বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

হাসছে অবৈধ ইটভাটার মালিক , দূষণে ভারী হচ্ছে পরিবেশ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনায় অবাধে চলছে অবৈধ ইটভাটা। উপজেলা, জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে ডিপা গুঞ্জা (টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে) দিয়ে ভাটা পরিচালনা করার দাবী মালিক পক্ষের। তবে সংশ্লিষ্টদের দাবী মামলা জটিলতার কারণে বন্ধ করা যাচ্ছে না ইটভাটা। প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে জেলার ৪০টি ইটভাটার মধ্যে এ বছর চালু আছে ৩২টি। মৌসুমের শুরুতে প্রশাসন […]

হাসছে অবৈধ ইটভাটার মালিক , দূষণে ভারী হচ্ছে পরিবেশ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯:৪৪

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

নেত্রকোনায় অবাধে চলছে অবৈধ ইটভাটা। উপজেলা, জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে ডিপা গুঞ্জা (টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে) দিয়ে ভাটা পরিচালনা করার দাবী মালিক পক্ষের। তবে সংশ্লিষ্টদের দাবী মামলা জটিলতার কারণে বন্ধ করা যাচ্ছে না ইটভাটা।

প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে জেলার ৪০টি ইটভাটার মধ্যে এ বছর চালু আছে ৩২টি। মৌসুমের শুরুতে প্রশাসন ছয়টিতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা মাধ্যমে আর্থিক জরিমানা করেন। এগুলো এখন ইট পোড়ানোর কর্যক্রম চালুও আছে।

কিন্তু বন্ধ করার কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এতে স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না। এতে হাঁসি থাকে অবৈধ ভাটার মালিকদের দূষণে ভারী হয় পরিবেশ। 

এদিকে স্থানীয় দপ্তর ম্যানেজ করে সরকারী ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির উপরিভাগ, খাস পতিত জমি, নদীর চর, বিল ও খালের মাটি নেওয়া হচ্ছে ইটভাটায়। এসব মাটি পরিবহনে প্রতিনিয়ত ট্রাক্টর চলাচল করায় গ্রামীণ রাস্তার ক্ষতি হচ্ছে। ইটভাটার ধোঁয়ায় আশপাশের পরিবেশের মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফসলি জমি হারাচ্ছে উর্বরতা। 

জেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও ইটভাটার সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, জেলার নয়টি উপজেলায় ৪০টি ইটভাটা আছে। এবছর ৩২টি ভাটা ইট উৎপাদন কাজ করছে। এর মধ্যে ৪টি ভাটার পরিবেশ অধিদপ্তর ছাড়পত্র আছে। বাকী ২৮টি ভাটা অবৈধ থেকেই ইট তৈরির কাজ করছে। প্রতিটি ভাটায় ৩০০-৪০০ শ্রমিক কাজ করে। ফলে ১০-১২ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়। প্রতিটি ভাটায় ৬৫লাখ থেকে ১কোটি পিসের বেশী ইট উৎপাদন হয়। 

উচ্চ আদালতে আদেশের তথ্য মতে, পরিবেশবাদী সংগঠন “হিউম্যান রাইট’স অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ” এর পক্ষে ২০২৩ সালে ১০ নভেম্বর উচ্চ আদালতে রিট করা হয়। বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই বছর ১৩নভেম্বর দেশের অবৈধ সব ইটভাটা বন্ধ করতে আদেশ দেন।

এ আদেশে মন্ত্রীপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও পরিবেশ সচিবকে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিতে বলা হয়। অন্যান্য এলাকায় কিছু ইটভাটা বন্ধ করা হলেও নেত্রকোনার কোতাও প্রশাসন তা কার্যকর করেনি। 

পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০১৩ সালের ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইনের ৪ধারায় বলা আছে, ইটভাটা যে জেলায় অবস্থিত, সেখানকার জেলা প্রশাসকের লাইসেন্স গ্রহণ ছাড়া কোনো ব্যক্তি ইটভাটা স্থাপন ও ইট প্রস্তুত করতে পারবেন না।

ওই আইনের ৮(১) ধারায় বলা আছে, ছাড়পত্র থাকুক বা না থাকুক, আইন কার্যকরের পর আবাসিক বাণিজ্যিক ও সংরক্ষিত এলাকা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা উপজেলা সদর, সরকারি বা ব্যক্তি মালিকানাধীন বন, অভয়ারণ্য, বাগান, জলাভূমি, কৃষিজমি এবং বিশেষ কোনো স্থাপনা, রেলপথ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও ক্লিনিক,

গবেষণা প্রতিষ্ঠান, অনুরূপ কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে এক কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে ভাটা স্থাপন করা যাবে না। কিন্তু এর নিয়ম মানা হয়নি ইটভাটা গুলোতে। এসব ইটভাটা থেকে জনবসতি, বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দূরত্ব খুবই কম। 

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, নেত্রকোনা সদর উপজেলা সহ ৯টি উপজেলার অধিকাংশ ভাটার পাশেই ফসলি জমি, বিদ্যালয়, কলেজ, বাজার, স্বাস্থ্য কেন্দ্র, সড়ক, রেললাইন ও জনবসতি এগুলোর কোন একটি আছে। জেলার আটপাড়া মাটিকাটা গ্রামের কাঞ্চন ও স্কুল শিক্ষার্থী সাব্বির ও তাজবীদ সহ অনেকেই বলেন, নেহল ব্রিকস নামে ইটভাটার ধুলাবালিতে তাদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকটি ইটভাটার মালিক পক্ষের প্রতিনিধি বলেন, ভাটা পরিচালনা করতে অনেক কষ্ট হয়। সাংবাদিকদের টাকা না দিলে প্রশাসন দিয়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আর্থিক জরিমানা করে। আবার সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকটি অফিসকে ডিফা গুঞ্জা (টাকা) দিয়ে ম্যানেজ করে রাখতে হয়। 

কেন্দুয়ার ভগবতীপুর গ্রামের অনেকেই নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাস্তা ও বসতবাড়ির আশপাশে ইটভাটার ধুলাবালি ও কয়লার কণা ওড়ে। এতে শিশু ও বয়স্করা শ্বাসকষ্ট সহ নানা রোগে ভুগছে। ফল গাছের ফলনও, ফসলী জমিতে ধান ও সবজীর ফলন কমে গেছে। গত বছর প্রশাসন “ঢাকা ব্রিক’স” নামের ইটভাটাটি বন্ধ করলেও পরদিন মালিক পক্ষ আবার চালু করে।

প্রশাসনকে জানিয়ে লাভ হয় না। উল্টো ভাটার মালিক পক্ষের হুমকি ধামকিতে এলাকা থাকাই কঠিন হয়ে পড়ে। প্রশাসন ভ্রাম্যমান আদালতের নামে জনসাধারণের সাথে তামাশা করে। সরকারের উচ্চ মহল কাছে এসব অবৈধ ইটভাটা বন্ধে হস্তক্ষেপ কামনা করছি। 

নেত্রকোনা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মোশারফ হোসেন বলেন, জেলার ইটভাটায় প্রায় দশ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সাথে সমসংখ্যক পরিবারের জীবিকাও নির্বাহ হচ্ছে। আমি মনে করি সরকার নীতিমালা সহজ করে ইটভাটা শিল্পকে রক্ষা করতে উদ্যোগ নিবে। 

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির নেটওয়ার্ক (বেলা) সদস্য ও এআরএফবি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার খান বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের বিদি মোতাবেক যে সমস্ত ইটভাটা চলতে পারবে না সেগুলো প্রশাসনের বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

নেত্রকোনা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মতিন বলেন, জেলায় ৩২টি ইটভাটা চালু আছে। এর মধ্যে ৪টির পরিবেশের ছাড়পত্র রয়েছে। এ বছর কেন্দুয়া ৪টি, মদনে ২টি ও আটপাড়ায় ২টি ভাটায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে। মামলা জটিলতার কারণে অবৈধ ভাটা গুলো বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে অভিযান অব্যাহত থাকবে। 

নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসন যৌথভাবে অবৈধ ঈদ বাটায় নিয়মিত ব্রাহ্মণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানা করছে। সরকারি জমি এবং নদী ও বিলের অংশ থেকে ইটভাটায় মাটি নেওয়ার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।