সোমবার, ১১ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

টেণ্ডার ছাড়া মেহেরপুর গণপূর্তের কয়েক কোটি টাকার কাজ

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃ সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির নীতি উপেক্ষা করে মেহেরপুর গণপূর্ত বিভাগ (পিডব্লিউডি) কয়েক কোটি টাকার সরকারি ভবন সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে কোনো প্রকল্প অনুমোদন, দরপত্র আহ্বান কিংবা উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা ছাড়াই। এসব কাজ বাছাই করা কয়েকজন ঠিকাদারের মাধ্যমে করানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রফিকুল হাসানের […]

টেণ্ডার ছাড়া মেহেরপুর গণপূর্তের কয়েক কোটি টাকার কাজ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৩৩

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃ

সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির নীতি উপেক্ষা করে মেহেরপুর গণপূর্ত বিভাগ (পিডব্লিউডি) কয়েক কোটি টাকার সরকারি ভবন সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে কোনো প্রকল্প অনুমোদন, দরপত্র আহ্বান কিংবা উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা ছাড়াই।

এসব কাজ বাছাই করা কয়েকজন ঠিকাদারের মাধ্যমে করানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রফিকুল হাসানের বিরুদ্ধে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনাগুলোকেই এই অনিয়মের আওতায় আনা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে জেলা জজ আদালত ভবন, পুলিশ সুপারের বাসভবন ও কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের বাসভবন, মুজিবনগর কমপ্লেক্স, বিআরটিএ অফিস, সদর হাসপাতাল, নির্বাহী প্রকৌশলীর নিজস্ব সরকারি বাসভবন, জেলা কারাগার, থানাভবনসহ অন্তত এক ডজন সরকারি দপ্তর।

এসব ভবনের সংস্কার ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজের কোথাও দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়নি, প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুমোদনের কোনো নথি নেই, এমনকি কাজের কার্যাদেশও পাওয়া যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘জরুরি’ অজুহাত দেখিয়ে ধারাবাহিকভাবে একাধিক ভবনে কয়েক কোটি টাকার কাজ করানো কোনোভাবেই বৈধ নয়। সরকারি বিধিতে জরুরি ক্রয়ের সীমা, অনুমোদন ও পরবর্তী নিয়মিতকরণের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে, যা এখানে অনুসরণ করা হয়নি।

সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) অনুযায়ী, জরুরি পরিস্থিতিতেও নির্দিষ্ট সীমার বেশি অর্থের কাজ টেন্ডারের মাধ্যমে করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু মেহেরপুরে সেই আইন কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ঠিকাদার ও গণপূর্ত বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, নির্বাহী প্রকৌশলী নিজ ক্ষমতাবলে নির্দিষ্ট কয়েকজন ঠিকাদারকে কাজ ভাগ করে দিচ্ছেন। কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে কারিগরি যোগ্যতা, দরপ্রস্তাব বা প্রতিযোগিতার কোনো মূল্য নেই; মূল্যবান হয়ে উঠেছে ‘ব্যক্তিগত সখ্য’।

এক ঠিকাদার বলেন, জেলায় অন্তত ৬০-৭০ জন বৈধ ঠিকাদার আছে। কিন্তু আমরা কেউ জানি না কোথায় কাজ হচ্ছে, কবে টেন্ডার হবে। সবকিছু হয় গোপনে। কয়েকজন ঠিকাদারকে দিয়েই কোটি কোটি টাকার কাজ করানো হচ্ছে।

শুধু ঠিকাদার নয়, গণপূর্ত বিভাগের ভেতরেও এই অনিয়ম নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে। একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, আমাদের প্রকৌশলীরা জানেনই না কোন কাজের কত বাজেট, কীভাবে বরাদ্দ হচ্ছে। পরে যদি অডিট বা তদন্ত আসে, দায় পুরো বিভাগকে নিতে হবে। আরেক কর্মকর্তা বলেন, এভাবে নিয়ম ভেঙে কাজ করানো মানে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্নীতি ও মামলার পথ তৈরি করা।

উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল গাফফার বলেন, আমি ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা। ছাপোষা চাকরি করি। এক্স ইএন ও এসডিই স্যার আমাকে কাজ দেখাশোনার জন্য যেভাবে নির্দেশ দেন, আমি সেই নির্দেশই পালন করি মাত্র। কোনো কিছু জিজ্ঞাসা থাকলে আপনি এক্স ইএন ও এসডিই স্যারকে জিজ্ঞেস করতে পারেন। কাজের টেন্ডার হয়েছে অথবা হয়নি এ ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারব না।

তিনি জানান, তিনি এসপি বাসা, জজ আদালত ও সদর থানার শেড নির্মাণসহ মেরামতের কাজ দেখভাল করছেন।

উপসহকারী প্রকৌশলী ইমরান হোসেন বলেন, আমি মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল ও পিডব্লিউডি ভবনের সাইট দেখভাল করি। কিছুদিন আগে হাসপাতালে মেরামত কাজ শেষ হয়েছে। কাজের টেন্ডার হয়েছে কিনা, তা আমার জানা নেই। এক্স-ইএন এবং এসডি স্যারদের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজের তদারকি করে থাকি। এছাড়া আর কিছু বলতে পারব না বলে তিনি মোবাইল কেটে দেন।

উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী জামাল উদ্দিন বলেন, অফিসের বস এক্স-ইএন স্যার। তিনি যেভাবে বলেন, সেভাবেই করতেই হয়।

অভিযোগের বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রফিকুল হাসান দরপত্র ছাড়া বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা সংস্কারকাজ চলমান থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, “৫ আগস্টের পর জেলায় তিনজন পুলিশ সুপার ও দুইজন জেলা প্রশাসক বদলি হয়েছেন। নতুন কর্মকর্তারা এলে তাদের অফিস ও বাসভবন ব্যবহারযোগ্য করতে হয়।

তাছাড়া পুলিশ সুপারের বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডে দুটি এসিসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। জরুরি অবস্থায় দরপত্রের সময় পাওয়া যায়নি।”

সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও বিচার বিভাগের ভবনগুলোতেই এই অনিয়ম হয়েছে।

ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের নীরব সম্মতি ছাড়া এসব কাজ কীভাবে চলতে পারে? যখন প্রশাসনের ভবনই অনিয়মের মাধ্যমে সংস্কার হয়, তখন সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার বা দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ে আস্থা রাখবে কীভাবে?

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।