বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

এনআইডি ভুলে গাংনীর এক রাজমিস্ত্রির জীবন বরবাদ !

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুর প্রতিনিধিঃ জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) বয়স বেশি করা হয়েছে প্রায় ২০ বছর। এতে কাজের খোঁজে বিদেশ যাওয়াসহ দাপ্তরিক অনেক কাজেই আটকে যাচ্ছেন আজাবুল ইসলাম। দীর্ঘদিন বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেও কোন সুরাহা পাননি তিনি। বয়স সংশোধনের বিষয়টিও আটকে দিয়েছে নির্বাচন অফিস। এতে রাজমিস্ত্রি আজাবুলের জীবন বরবাদ হতে চলেছে। এমন অভিযোগ করে প্রতিকার চেয়ে সরকারের […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৭ এপ্রিল ২০২৫, ১০:৫৫

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুর প্রতিনিধিঃ

জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) বয়স বেশি করা হয়েছে প্রায় ২০ বছর। এতে কাজের খোঁজে বিদেশ যাওয়াসহ দাপ্তরিক অনেক কাজেই আটকে যাচ্ছেন আজাবুল ইসলাম। দীর্ঘদিন বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেও কোন সুরাহা পাননি তিনি। বয়স সংশোধনের বিষয়টিও আটকে দিয়েছে নির্বাচন অফিস।

এতে রাজমিস্ত্রি আজাবুলের জীবন বরবাদ হতে চলেছে। এমন অভিযোগ করে প্রতিকার চেয়ে সরকারের উচ্চমহলের সহযোগিতা চেয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।

 বলছিলাম মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার শালদহ গ্রামের রাজমিস্ত্রি আজাবুলের কথা। আজাবুল শালদহ গ্রামের আঃ বারির ছেলে।

জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য সংগ্রহকৃত তথ্য সুত্রে জানা গেছে, ২২/০৪/২০০৮ তারিখে এনআইডি কার্ডের জন্য আজাবুলের তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন সংশ্লিষ্ঠ ব্যক্তি। যিনি তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন তিনি হয়তো মনগড়া একটি জন্ম তারিখ বসিয়ে দিয়েছেন।

কারণ আজাবুলের কোন প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেট নেই এবং তখন জন্ম নিবন্ধন সনদের প্রচলনও ছিল না। তখন আজাবুলের জন্ম তারিখ লেখা হয় ২২/১০/১৯৭৩।

তবে তথ্য সংগ্রকারী আজাবুলের মা, বড় ভাই কিংবা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বয়সের সাথে তার বয়সের পার্থক্যের বিষয়টি খেয়াল করেননি।

 জানা গেছে, একই সময়ে করা এনআইডি কার্ডের জন্য আজাবুলের মা জাহেদা খাতুনের জন্ম তারিখ ২৭/০৩/১৯৬৪, বাবা আঃ বারির ০৫/০৬/১৯৪৫, বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলমের ১৯/০৭/১৯৮৫, ছোট বোন সাবানা খাতুন ১২/০৬/১৯৯২ লিখেছেন।

মা, বড় ভাই ও ছোট বোনের বয়সের বিষয়টি লক্ষ্য করলেই দেখা যায় যে আজাবুলের বয়স প্রায় ২০ বছর বাড়িয়ে লেখা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলমের চেয়ে মো ঃ আজাবুল ৫ বছরের ছোট এবং বোন সাবানা খাতুনের চেয়ে ২ বছরের বড়।

অথচ বিদ্যমান জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী বড় ভাইয়ের চেয়ে আজাবুল ১২ বছরের বড় এবং মা জাহেদা খাতুনের চেয়ে ১১ বছরের ছোট। এই দুটি বয়সের পার্থক্য পর্যালোচনা করলেই বোঝা যায় আজাবুলের বয়স কতটা বাড়িয়ে বিপাকে ফেলা হয়েছে।

 আজাবুল জানান, তিনি বিদেশ যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলেন। এসময় তিনি জানতে পারেন যে তার এনআইডি কার্ডের জন্ম তারিখ অনুযায়ী তার বয়স ৫২ বছর। এ বয়সে শ্রমিক হিসেবে কোন দেশই তাকে অনুমতি দেবে না।

তখন থেকেই মূলত তার বয়স বৃদ্ধির বিষয়টি সামনে আসে। এনআইডিতে উল্লেখিত বয়স কোন কাজে না লাগায় এতদিন বিষয়টি তার অগোচরেই ছিল। এখন সংশোধন না হওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন আজাবুল। 

 আজাবুলের আবেদনের বিষয়ে জানা গেছে, বর্তমানে আবেদনটি খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তার তদন্তে রয়েছে। যেখানে কাগজপত্র নিয়ে আজাবুলের মত মানুষের যাওয়াটাও কঠিন কাজ।

তাই আজাবুলের পরিবারের অন্যান্যদের বয়সের বিষয়টি পর্যালোচনা করে কর্তৃপক্ষ তার সঠিক বয়স নির্ধারণ করে এনআইডি সংশোধন করে দিবেন এমনটি প্রত্যাশা ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের।

 জানতে চাইলে মেহেরপুর জেলা নির্বাচন অফিসার ওয়ালিল্লাহ বলেন, নিয়ম অনুযায়ী আজাবুলের আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্ব বিভাগীয় কর্মকর্তার উপরে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন অফিসের কোন এখতিয়ার নেই।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।