শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আমতলী ইউপি চেয়ারম্যানকে তুলে নেয়ার চেষ্টা, ককটেল বিস্ফোরণে আহত ১০

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা প্রতিনিধিঃ আমতলী উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিঠু মৃধাকে ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি ইউপি সদস্য মোঃ ফিরোজ খাঁন তাপসের নেতৃত্বে অর্ধ শতাধিক সদস্য জোরপুর্বক তুলে নেয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তারা দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে ইউপি সদস্য সোহেল খাঁনসহ ১০ জন আহত হয়েছে। খবর পেয়ে নৌবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ জুলাই ২০২৫, ১৮:২৫

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা প্রতিনিধিঃ

আমতলী উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিঠু মৃধাকে ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি ইউপি সদস্য মোঃ ফিরোজ খাঁন তাপসের নেতৃত্বে অর্ধ শতাধিক সদস্য জোরপুর্বক তুলে নেয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তারা দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।

এতে ইউপি সদস্য সোহেল খাঁনসহ ১০ জন আহত হয়েছে। খবর পেয়ে নৌবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তারা যুবদল সভাপতি ইউপি সদস্য ফিরোজ খাঁন তাপস ও রাসেল আকন নামের দুইজনকে আটক করেছে। ঘটনা ঘটেছে রবিবার বেলা ১১ টার দিকে খুরিয়ার খেয়াঘাট আমতলী সদর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে।

জানাগেছে, আমতলী উপজেলার আমতলী সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিঠু মৃধাকে গত ১৬ জুন ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে প্রবেশে বাঁধা দেয় আমতলী সদর ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি ফিরোজ খাঁন তাপস।

ওই সময়ে তিনি ( চেয়ারম্যান) আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দেন। কিন্তু উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোন ব্যবস্থা নেয়নি এমন অভিযোগ চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম মিঠা মৃধা।

এ ঘটনার তিন দিন পরে অর্থ্যাৎ ১৯ জুন উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে শ্যামলের চায়ের দোকানে চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করে যুবদল সভাপতি ইউপি সদস্য ফিরোজ খাঁন ২০-২৫ জন সন্ত্রাসী নিয়ে পুলিশে দেয়ার হুমকি দিয়ে জোরপুর্বক ২১ দিনের একটি দায়িত্বপত্রে স্বাক্ষর নেই।

গত বৃহস্পতিবার ইউপি সদস্য ফিরোজ খাঁনে ২১ দিনের দায়িত্ব শেষ হয়। রবিবার সকাল ১০ টার দিকে চেয়ারম্যান মিঠু খুরিয়ার খেয়াঘাট ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে যান এবং সেবা কার্যক্রম শুরু করেন।

ওই সময় যুবদল সভাপতি তাপস খাঁনের নেতৃত্বে অর্ধ শতাধিক সন্ত্রাসী নিয়ে চেয়ারম্যানকে জোরপুর্বক টেনে হেঁচরে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় সেবা নিতে আসা অর্ধ-শতাধিক নারী ও পুরুষ মানবপ্রাচীর তৈরি করে তাকে আটকে রাখে।

এতে আরেক ইউপি সদস্য সোহেল খাঁন প্রতিবাদ করতে তাকে তাপসের লোকজন মারধর করে। ওই সময় তাপসের লোকজন দুইটি ককটেল বিষ্ফোরণ ঘটনায়। এ সময় পরিষদ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে ১০ জন আহত হয়।

এদের মধ্যে সোহেল খাঁন (৩৫), রাহাত মোল্লা (২৫), সজিব (২০), সাব্বির (২২), আল আমিন (২৮) ও কামরুল (৩৫) আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।

ওই হাসপাতালের চিকিৎসক তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ইউপি সদস্য সোহেল খাঁন ও রাহাত মোল্লাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রবিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করেছেন। অপর আহতদের আমতলী হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

খবর পেয়ে নৌ-বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওইদিন বিকেলে আমতলী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) তারেক হাসান ও সহকারী পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম মাসুদ ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন বলেন, ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি ইউপি সদস্য ফিরোজ খাঁন তাপসের নেতৃত্বে অর্ধ শতাধিক যুবদল, ছাত্রদল ও শ্রমিকদল নেতাকর্মী এসে ইউপি চেয়ারম্যানকে পরিষদ থেকে হেনে হেচরে তুলে নিয়ে যেতে চেষ্টা করে।

এতে বাঁধা দিলে আরেক ইউপি সদস্য সোহেল খাঁনকে তারা মারধর করে। ওই সময় তারা দুইটি ককটেল বিষ্ফোরণ ঘটনায়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ জাহিদুল ইসলাম মিঠু মৃধা বলেন, ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি ইউপি সদস্য ফিরোজ খাঁন তাপস তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে গত ১৯ জুন আমাকে অবরুদ্ধ করে জোরপুর্বক ২১ দিনের একটি দায়িত্বপত্রে স্বাক্ষর নেয়।

রবিবার আমি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এসে কার্যক্রম শুরু করলে তাপস তার অর্ধ শতাধিক সন্ত্রাসী বাহিনী আমাকে তুলে নিতে চেষ্টা করে। পরে সেবা নিতে আসা নারী ও পুরুষরা মানবঢাল তৈরি করে আমাকে রক্ষা করেন।

নইলে ওরা আমাকে তুলে নিয়ে মেরে ফেলতো। তিনি আরো বলেন, এ সময় তাপস ও তার লোকজন দুটি ককটেল বিষ্ফোরণ ঘটনায়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ লুনা বিনতে হক বলেন, আহত দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর আহতদের যথাযথ চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।  

আমতলী থানায় ওসি মোঃ আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, নৌবাহিনীর লোকজন দুইজনকে আটক করেছে। তাদেরকে তারা থানায় সোপর্দ করেছে। অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সহকারী পুলিশ সুপার (আমতলী-তালতলী) সার্কেল মোঃ তারিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছি। ওই স্থানে দুইটি ককটেল বিষ্ফোরনের ঘটনা শুনেছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আমতলী সহকারী কমিশনার (ভুমি) তারেক হাসান বলেন, নৌবাহিনী দুইজনকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।