রবিবার, ১০ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

খাগড়াছড়ি–২৯৮ আসনে বিএনপি প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া রাজনীতি ও সংগ্রামের দীর্ঘ পথচলা

মোঃ হাচান আল মামুন,দীঘিনালা প্রতিনিধি পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত ও প্রভাবশালী নেতা আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি–২৯৮ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়নপ্রাপ্ত এই নেতা রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা ও সংসদীয় অভিজ্ঞতার মাধ্যমে একটি বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন গড়ে তুলেছেন। জন্ম ও পারিবারিক পরিচয় আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়ার জন্ম ৫ জানুয়ারি […]

খাগড়াছড়ি–২৯৮ আসনে বিএনপি প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া রাজনীতি ও সংগ্রামের দীর্ঘ পথচলা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২০:১৩

মোঃ হাচান আল মামুন,দীঘিনালা প্রতিনিধি

পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরিচিত ও প্রভাবশালী নেতা আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি–২৯৮ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়নপ্রাপ্ত এই নেতা রাজনৈতিক সংগ্রাম, সাংগঠনিক দক্ষতা ও সংসদীয় অভিজ্ঞতার মাধ্যমে একটি বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন গড়ে তুলেছেন।

জন্ম ও পারিবারিক পরিচয়

আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়ার জন্ম ৫ জানুয়ারি ১৯৬৫ সালে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার রামগড় উপজেলায়। তার পিতার নাম সালে আহমেদ ভুঁইয়া এবং মাতার নাম বিয়া সালে। ধর্মপরায়ণ ও সামাজিকভাবে সম্মানিত একটি পরিবারে জন্ম নেওয়া ওয়াদুদ ভুঁইয়া ছোটবেলা থেকেই শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার শিক্ষা লাভ করেন।

শিক্ষাজীবন

তিনি স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়ে বিএসএস ও এমএসএস ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষাজীবন থেকেই তিনি সমাজ ও রাজনীতি সম্পর্কে সচেতন হয়ে ওঠেন।

রাজনীতিতে পদচারণা

ছাত্রজীবনেই আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৮০-এর দশকের শেষ দিকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। পরবর্তীতে বিএনপির তৃণমূল থেকে শুরু করে জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে তিনি দলের একজন পরীক্ষিত নেতায় পরিণত হন।

সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব

২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি খাগড়াছড়ি–২৯৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সংসদ সদস্য থাকাকালে পার্বত্য অঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্প্রসারণ, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সামাজিক খাতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়।

এছাড়াও তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময়ে পাহাড়ি এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তার ভূমিকা স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়।

আন্দোলন, মামলা ও কারাবরণ

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিএনপির আন্দোলন–সংগ্রামের অংশ হিসেবে তাকে একাধিক রাজনৈতিক মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে এবং বিভিন্ন সময়ে কারাবরণ করতে হয়েছে। তবে এসব দমন–পীড়ন তাকে রাজনীতি থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি; বরং আন্দোলনের মাঠে তাকে আরও দৃঢ় ও আপসহীন করে তুলেছে বলে মনে করেন তার অনুসারীরা।

বর্তমান দায়িত্ব

বর্তমানে আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া—

খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি

বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সম্পাদক (কর্মসংস্থান বিষয়ক)

এই দায়িত্বগুলো পালনের মাধ্যমে তিনি দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম ও রাজনৈতিক দিকনির্দেশনায় সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন।

ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক ভাবমূর্তি

ব্যক্তিজীবনে তাকে সহজ-সরল, মানুষের সঙ্গে মিশুক এবং সংগঠনের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলাবান নেতা হিসেবে বর্ণনা করেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী এই নেতা রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে ব্যক্তিগত সম্পর্ক বজায় রাখতে সচেষ্ট থাকেন।

স্থানীয় মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং দলীয় নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নেওয়ার মাধ্যমে তিনি এলাকায় একজন পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস ও সাংগঠনিক দক্ষতা খাগড়াছড়ি–২৯৮ আসনের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।