card to Racist, Classist and Hypocrite’ এবং ‘Red Card to Those Who Support Discrimination, Humiliation and Bullying’। শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্য, অপমান ও হয়রানির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি এসব আচরণকে সমর্থনকারীদেরও তাঁরা প্রত্যাখ্যান করছেন।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নায়েম বলেন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব ম্যাম ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নেকাব করায় তাকে Fundamentalist এবং সন্ত্রাসী বলে অবিহিত করেন। এছাড়াও, তিনি একই ক্লাসে ছেলেদের ৬ জন এক বেঞ্চে বসায় ‘গে’ এবং ‘গরিব’ বলে অবিহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ফেইসবুক লাইভে এগুলোর কোন কিছু এড্রেস না করে এক পাক্ষিক এআই নির্ভর বিবৃতি দেন৷

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি সামিনা লুৎফা, শিক্ষক নেটওয়ার্ক এবং তার অন্যান্য অনুসারী তাকে নির্লজ্জভাবে ডিফেন্ড করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের মূল অপরাধী হিসেবে প্রোট্রে করার চেষ্টা করছেন। আজকের প্রতিকী প্রতিবাদ তাদের সকলের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না,আমি এই মূহুর্তে অফিসে নাই। তবে শিক্ষার্থীরা যদি এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকে, তবে তা দেখে বিষয়টি সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। পরে ৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে সাময়িকভাবে সব ধরনের ক্লাস কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।