সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ওসির ঘুস-বাণিজ্য, হয়রানির শিকার হচ্ছেন ভারতগামী যাত্রীরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া চেকপোস্টে ওসির নেতৃত্বে ঘুস-বাণিজ্যসহ ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মোটা অঙ্কের টাকা দিলেই অনায়াসে মামলার আসামিও দেশ ত্যাগ করে যেতে পারছেন ভারতে। বিশেষ করে ভারতের হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাওয়া মেডিকেল ভিসায় ভারতগামী পাসপোর্টধারী যাত্রীরা চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রীর কাছ থেকে নানা অজুহাতে আদায় করা হচ্ছে লাখ লাখ টাকার ঘুস। যাত্রীদের […]

ওসির ঘুস-বাণিজ্য, হয়রানির শিকার হচ্ছেন ভারতগামী যাত্রীরা

ওসির ঘুস-বাণিজ্য, হয়রানির শিকার হচ্ছেন ভারতগামী যাত্রীরা

নিউজ ডেস্ক

০৭ আগস্ট ২০২৫, ১০:৪৭

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া চেকপোস্টে ওসির নেতৃত্বে ঘুস-বাণিজ্যসহ ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মোটা অঙ্কের টাকা দিলেই অনায়াসে মামলার আসামিও দেশ ত্যাগ করে যেতে পারছেন ভারতে। বিশেষ করে ভারতের হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাওয়া মেডিকেল ভিসায় ভারতগামী পাসপোর্টধারী যাত্রীরা চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রীর কাছ থেকে নানা অজুহাতে আদায় করা হচ্ছে লাখ লাখ টাকার ঘুস। যাত্রীদের অভিযোগ, ওসিসহ ইমিগ্রেশন পুলিশের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং দালালদের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে একটি প্রভাবশালী চক্র। যাত্রী হয়রানি ও ঘুস লেনদেনের অভিযোগ দীর্ঘদিনের হলেও বর্তমানে তা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

এই প্রতিবেদক গত ১ মাস আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশনে অনুসন্ধান করে ঘুস লেনদেনসহ ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছেন, যা এই প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষণ আছে।

ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ, ইমিগ্রেশন ওসি ও সংশ্লিষ্ট কিছু পুলিশ সদস্য মেডিকেল ভিসায় ভারতে যাওয়া যাত্রীদের কাছ থেকে ৫ হাজার থেকে লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুস আদায় করছেন। টাকা না দিলে তাদের ‘ডকুমেন্টস ঠিক নেই’ কিংবা ‘মেডিকেল কনফার্মেশন ঝুঁকিপূর্ণ’ ইত্যাদি অজুহাতে সীমান্ত পারাপার আটকে দেওয়া হয়।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতিদিন গড়ে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুস আদায় করে থাকে এই চক্রটি। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে পাসপোর্টে সিল, ভিসা যাচাই ও ছবি তোলার মতো প্রক্রিয়াগুলোরও ব্যাপক অনিয়ম চলছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

২১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার হরষপুরের আব্দুল আউয়ালের ছেলে হাসান মিন্টু ভারতে যান। তার নামে একাধিক মামলা রয়েছে। মিন্টুর মামলা থাকায় বন্দরের লাগেজ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত স্থানীয় এক টিভি সাংবাদিক ওসির সঙ্গে এ রফাদফা করেন। মামলার কথা জেনেও এই পুরো অবৈধ কাজটি গোপনে ওসি একাই করেছেন এবং ওসির আইডি থেকে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। আর এ জন্য ওসি আব্দুস সাত্তার ওই সাংবাদিকের মাধ্যমে মিন্টুর কাছ থেকে ৭৫ হাজার টাকা ঘুস নেন।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ভারতের আগরতলার নমিতা বণিক নামে এক যাত্রী ১৪ এপ্রিল বাংলাদেশে আসেন। তার ভিসায় একসঙ্গে ৬০ দিনের বেশি বাংলাদেশে অবস্থান করতে পারবে না উল্লেখ থাকলেও তিনি অতিরিক্ত আরও ১ মাস ২০ দিন অবৈধভাবে বেশি ছিলেন। ইমিগ্রেশনের কম্পিউটার ডাটা এন্টিতে দেখা যায় ২ আগস্ট তিনি আবার আগরতলা ফিরে যান। আর এই পুরো অবৈধ কাজটি করেছেন এসআই আব্দুর রহিমের আইডি থেকে। আর এ জন্য ওসি মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার ও এসআই আব্দুর রহিম নমিতা বণিকের কাছ থেকে ৯৫ হাজার টাকা ঘুস নেন। ২২ জুলাই কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার দুই বাসিন্দা রুবেল মিয়াজি ও মোহাম্মদ ফেরদৌস চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারতে যাওয়ার জন্য আখাউড়া ইমিগ্রেশনে আসেন। ফেরদৌস জানান, ওই সময় দায়িত্বে থাকা পুলিশের এসআই আব্দুর রহিম তাদের কাছে ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আব্দুর রহিম ভারতীয় ইমিগ্রেশনে কল করে তাদের পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে দেন। পরে তারা আগরতলায় পৌঁছলে সেখানকার ইমিগ্রেশন তাদের জানায়, আগে থেকেই তাদের তথ্য পাঠানো হয়েছে, তাই তাদের এন্ট্রি রিফিউজ করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।


তিনি আরও জানান, আখাউড়া ইমিগ্রেশনে ফিরে আসার পর আব্দুর রহিম তাদের গালাগাল করেন এবং পুনরায় মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। শেষে ৫ হাজার টাকা দিয়ে তারা ছাড়া পান।

তবে এসআই আব্দুর রহিমের সঙ্গে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া এবং গালাগাল করার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

ঢাকা কাস্টমস হাউজ কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত এক যাত্রীকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে আখাউড়া ইমিগ্রেশন পার করিয়ে দেন দেলোয়ার। অভিযোগ রয়েছে, তিনি উপপরিদর্শক হাবিবের আইডি ব্যবহার করে ওই যাত্রীর পাসপোর্টে সিল দেন। পরে বেনাপোলে তিনি ধরা পড়লে বিষয়টি ঢাকার স্পেশাল ব্রাঞ্চ পর্যন্ত পৌঁছায়।

আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার ঘুসসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আগে কী হয়েছে তা আমি জানি না। তবে আমি যোগদানের পর থেকে সবকিছু নিয়ম অনুযায়ী হচ্ছে। কোনো যাত্রী হয়রানির শিকার হচ্ছেন না।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক বলেন, যাত্রী হয়রানি ও ঘুস নেওয়ার এ রকম অভিযোগের বিষয়টি আমার জানা নেই। ঘুস-বাণিজ্যের অভিযোগ অনুসন্ধান করে পাওয়া গেলে দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।