সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

এক ইউপি চেয়ারম্যানের ৪৯ ব্যাংক একাউন্ট , লেনদেন ১৪,৩৭৬ কোটি টাকা

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের ব্রাহ্মন্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. লাক মিয়ার ব্যাংক লেনদেনে দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্র উদঘাটন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়ার পর দুদক তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করেছে। দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের মতো একটি পদে থেকে লাক […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ মার্চ ২০২৫, ২৩:১৮

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের ব্রাহ্মন্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. লাক মিয়ার ব্যাংক লেনদেনে দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্র উদঘাটন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়ার পর দুদক তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক মামলা দায়ের করেছে।

দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের মতো একটি পদে থেকে লাক মিয়া কীভাবে এত বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করলেন, তা রীতিমতো বিস্ময়কর। তার নামে থাকা ৪৯টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা তার আইনসঙ্গত আয়ের সঙ্গে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে লাক মিয়া অবৈধভাবে ৫৫ কোটি ২৩ লাখ টাকার সম্পদ গড়ে তুলেছেন। তার নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা, অথচ তার বৈধ আয়ের হিসাব মাত্র ৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। তার ব্যাংক হিসাব বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৭ হাজার ১৮৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা জমা করেছেন এবং প্রায় সমপরিমাণ অর্থ উত্তোলন করেছেন, যা সন্দেহজনক লেনদেনের ইঙ্গিত দেয়।

দুদকের মতে, ১৯৯০ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে তিনি এসব অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন, যা কোনোভাবেই তার আইনসঙ্গত আয় বা দায়িত্বের সঙ্গে মিল খায় না। শুধু তিনিই নন, তার স্ত্রী মাহমুদা বেগমের বিরুদ্ধেও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১৪ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে এবং তার নামে পৃথক মামলা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, লাক মিয়ার স্ত্রী মাহমুদা বেগমের নামে থাকা ১৪টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ৪৬১ কোটি ১৭ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ২৩০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা জমা এবং প্রায় একই পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। ২০০৭ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে এই লেনদেন হয়েছে, যা তার বৈধ আয়-ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এদিকে, লাক মিয়ার একজন বেতনভুক্ত কর্মচারী মো. মহসিন মোল্লার ব্যাংক লেনদেন নিয়েও চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে দুদক। মাত্র ১২ হাজার টাকা বেতনের এই কর্মচারীর ১৪টি ব্যাংক হিসাবে ১০ হাজার ৩২২ কোটি ৭৬ লাখ টাকার লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

মহসিন মোল্লা কেবল লাক মিয়ার অধীনে কর্মচারী ছিলেন না, তিনি দুটি প্রতিষ্ঠানের— এনআরবি টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড এবং এম/এস এনআরবি ট্রেডার্স— ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা স্বত্বাধিকারী ছিলেন। তার ব্যাংক হিসাবে দেখা গেছে, ৫ হাজার ১৬১ কোটি ৪২ লাখ টাকা জমা হয়েছে এবং প্রায় সমপরিমাণ অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। এত বিপুল পরিমাণ টাকার উৎস কী, তা খতিয়ে দেখছে দুদক।

দুদক আরও জানিয়েছে, মহসিন মোল্লা এবং তার স্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পদের উৎস ও লেনদেনের বৈধতা যাচাই করতে পৃথক অনুসন্ধান ফাইল খোলা হবে। তদন্তে যদি প্রমাণিত হয় যে তারা দুর্নীতির মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করেছেন, তবে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই অনুসন্ধান এবং মামলার পর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। কীভাবে ইউনিয়ন পরিষদের একজন চেয়ারম্যান ও তার আশপাশের লোকজন হাজার হাজার কোটি টাকা লেনদেন করলেন, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তারকারী লাক মিয়ার বিরুদ্ধে এতদিন প্রশাসনিক কোনো ব্যবস্থা না নেওয়াও অনেকের কাছে বিস্ময়কর।

দুদকের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকে। তারা মনে করছেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে যারা জনগণের সম্পদ লুটপাট করে বিপুল পরিমাণ সম্পদ গড়ে তুলেছে, তাদের শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত। লাক মিয়ার মতো দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় সরকার ও দুদককে আরও সক্রিয় হতে হবে, এমনটাই বলছেন সাধারণ মানুষ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।