রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

জুয়ার আসর থেকে পুলিশের ওপর হামলা, আহত ৬ পুলিশ, আটক ৫

সজিব রেজা, দিনাজপুর: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় জুয়া ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে পুলিশের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ছয়জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়তে বাধ্য হয়। অভিযানে জুয়া ও মাদক সংশ্লিষ্ট পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকাল ৫টার দিকে ঘোড়াঘাট উপজেলার ১নং বুলাকীপুর […]

জুয়ার আসর থেকে পুলিশের ওপর হামলা, আহত ৬ পুলিশ, আটক ৫

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২০:২০

সজিব রেজা, দিনাজপুর:

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় জুয়া ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে পুলিশের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ছয়জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়তে বাধ্য হয়। অভিযানে জুয়া ও মাদক সংশ্লিষ্ট পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকাল ৫টার দিকে ঘোড়াঘাট উপজেলার ১নং বুলাকীপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকা কুলানন্দপুরের করতোয়া নদীর খেয়াঘাট পার হয়ে গোপাল চৌধুরীর বাড়ির পূর্ব পাশে একটি পরিত্যক্ত জমিতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্র জানায়, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট, নবাবগঞ্জ এবং রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী করতোয়া নদীর চরাঞ্চল হওয়ায় এলাকাটির যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্গম। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে সেখানে জুয়া ও মাদকসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। এর ফলে আশপাশের এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির মতো অপরাধ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায়।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে ঘোড়াঘাট-হাকিমপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আ.ন.ম. নিয়ামত উল্লাহর নেতৃত্বে ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম ও তদন্ত কর্মকর্তা সহ একটি পুলিশ দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান চলাকালে বিকেল আনুমানিক পাঁচটার দিকে ঘোড়াঘাট উপজেলার ১নং বুলাকীপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী কুলানন্দপুর এলাকায় করতোয়া নদীর খেয়াঘাট পার হয়ে একটি পরিত্যক্ত জমিতে টাকার বিনিময়ে ফরগুটি ও ডাবু দিয়ে জুয়া খেলা এবং মাদক সেবন ও কেনাবেচার তথ্য পাওয়া যায়।

সংবাদের সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সেখানে উপস্থিত প্রায় ১০০ থেকে ১১০ জন জুয়ারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে উত্তেজিত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে তারা বেআইনি জনতায় পরিণত হয়ে পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। এতে দায়িত্ব পালনরত ছয়জন পুলিশ সদস্য আহত হন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়।

আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আটককৃতরা হলেন—ঘোড়াঘাট উপজেলার সিংড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ দেবীপুর এলাকার ময়নুল ইসলাম (৫২), রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার আলতাফ হোসেন (৪৫), রঞ্জু মিয়া (৩৮), রফিকুল ইসলাম (৫০) এবং গাইবান্ধার সাদ্যুল্লাহপুর উপজেলার সাদেকুল ইসলাম (৫০)।

এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ১৩টি ফরগুটি, দুটি কালো রঙের রাবারের ডাবু, নগদ ৪ হাজার ৮০০ টাকা, চারটি বাটন মোবাইল ফোন, একটি স্মার্টফোন এবং পাঁচ বোতল অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল (মোট ৫০০ মিলিলিটার) জব্দ করা হয়।

ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জুয়া ও মাদক সংশ্লিষ্ট পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে জুয়া ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করলেও তাদের দাবি, জুয়া পরিচালনার সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় প্রশাসনের নজর এড়ালেই আবারও নদীপাড়ের এসব এলাকায় জুয়ার আসর বসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।