বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

টাঙ্গাইলে অবৈধ করাত কলের মাধ্যমে উজার হচ্ছে শাল গজারির বন

আব্দুল্লাহ আল মামুন ,টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলে সংরক্ষিত শাল গজারি ও সামাজিক বনায়ন ঘেষা অবৈধ করাত কল স্থাপন করা হয়েছে।এছাড়াও বন কর্মকর্তাদের কার্যালয়ের ১০০ গজের মধ্যেও করাত কল রয়েছে। অবৈধ করাতকলগুলো দেদারছে বনের কাঠ চেরাই করছে। এতে ধ্বংস হচ্ছে সংরক্ষিত সামাজিক বনায়ন।  জেলায় ৪৭৬টি অবৈধ করাত কল,১৬৩ টি বৈধ এবং বৈধ লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছে ৮টি। এছাড়া […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৬ এপ্রিল ২০২৫, ২০:৪৬

আব্দুল্লাহ আল মামুন ,টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলে সংরক্ষিত শাল গজারি ও সামাজিক বনায়ন ঘেষা অবৈধ করাত কল স্থাপন করা হয়েছে।এছাড়াও বন কর্মকর্তাদের কার্যালয়ের ১০০ গজের মধ্যেও করাত কল রয়েছে। অবৈধ করাতকলগুলো দেদারছে বনের কাঠ চেরাই করছে। এতে ধ্বংস হচ্ছে সংরক্ষিত সামাজিক বনায়ন। 

জেলায় ৪৭৬টি অবৈধ করাত কল,১৬৩ টি বৈধ এবং বৈধ লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেছে ৮টি। এছাড়া ৪৭০ টি অবৈধ করাত কল উচ্ছেদ করার জন্য প্রস্তাব রয়েছে জেলা প্রশাসনে। 

টাঙ্গাইলের বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলায় ৫৮টি, কালিহাতী ৬৪, ঘাটাইল ৪৫, ভুয়াপুর ৪৫, মধুপুর ১৮, গোপালপুর ২৯, ধনবাড়ি ২৩, সখিপুর ১৭, বাসাইল ২৬, নাগরপুর ৪০, দেলদুয়ার ৩২ ও মিজাপুরে ৭৩টি অবৈধ করাত কল রয়েছে। 

এছাড়া বৈধ করাত কল রয়েছে সদর উপজেলায় ১১টি,কালিহাতীতে ৮, ঘাটাইল ১০,ভুয়াপুর ০১, মধুপুর ১৮, গোপালপুর ১১,ধনবাড়ি ২২, সখিপুর ৫৭,বাসাইল ৬, নাগরপুর ১২, দেলদুয়ার ৬ এবং মিজাপুরে ১টি রয়েছে । 

জানা যায় করাত কলের বিধিমালায় রয়েছে ২০১২ অনুযায়ী সংরক্ষিত ও রক্ষিত সরকারি যেকোনো ধরনের বনভূমির সীমানা থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটারের মধ্যে যে কোন ধরনের করাকল স্থাপন করা যাবে না 

মধুপুরের আকমাল বলেন যে একবার করাত কল স্থাপন করেছে সেটা বৈধ হোক আর অবৈধ হোক সেই করার কল উচ্ছেদ করা বড়ই হিমশিম খেতে হয়। তিনি আরো বলেন এই বনায়ন অঞ্চলে যে কোন ধরনের স্থাপনা সেটি জমি হোক আর বাগান হোক একবার দখলে নিতে পারলে সেটি তার কাছ থেকে উচ্ছেদ করা বড়ই কষ্ট।

তাই এই বনায়ন অঞ্চলে কোন ধরনের সুবিধা এখানকার বাসিন্দাদের দেওয়া উচিত না। তারা একবার সীমানায় বসতে পারলে সেখান থেকে আর উঠতে চায় না। স্থানীয়রা মনে করেন কলা কৌশলে একবার দখলে যেতে পারলেই আর সেই স্থাপনা ব্যক্তি মালিকানা হয়ে গেল। 

মধুপুরের আলোকদিয়া গ্রামের হাভেল মিয়া বলেন, বন বিভাগের আওতায় আলোকদিয়া, মহিষমারা, অরণখোলা, বেরিবাইধ ও আউসনারা গ্রামে অনেকগুলো করাত কল রয়েছে। সেগুলো জানিনা বৈধ কিনা। তবে বৈধ হলেও কিভাবে এই বনের আওতায় করাত কল স্থাপন করতে পারে। এটি কি প্রশাসনের গাফিলতি বলে মনে হয় না। 

স্থানীয় শফিকুজ্জামান বলেন, অবৈধ করাত কলের মালিকরা বেশিরভাগই কাঠ ব্যবসায়ী হয়ে থাকে ।তাই যারা বনের গাছ চুরি করে তাদের মধ্যে একটা সঙ্গবদ্ধ কাজ করে। তিনি বলেন এই করাত কল বছরের পর বছর বৈধভাবে টাকার বিনিময়ে চলে থাকে।

বনের গাছ নিধনের জন্য করাত কলই যথেষ্ট। তিনি আরো মনে রলেন বন কর্মকর্তারা কঠোর হলে কখনোই অবৈধ করাত কল চালাতে পারেব না। তাছাড়া চুরি করা গাছ সহজেই পাচার করতে পারে না। যদি এ সমস্ত অবৈধ করাত কল না থাকতো। 

সখিপুরের আব্দুল হামিদ বলেন উপজেলায় যতগুলো বরাত কল রয়েছে বেশিরভাগ করাত কল অবৈধ এবং কি এই করাত কলগুলো বিট অফিসের সাথেই স্থাপনা। তাহলে এই করাত কলগুলো কিভাবে স্থাপন করতে পারে সে প্রশ্ন থেকে যায়। তিনি আরো বলেন বৈধ অবৈধ বুঝিনা শুধু বুঝি বনের ঘেষা যে সমস্ত করাত কল রয়েছে সেগুলোর উদ্দেশ্য ভালো না।  

একদিকে স্থানীয়রা বনের গাছ চুরি করে সহজেই চেরাই করতে পারে বলে মনে করেন তিনি। এছাড়া তিনি বলেন বনের গাছ বাঁচাতে হলে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। 

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের বন বিভাগীয় কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহসিন হোসেন বলেন, আমরা সব অবৈধ করাত কল গুলো উচ্ছেদ করার জন্য দ্রুত কাজ করছি। এতে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান চলছে এবং এটি অব্যাহত থাকবে। 

তিনি জানান জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আমাদের উচ্ছেদ অভিযান করতে হয়। বন বিভাগের লোকবল কম থাকায় অনেক কাজই করতেই আমাদের হেমশিম খেতে হয়। 

এছাড়া তিনি আরো বলেন আশা করছি আমাদের জেলা প্রশাসক এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার সহ ভূমি কর্মকর্তাদের সার্বিক সহযোগিতায় আমরা সকল অবৈধ করাত কল গুলো উচ্ছেদ করবো। 

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাবিক) আব্দুল্যাহ আল মামুন বলেন জেলায় যতগুলো অবৈধ করাত কল রয়েছে প্রত্যেকটি করাত কল পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হবে। বিশেষ করে সামাজিক বনায়ন অঞ্চলে যে সমস্ত করাত কল রয়েছে সে সমস্ত করাত কল অতি দ্রুত আইননুগত ব্যবস্থা। তিনি আরো জানান করাত কল উচ্ছেদ অভিযান এটি চলমান প্রক্রিয়া। 

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।