বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ চুরির অভিযোগ , বিভাগে তালা

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে টাকা চুরির অভিযোগ এনে বিভাগে তালা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিভাগের মূল ফটকে তালা দেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, আর্থিক অনিয়মের সুস্পষ্ট অভিযোগসহ উপাচার্য ও বিভাগীয় প্রধান বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের ১ সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কোন প্রকার পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন। একারণে […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ চুরির অভিযোগ , বিভাগে তালা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৮:৫২

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে টাকা চুরির অভিযোগ এনে বিভাগে তালা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিভাগের মূল ফটকে তালা দেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, আর্থিক অনিয়মের সুস্পষ্ট অভিযোগসহ উপাচার্য ও বিভাগীয় প্রধান বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের ১ সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কোন প্রকার পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন। একারণে বিভাগের প্রধান ফটকে শিক্ষার্থীরা তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে বিভাগটির শিক্ষকরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

জানা যায়, গত ৬ ফেব্রুয়ারি ফোকলোর বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে মধুপুর বনে বনভোজনের আয়োজন করা হয়। বনভোজন শেষে সন্ধ্যায় ফেরার পথে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তিনজন লক্ষ্য করেন তাদের ব্যাগ থেকে টাকা চুরি হয়েছে। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা সকলের ব্যাগ ও শরীর তল্লাশি করার দাবি তোলেন। তল্লাশির এক পর্যায়ে একজন শিক্ষকের কাছ থেকে একটি কার্ড ও টাকা উদ্ধার হয়।

যদিও তিনি শুরুতে দাবি করেন তার কাছে শুধু ভিসা কার্ড ছিল, কিন্তু তল্লাশিতে টাকাও বের হয়ে আসে। সকলে উক্ত পরিস্থিতি নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েন এবং এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা একাডেমিক কার্যক্রমসহ বিভাগের সকল কার্যক্রম হতে উক্ত শিক্ষককে বর্জনের ও বিরত রাখার দাবি তোলেন। এরই প্রেক্ষিতে গত ৮ ও ৯ ফেব্রুয়ারি স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা বিভাগীয় প্রধান এবং উপাচার্য বরাবর আবেদনপত্র জমা দেন।

আবেদনপত্রে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, টাকা চুরির বিষয়টি পেশাগত ও দায়িত্ববোধ পরিপন্থী কাজ। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে বিভিন্নভাবে শিক্ষার্থীদের উপর দায় চাপানোরও চেষ্টা করেন অভিযুক্ত শিক্ষক, যা শিক্ষার্থীদের মাঝে ভয় ও আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। যার ফলে আমাদের একাডেমিক কার্যক্রম অনেকাংশেই বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। এজন্য আমরা তাকে সকল একাডেমিক কার্যক্রম হতে বিরত রাখার জন্য অনুরোধ করছি।

এর আগেও পরীক্ষার ডিউটি প্রদানকালে অন্তত তিনটি ব্যাচ থেকে শিক্ষার্থীদের সামনে রাখা পার্স থেকে টাকা সরানো এবং ছাত্রদের ফিল্ডওয়ার্ক থেকে ট্যাক্সের নামে টাকা সরানোর অভিযোগ রয়েছে উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে। বনভোজনে চুরির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর এমন অভিযোগ জানিয়েছেন বিভাগটির সাবেক শিক্ষার্থীরা।

ফোকলোর বিভাগের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান রিমা বলেন, সেমিস্টার পরীক্ষা চলাকালীন আমাদের ব্যাগ থেকে প্রায় সময় টাকা চুরি হতো। আমরা একাধিক শিক্ষার্থী অভিযুক্ত শিক্ষককে আমাদের ব্যাগে হাত দিতেও দেখেছি। সম্প্রতি বনভোজনে শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের ব্যাগ থেকে টাকা চুরির ঘটনায় তল্লাশি করা হলে উক্ত শিক্ষকের কাছে অতিরিক্ত টাকা পাওয়া যায়। অথচ তল্লাশি করার পূর্বে তিনি ঐ পরিমাণ টাকার কথা উল্লেখ করেন নি। এর প্রেক্ষিতে আমরা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানাই।

ফোকলোর বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী তকিব হাসান বলেন, আমরা বিভাগীয় প্রধান ও উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। আমরা অভিযুক্ত শিক্ষকের ক্লাস বর্জন করেছি এবং এই ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে শাস্তির দাবি জানিয়েছি।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে ফোকলোর বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. আতিজা দীল আফরোজ জানান, গত ৬ ফেব্রুয়ারি ফোকলোর বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে মধুপুর বনে পিকনিক আয়োজন করা হয়। হঠাৎ একজন শিক্ষার্থীর টাকা হারিয়েছে জানতে পারি। এরপর খেয়াল করে দেখি আমার ব্যাগ থেকেও ৬ হাজার টাকা হারিয়েছে। পরে তল্লাশি করা হলে একজন শিক্ষিকার কাছে চুরি হওয়া টাকা পাওয়া গেছে বলে জানায় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের আবেদনপত্র পেয়েছি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই এবং বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিষয়ে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।

তবে অভিযোগের বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি অভিযুক্ত শিক্ষিকা। তিনি বলেন, এমন হীন বিষয়ে অভিযোগ নিয়ে আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। আমি এ বিষয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছি না।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।