নেত্রকোনা প্রতিনিধি :
নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে নারী সহ ৮জন দালালকে আটক করা হয়। তিনজন পুরুষকে ৫০০ টাকা জরিমান অনাদায়ে সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে পাঁচজন নারী মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পায়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসপাতালে উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে অভিযান চালায়। ভ্রাম্যমান আদালতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব শফিকুল ইসলাম এ আদেশ দিন।
ধন্ডাদেশ প্রাপ্ত করা হলেন- উপজেলার ইচুলিয়া গ্রামের শামসুল হকের ছেলে মৃদুল (২৫), ঘাগড়াপাড়া গ্রামের মুসলিম মিয়ার ছেলে নাসির উদ্দিন (২৫) ও উপজেলা সদরের আবুল কালামের ছেলে জুবায়ের (৩০)। তারা সবাই পূর্বধলা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।
মুচলেকায় ছাড়া পেলেন- উপজেলা সদরের মৃত রফিকুল ইসলাম এর স্ত্রী সাবিনা (৩৫), নজরুল ইসলামের স্ত্রী মোমেনা (৪০), ইসলাম খা’র স্ত্রী ফাতেমা খাতুন (৬০), দিগজান গ্রামের মান্নাছ আলীর স্ত্রী রেনু আক্তার (৪০) ও লেডিরকান্দা গ্রামের লাল উদ্দিনের স্ত্রী রেজিয়া (৪৫)। ভবিষ্যতে তারা হাসপাতালে কখনো দালালি কাজ করবেন না বলে ভ্রাম্যমান আদালতে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান।
পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহমুদুল হাসান মামুন বলেন, দালাল চক্র হাসপাতালে আশপাশে থেকে রোগীদের নিয়ে বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে প্রতারণা করে। এই বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অভিহিত করা হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ যৌথ উদ্যোগে অভিযান পরিচালিত হয়।
ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত তিনজনকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাঁচজন নারী ভবিষ্যতে হাসপাতালে দালালি কাজে লিপ্ত না হওয়ার শর্তে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। হাসপাতালকে দালাল মুক্ত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এতে উপস্থিত ছিলেন, পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ বিশ্বপ্রিয় মজুমদার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ থানার অফিসার ফোর্স বৃন্দ।