বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

রেল স্টেশনে ওয়াসফিটে ঘাস এবং আগাছার উপরে পুনরায় চলছে ঢালাই কাজ,

জরাজীর্ণ অবস্থায় দীর্ঘদিনের পড়ে থাকা মরিচা যুক্ত রড ও আগাছার উপর দিয়ে চিলাহাটি রেলস্টেশনের নবনির্মিত ওয়াশ ফিটের ঢালাইয়ের কাজ চলছে। প্রায় সাত মাস পূর্বে ঢালাই দেওয়ার জন্য রড বিছানো শেষ হলেও ঠিকাদারের লোকজন সাত মাস থেকে বেতন না পাওয়ায় কাজ বন্ধ রাখায় ঘাস জঙ্গল জন্মে আগাছা যুক্ত সহ রড গুলি ছিন্নভিন্ন হয়ে মরিচা অবস্থায় পড়ে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৫ জুন ২০২৫, ২১:১৫

জরাজীর্ণ অবস্থায় দীর্ঘদিনের পড়ে থাকা মরিচা যুক্ত রড ও আগাছার উপর দিয়ে চিলাহাটি রেলস্টেশনের নবনির্মিত ওয়াশ ফিটের ঢালাইয়ের কাজ চলছে।

প্রায় সাত মাস পূর্বে ঢালাই দেওয়ার জন্য রড বিছানো শেষ হলেও ঠিকাদারের লোকজন সাত মাস থেকে বেতন না পাওয়ায় কাজ বন্ধ রাখায় ঘাস জঙ্গল জন্মে আগাছা যুক্ত সহ রড গুলি ছিন্নভিন্ন হয়ে মরিচা অবস্থায় পড়ে আছে।

ওই অবস্থায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম ভাঙিয়ে সোহেল নামে এক ব্যক্তিকে দিয়ে অভিনব কায়দায় নির্মাণ কাজ শেষ করা হচ্ছে ।

গোপন সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহিম নিজেই ঠিকাদার সেজে তার বিশ্বস্ত ব্যক্তি সোহেলকে দিয়ে ওয়াস ফিডের পড়ে থাকা অসমাপ্ত কাজ ঈদুল আযহার ছুটি চলাকালীন সময় ধামাচাপা দিয়ে তড়িঘড়ি নির্মাণ কাজ শেষ করে।

তবে প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহিম অস্বীকার করে বলেন, চিলাহাটি রেলওয়ে কাজের জন্য ম্যাক্স ও ক্যাশেন নামে দুইটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ কাজ করে আসছে।

জানা গেছে, নীলফামারীর চিলাহাটি আধুনিকরন রেলস্টেশনে ৪০০ মিটার দৈর্ঘ্য ওয়াসফিট নির্মাণ কাজের জন্য ২১ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ক্যাসেল কোম্পানি জানুয়ারি ২০২৩ সালে নির্মাণ কাজ শুরু করেন।

কাজের সময় প্রথমে ১ বছর পরবর্তীতে বৃদ্ধি করে ২ বছর সময় বৃদ্ধি করা হয়। এরই মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন থেকে তাদের কাজের বিল রেলওয়ে না দেওয়ায় তারা তাদের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সাত মাস থেকে দিতে পারেনি। 

বেতন ভাতা না পেয়ে কর্মচারীরা পরিবার পরিজন নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। নিরুপায় হয়ে কর্মচারীরা বেতন ভাতার দাবিতে কোম্পানির কাছে ক্ষোভ বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে। তারই অংশ হিসাবে গত সাত মাস থেকে চিলাহাটি ওয়াসফিটের অসমাপ্ত কাজ পরে থাকে।

অপর একটি সূত্র জানান, সেই অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে রেলওয়ের প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহিম তার এক অনুগত সোহেল নামে এক ব্যক্তিকে দিয়ে ঝাড় জঙ্গলের উপর মরিচা যুক্ত জোড়াজিন্ন রড দিয়ে ঢালাইয়ের কাজ শেষ করে।

চিলাহাটি রেলস্টেশনে প্রকল্পের কাজ শুরু থেকে প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহিম স্টেশনের কাজ দেখতে আসলে তার সাথে প্রায় সময় সোহেল নামে ওই ব্যক্তিকে দেখা যেত।

সেই সোহেল এখন ক্যাসেল কোম্পানি অসমাপ্ত কাজ শেষ করছে। সোহেলের পিছনে পর্দার আড়ালে কে আছে তানিয়ে এলাকায় নানান জল্পনা কল্পনা চলছে।

প্রায় সাত মাস থেকে নির্মাণ কাজ বন্ধ রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ক্যাচেল। নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকলেও রেলওয়ের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তারা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে আসছে। সঠিক তদারকির অভাবে শুরু থেকে ঠিকাদার গা ছেড়ে দিয়ে নামকাওয়াস্তে নির্মাণ কাজ করে আসছে।

ওয়াচ ফিট কাজ শুরুর পর দুই দুইবার চিলাহাটি রেলস্টেশনে জিআইবিআর পরিদর্শন করে গেছেন। তিনি পরিদর্শন কালে স্থানীয়রা নবনির্মিত আইকনিকভবনের ফাটল, ওয়াসফিটের পিলারের ফাটলের ভিডিও চিত্র তুলে ধরার পরও অদ্যবধি কোন প্রতিকার মেলেনি।

অপরদিকে ইতিপূর্ বিভিন্ন পত্রিকায় চিলাহাটি নবনির্মিত আইকনিক ভবনের ফাটল, ফাটল স্থানে টাইলস পরিবর্তন করে ধামাচাপা

ও ওয়াসফিটের পিলারের ফাটল সহ নিম্নমানের কাজের চিত্র তুলে ধরে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসেনি। ফলে একের পর এক নির্মাণ কাজ বেপরোয়া ভাবে চলে আসছে।

ক্যাসেল কোম্পানির প্রকল্প ম্যানেজার সালেমান হোসেন বলেন, কোম্পানি সাত মাস থেকে আমাদের বেতন ভাতা বন্ধ রাখায় আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে অতি কষ্টে জীবন যাপন কাটাচ্ছি। এজন্য আমরা দীর্ঘ সাত মাস থেকে কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছি।

২৫ জুন বুধবার পুনরায় কাজ তদারকি করতে গেলে দেখা যায়- ওয়াসফিটের একটি ঢালাই কাজ আবারও ঘাসের উপরেই দেওয়া হচ্ছে।

এবং অত্যন্ত নিম্নমানের কাজ চলতেছিল।এ ব্যাপারে কাজের সাথে জড়িত কর্মচারীর সাথে কথা বললে তিনি জানান পলিথিন আনতে বলছি না আনার কারণে এই এভাবে ঢালাই কাজ করছি।

এ ব্যাপারে প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহিম বলেন, অসমাপ্ত কাজ গুলি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শেষ করছে। দীর্ঘদিন পরে থাকায় আগাছা গুলি পরিষ্কার করে ঢালাইয়ের কাজ চলছে। সেখানে দেখাশোনার জন্য আমার লোক রয়েছে। যদি কোন ভিডিও প্রমাণ থাকে তাহলে প্রয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে স্থানীয় সাংবাদিকরা বেশ কয়েকবার ভিডিও প্রমাণসহ নিউজ করার পরও কোন প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এভাবেই কি জোড়া তালি দিয়ে ভুলভাল বুঝিয়ে শেষ হবে চিলাহাটি রেলস্টেশনের ওয়াসফিটের এর কাজ?

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।