বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সিরাজগঞ্জে বাসের হেলপার থেকে কোটি টাকার মালিক ইউপি চেয়ারম্যান

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউপির আওয়ামী লীগ মনোনীত দুই বারের চেয়ারম্যান নবীদুল ইসলাম। ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। দলের প্রভাব বিস্তার করে অল্প সময়ের ব্যবধানে ছিটকে চোর থেকে কিভাবে বিলাসবহুল বাড়ি-গাড়ি, প্রভাব-পতিপত্তি, কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন তিনি। এমনটাই জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তার সেই সাম্রাজ্য এখন দখলে নিয়েছে প্রতিপক্ষরা। জানা যায়, কিশোর বয়সেই নিষিদ্ধ চরমপন্থি […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ নভেম্বর ২০২৪, ১৯:১৫

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউপির আওয়ামী লীগ মনোনীত দুই বারের চেয়ারম্যান নবীদুল ইসলাম। ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। দলের প্রভাব বিস্তার করে অল্প সময়ের ব্যবধানে ছিটকে চোর থেকে কিভাবে বিলাসবহুল বাড়ি-গাড়ি, প্রভাব-পতিপত্তি, কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন তিনি। এমনটাই জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

তার সেই সাম্রাজ্য এখন দখলে নিয়েছে প্রতিপক্ষরা।

জানা যায়, কিশোর বয়সেই নিষিদ্ধ চরমপন্থি দলের সঙ্গে দরিদ্র নবীদুলের সখ্যতা গড়ে উঠে। ১৯৯৮ সালে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের আহ্বানে অন্ধকার জগৎ ছেড়ে তার পুরো বাহিনী নিয়ে নবীদুলও ভালো হওয়ার পণ করে। পরবর্তীতে ২০০১ সালে সয়দাবাদ ইউপির চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা বেলাল হোসেন খুন হন।

নবীদুল ছিলেন ওই খুনের মামলার প্রধান আসামি। কিন্তু সাক্ষ্য প্রমাণের অভাবে সকল আসামি ওই মামলা থেকে খালাস পান। পরে ২০০৪ সালে বিএনপি সমর্থক নবীদুল যোগ দেন আওয়ামী লীগে। পদ পান ওয়ার্ড যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের। সেই সঙ্গে চালিয়ে যেতেন ছিটকে চুরি ও ছোটখাটো অপরাধ।

এলাকাবাসী জানান, ২০০৭ সাল পর্যন্ত সে বাসে হেলপারি করেছে। ভেতরে ভেতরে নিজের অবস্থান শক্ত করতে থাকেন নবীদুল। ২০১০ সালে সয়দাবাদের মূলিবাড়িতে খালেদা জিয়ার জনসভাস্থলে ট্রেন পোড়ানোর ঘটনার পর নবীদুলের ভাগ্য খুলতে থাকে। এ ঘটনাকে পুঁজি করে মামলা থেকে বাঁচাতে এবং মামলায় ফাঁসাতে বিএনপি সমর্থিত কারিগর ও প্রামানিক সম্প্রদায়ের তালিকা করে বিশাল অর্থ বাণিজ্য করেছেন নবীদুল।

সেই সঙ্গে চালিয়ে যেতেন ছিটকে চুরি ও ছোটখাটো অপরাধ।

এলাকাবাসী জানান, ২০০৭ সাল পর্যন্ত সে বাসে হেলপারি করেছে। ভেতরে ভেতরে নিজের অবস্থান শক্ত করতে থাকেন নবীদুল। ২০১০ সালে সয়দাবাদের মূলিবাড়িতে খালেদা জিয়ার জনসভাস্থলে ট্রেন পোড়ানোর ঘটনার পর নবীদুলের ভাগ্য খুলতে থাকে। এ ঘটনাকে পুঁজি করে মামলা থেকে বাঁচাতে এবং মামলায় ফাঁসাতে বিএনপি সমর্থিত কারিগর ও প্রামানিক সম্প্রদায়ের তালিকা করে বিশাল অর্থ বাণিজ্য করেছেন নবীদুল।

অভিযোগ রয়েছে, পূর্বমোহনপুর চর থেকে অবৈধভাবে বালু বিক্রির কমিশন নিতেন তিনি। এছাড়াও পঞ্চসোনা ও গাছাবাড়ির বালুমহালও চলতো তার ইশারায়। বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষের জায়গায় মহাসড়কের মুলবাড়ির এলাকায় তার নেতৃত্বে অবৈধভাবে গড়ে তোলা হয়েছিল ট্রাক লোড-আনলোড পয়েন্ট। এছাড়া আড়ারে চালাতেন মাদকের ব্যবসা। ২০১৫ সালে সদর থানা আওয়ামী লীগের ক্রীড়া সম্পাদক বাঔতারার সাইফুল ইসলাম খুন হয়।

সে মামলা থেকে বাঁচাতে বিএনপির প্রভাবশালী নেতাদের কাছ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন নবীদুল। একই বছরে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ পান তিনি। এ অবস্থায় ২০১৬ সালে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন নবীদুল। ২০১৮ সালে আবারও সাধারণ সম্পাদক হন তিনি।

সিরাজগঞ্জ-২ আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট কে. এম হোসেন আলী হাসানের আস্থাভাজন ছিলেন তিনি। এসব পোষ্ট-পদবি ও প্রভাব খাটিয়ে নবীদুল ২০টি ট্রাক কিনেছিলেন। প্রায় ৪০ লাখ টাকায় কেনা মাইক্রোবাসে ঘোরাফেরা করতেন। বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিমপাড়ের নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের শ্রমিক নিয়োগ, প্রতিষ্ঠানটির পুরাতন মালামাল ক্রয়-বিক্রয়ের টেন্ডার, শিল্পপার্ক ও ইকোনমিক জোনে মাটি ভরাটসহ এলাকার সকল ঠিকাদারি কাজই ছিল তারই নিয়ন্ত্রণে। এলাকায় অন্য কেউ ব্যবসা করতে চাইলে নবীদুলকে কমিশন দিতে হতো, নয়তো অংশীদার বানাতে হতো। মহাসড়কের পাশে মূলিবাড়ি এলাকায় ক্রয়কৃত সাড়ে ৪ শতক জায়গায় নির্মাণ করেছেন বিলাসবহুল ৫ তলা ভবন। পৈত্রিক ভিটায় রয়েছে ২ তলা বিশিষ্ট আরেকটি ভবন। নিজ গ্রাম মুলিবাড়ি, পূর্ব মোহনপুর, পঞ্চসোনা, জগতলা এলাকায় বেশ কিছু কৃষি-অকৃষি জমি থাকার কথা জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

২০২০ সালে তার অনিয়ম দুর্নীতি নিয়ে একাধিক গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে অনুসন্ধানে দুদকও সেই সময় তৎপর হয়। কিন্তু অদৃশ্য ইশারায় ধরা ছোঁয়ার বাইরেই থেকে যান নবীদুল। দলের ভেতরে বাইরে ব্যাপক সমালোচনা থাকার পরও ২০২১ সালে ইউপি নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্ধীতায় আবারও চেয়ারম্যান হন। শোনা যায় দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এস. এম কামালের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকার কারণেই মনোনয়ন বাগিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিলেন তিনি।

নবীদুল তার এলাকায় কোনো বিরোধীমত সহ্য করতে পারতেন না। তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু বিএনপি নেতাকর্মীকে মারধর এবং হত্যার অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, নিজ দলে তার মতের বিরোধীদের ওপরও চলতো অমানসিক নির্যাতন। যুবদল নেতা আকবর আলীকে গুলি করে হত্যা, বিএনপি নেতা শহীদকে মারধর, আওয়ামী লীগ নেতা হাজী মজনু ও মৎস্যজীবী লীগ নেতা মোয়াজ্জেমের ওপর একাধিকবার হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

গত ২ অক্টোবর এক স্মরণ সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু অভিযোগ করে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর সয়দাবাদ ও বাঔতারায় জাহাঙ্গির, বাবলু ও জবান নামের বিএনপির ৩ কর্মীকে মিথ্যা অভিযোগে ক্রসফায়ারের নামে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। নবীদুল চেয়ারম্যান নিজে গুলি করে যুবদল নেতা আকবর আলীকে হত্যা করেছে। গত ১৬টি বছর এ অঞ্চলের মানুষের ওপর নির্যাতনের স্টিম রোলার চালানো হয়েছিল।

এই এলাকায় বিএনপিকে কোনো মিছিল-মিটিং করতে দেওয়া হয়নি। এই নবীদুল আমাকে ও আমার স্ত্রী সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রুমানা মাহমুদকে হত্যা করার জন্য একাধিকবার আমাদের ওপর হামলা করেছিল। একজন ইউপি চেয়ারম্যান দলের ছত্রছায়ায় অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। গড়েছেন বিপুল পরিমাণ সম্পদ। নানা অপরাধ ও অপকর্মের কারণে সে এখন পলাতক। অপরাধী ও তার সহযোগীদের বিচার আগামীতে অবশ্যই হবে। এ অঞ্চলের নির্যাতিত মানুষ কাউকে ক্ষমা করবে না।’

গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর নবীদুল আত্মগোপনে চলে যান। তার দুইটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। লুট করা হয়েছে খামারের গরু। তার নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যবসা বাণিজ্যসহ সকল কিছু এখন বিএনপির নেতাকর্মী ও প্রতিপক্ষরা দখলে নিয়েছেন। গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সিরাজগঞ্জ শহরে যুবদল ও ছাত্রদলের তিন নেতাকর্মী নিহতের মামলায় সাবেক এমপি ও আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে নবীদুলকেও আসামি করা হয়েছে। সবাই এখন আত্মগোপনে রয়েছেন। যে কারণে তাদের কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।