বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

গাংনী বাসস্ট্যান্ড সড়ক এখন গলার কাঁটা

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃ মেহেরপুর- কুষ্টিয়া ফোরলেন সড়কের গাংনী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নির্মান কাজ বন্ধ রয়েছে প্রায় ৬ মাস। সড়কটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় সেটি এখন জনগনের নানা দূর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সড়কের পাশে জেলা পরিষদের জায়গায় একটি দোকানঘর উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে সড়ক বিভাগ ও জেলা পরিষদের মধ্যে চলছে ঠাণ্ডা লড়াই। ফলে নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৯ মার্চ ২০২৫, ১৭:৫৭

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃ

মেহেরপুর- কুষ্টিয়া ফোরলেন সড়কের গাংনী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নির্মান কাজ বন্ধ রয়েছে প্রায় ৬ মাস। সড়কটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় সেটি এখন জনগনের নানা দূর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সড়কের পাশে জেলা পরিষদের জায়গায় একটি দোকানঘর উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে সড়ক বিভাগ ও জেলা পরিষদের মধ্যে চলছে ঠাণ্ডা লড়াই। ফলে নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। যার ফল ভোগ করছেন সাধারন জনগন। তবে সরকারের এ দুটি বিভাগ তাদের দায় নিতে চাইছেন না।

 জানা গেছে, মেহেরপুর কুষ্টিয়া সড়কের গাংনী বাসস্ট্যান্ডে একনেক এর নকশা অনুযায়ী সড়কটি নির্মান কাজ সম্পন্ন করতে প্রথমে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় তৎকালিন মেসার্স মালেক ষ্টোর। তিনি জেলা পরিষদ থেকে লীজ নিয়ে দোকান নির্মান করেন। ঐ জায়গা দখলে রাখতে সড়ক ও জনপথের কর্মকর্তাদের নামে মামলা করে যা পরে ভ্যাকেট করে আদালত। একই সাথে সেটি উচ্ছেদ করা হয়। কিন্তু মালেক স্টোরের পাশেই আরেকটি দোকান উচ্ছেদ করেনি জেলা পরিষদ। ফলে বাস-বেসহ ক্রসিং রোড নির্মাণে জটিলতা দেখা দেয়। দীর্ঘদিন সড়ক নির্মান কাজ বন্ধ হওয়ায় জন দূর্ভোগ যেমন বেড়েছে তেমন সড়কের ঐ জায়গা অবৈধ দখলের চেষ্টাও চলছে।

 গত ১০ মার্চ সন্ধ্যায় ওই জায়গায় দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হামলা মামলার ঘটনাও ঘটে। অবৈধ দখলদার হঠাতে মিছিল সমাবেশও হয়েছে। প্রতিবাদে জানানো হয়, দীর্ঘদিন ধরে ফোর লেন রাস্তাা নির্মান হচ্ছে অথচ গাংনী বাজার বাসস্ট্যান্ড মোড়ে একনেক এর নকশা অনুযায়ি কাজটি বাস্তবায়ন করতে অনেক কালক্ষেপন করেছে। জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে মসজিদের অজুখানা উচ্ছেদ করা হয়েছে বিনা নোটিশে। মালেক স্টোরকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। অথচ কোন অদৃশ্য শক্তি বলে সড়ক বিভাগ ও জেলা পরিষদ সড়ক সংস্কারে বাধা হচ্ছে এমন স্থাপনা উচ্ছেদ করছেন না ? গেল ৬ মাস অতিবাহিত হলেও কোন সুরাহা হয়নি বরং স্থানীয়দের মাঝে আরো ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। সমাবেশে বক্তারা গাংনী বাজারের বর্তমান পরিস্থিতির অবনতির জন্য জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজকে দায়ী করেছেন।

 রাস্তাা নির্মানে বিলম্বের কারণ সম্পর্কে সড়ক জনপথের উপ-সহকারি প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানান, জেলা পরিষদকে বারবার তাদের জায়গার সিমানা নির্ধারন করার অনুরোধ করা হলে তারা একটি চিঠি ইস্যু করে। এবং যেদিন জমি জরিপের দিন ধার্য্য করা হয় ঠিক তার আগে দিন বিকেলে আরেকটি স্মারক চিঠির মাধ্যমে তা বাতিল করা হয়। তাতে কারণ দেখানো হয়, আলোচিত জমির কাগজ পত্র আরো যাচাই বাছাই করে পরবর্তিতে জমির জরিপ করা হবে। সে জরিপ এ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি। এদিকে সড়ক উন্নয়নের কাজ স্থগিত রয়েছে। যার ফলে সরকারি ফাঁকা জায়গা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন লোকজন অবৈধ দখল করার চেষ্টা করছে যার ফলে দাঙ্গা হাঙ্গামার সৃষ্টি হচ্ছে ও আইন শৃংখলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হচ্ছে। সাথে সাথে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হচ্ছে।

 জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ জানান, আলোচিত ঐ জায়গাটি দীর্ঘদিন ধরে জেলা পরিষদ ইজারা দিয়ে আসছে। ঐ জায়গা প্রয়োজন হলে সড়ক জনপথ কর্তৃপক্ষ আবেদন করতে পারে। অথচ তারা আবেদন করেন নাই। এর আগে তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে মালেক স্টোর উচ্ছেদ করা হয়েছে। এদিকে সড়ক জনপথের উপসহকারি প্রকৌশলী মিজানুর রহমানের দাবি, আলোচিত ঐ জায়গাটি সড়ক ও জনপথের। গত ১২ মার্চ বুধবার সড়ক ও জনপথের নির্বাহি প্রকৌশলী (অঃদাঃ) মুহাম্মদ মনজুরুল করিম স্বাক্ষরিত একটি স্মারক চিঠিতে আলোচিত ঐ জায়গায় জটিলতা নিরসনে উপযুক্ত যৌথ প্রতিনিধি প্রেরণের আহবান করা হলেও জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ অদ্যাবধি কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেননি।

 এদিকে ঐ জায়গাটি অবৈধ দখল ও সংঘর্ষের ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজকে দায়ী করলেও তিনি কোন মন্তব্য করেন নি।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।