শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

শরীয়তপুর জাজিরা উত্তপ্ত হওয়ার নেপথ্যের কারন

সানজিদ মাহমুদ সুজন, শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি: গতকাল বাংলাদেশের প্রায় সকল মিডিয়া গুলোই শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাশপুর এলাকার বোমাবাজির খবরটি ফলাও করে প্রকাশ করা হয়।এ সময় বোমাবাজির একটি যুদ্ধের মাঠ মনে হয়।এটা দেখেই নরে চরে উঠে বর্তমান সরকারের প্রশাসন।আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে নামে যৌথবাহিনি সহ সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। রাতে ঢাকার শাজাহানপুর এলাকা হতে গ্রেপ্তার হয়,পুলিশ কতৃক […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৭ এপ্রিল ২০২৫, ১৭:০৯

সানজিদ মাহমুদ সুজন, শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি:

গতকাল বাংলাদেশের প্রায় সকল মিডিয়া গুলোই শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাশপুর এলাকার বোমাবাজির খবরটি ফলাও করে প্রকাশ করা হয়।এ সময় বোমাবাজির একটি যুদ্ধের মাঠ মনে হয়।এটা দেখেই নরে চরে উঠে বর্তমান সরকারের প্রশাসন।আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে নামে যৌথবাহিনি সহ সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

রাতে ঢাকার শাজাহানপুর এলাকা হতে গ্রেপ্তার হয়,পুলিশ কতৃক দেওয়া মামলার প্রধান বিলাশপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান, কুদ্দুস ব্যাপারি।বিলাশপুরের বিভিন্ন স্থান হতে আরো ৬ জনকে গ্রেপতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।৮০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞ্যাত আরো ৫০০-১০০০ জনকে আসামি করে নিয়মিত মামলা করেন জাজিরা থানা পুলিশ।

সারাদিন আজো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি ছিল চোখে পরার মতো।

এদের মধ্যে একজন রয়েছে মোটরসাইকেল চালনাকারী, যে মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে, নাম মালেক চৌকিদার।তার পরিবার তাকে নির্দোশ দাবি করে।খবর নিয়ে এর সত্যতাও পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে জাজিরা থানা হতে জানা যায় ডিবি তাকে গ্রেপতার করে থানায় সোপর্দ করে।আর আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এই অভিযান করাহচ্ছে। অপরাধী না হলে জামিনে চলে আসবে।

উপজেলার সকল মানুষের অভিযোগ মুলনা,জয়নগর,বরকান্দি, কুন্ডেরচর,পালেরচর, পূর্ব নাওডোবা, গোপালপুর এলাকায় বংশানুমিক ঐতিহ্য ছিল মারামারির। যা একপর্যায়ে প্রজন্ম পরিবর্ধনে প্রায় সমাপ্তির দিকে।

কিন্তু বিলাশপুর ইউনিয়নে আজ ২৫ বছর যাবৎ নতুন করে কুদ্দুস ব্যাপারি,জলিল মাদবর,সালেক মাদবর,সালাউদ্দিন মাসটার এর কারনে চলছে,যুগ ধরে।এ পর্যন্ত হয়েছে ১০ এর অধিক খুন।বোমা বিস্ফরিত হয়েছে ৬-৭ কোটি টাকার উপরে,মালামাল, ঘরবাড়ি পোড়ানো হয়েছে কয়েক কোটি টাকার।

স্বভাবতই প্রশ্ন উঠে, কিসের জন্য, কোন লাভে করা হচ্ছে এই নৃশংস মারামারি? 

এ ব্যাপারে জাজিরা উপজেলার, উপজেলা নির্বাহি অফিসার কাবেরি রায়ের সাথে কথা বললে, তিনি জানান এলাকার আধিপত্য, দলিয় প্রভাব বিস্তার করে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্যই এই পেশি শক্তির প্রদর্শন।

জাজিরা থানার ওসি দুলাল আকন্দ একি তথ্য জানালেন।

সরোজমিন হতে, সাধরন মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে আরো বেশ কিছু অর্থনৈতিক কারন ও রাজনৈতিক কারন।আমরা সবাই জানি বাংলাদেশের বেশির ভাগ পরিবারের লোক কর্তার আয়ের উপর দিয়েই চলে, যে কারনে গ্রামের লোকগুলো অল্প পরিশ্রমে অর্থ উপার্জনে আগ্রহি।কেবলমাত্র অবৈধ উপায়ে দ্রুত অর্থ উপার্জন সম্ভব।

যে তথ্য জানা গেল অর্থনৈতিক বিষয়ে :

১/এলাকায় একজনের জমি ক্রয় ও বিক্রয় করতে হলে প্রভাবশালীর সহায়তা নিয়ে করতে হয়,এতে একটা লাভ আসে।

২/ নতুন বাড়ি করলে জমি ভরাট করতে, বাড়ি তৈরীতে প্রভাবশালীর সহায়তা লাগে,এতে কাজের সুবিধা।

৩/ মানব পাচারের একটা বিষয় আছে।সহজ ভাষায় বলতে গেলে, অবৈধপথে বিদেশে শ্রমিক প্রেরন।

৪/এলাকার সরকারি নাল ও খাস জমি হতে,রাতের আন্ধকারে মাটি বিক্রি।

৫/নদী হতে কার্টারের মাধ্যমে বালু কেটে বিক্রি।

৬/এলাকায় চাদাবাজি।

৭/মাদক ব্যাবসা নিয়ন্ত্রন।

৮/ টেন্ডারের কাজ পেতে এবং যে কাজ করবে তার থেকে লাভ গ্রহন করতে।

এই সকল কাজ গুলো করতে মূলত এলাকায় পেশিশক্তির দাপট ও ভয়ের সৃষ্টি করতে হয়।আর ভয় পেলেই জনগনকে যা বলবে তা করবে,যাকে ভোট দিতে বলবে তাকে ভোট দিবে।

৫ই আগস্টের আন্দোলনে সরকারের পটভূমি পরিবর্তন হলে, জাজিরায় অফিসগুলোতে রাজনৈতিক শক্তির শূন্যতার সৃষ্টি হয়।মব জাস্টিছ এর ভয়ে সরকারি কর্তারা তটস্থ। এই সুযোগে একটি বিশেষ গোস্টি তাদের প্রভাব বিস্তারে কাজ করছে।

এরাই উপজেলা হতে এগুলো নিয়ন্ত্রন নিতে কাজ করছে।যে কারনে এই সময়ে এসে, আওয়ামিলীগের নেতারা যখন গ্রেপতার নয়তো পলাতক,এতোটা সাহষ এ সময় কেউ দেখাবে না দাবি এলাকার নিরহ মানুষদের। বিশেষ দলের লোকদের নতুনকরে প্রতিটা এলাকায় ব্যাবসা ও সিন্ডিকেট তৈরিতে, ঈদে ঘরমুখো মানুষ যারা এসেছে গ্রামে, তাদের মধ্যে থেকে বিশেষ দলের লোকজন সূকৌশলে টাকা পয়সা ও ক্ষমতার লোভ দেখিয়ে,কাজিয়ারচর,দূর্বা ডাংগা,বিলাশপুর,পালেরচড় এলাকায় মারামারির সূত্রপাত ঘটায় বলে দাবি অনেকের।

এলাকার মানুষ এই ধরনের অপতৎপরতা থেকে মুক্তিপেতে কেবলমাত্র বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযানের উপরি আস্থা রাখছেন।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।