রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নির্বাহী অফিসার এর নামে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী

হাফিজুর রহমান, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা তালা উপজেলার ইউএনও শেখ রাসেলের বিরুদ্ধে, কালবেলা অনলাইন পোটল কর্তৃক মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করায়, ফুসে উঠেছে তালা উপজেলার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দসহ উপজেলার জনসাধারণ ৷ ঘটনার বিবরণে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মোঃ আকবর হোসেন বলেন,গত রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় কর্তৃক, পত্রিকায় হাটবাজার ইজারা […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১১:২২

হাফিজুর রহমান, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরা তালা উপজেলার ইউএনও শেখ রাসেলের বিরুদ্ধে, কালবেলা অনলাইন পোটল কর্তৃক মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করায়, ফুসে উঠেছে তালা উপজেলার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দসহ উপজেলার জনসাধারণ ৷

ঘটনার বিবরণে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মোঃ আকবর হোসেন বলেন,গত রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় কর্তৃক, পত্রিকায় হাটবাজার ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য, তালা এবং পাটকেলঘাটার সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দদেরকে ডাকা হয়, সেই প্রেক্ষিতে প্রায় ৩০ জন সাংবাদিকের উপস্থিতিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ রাসেল লটারির মাধ্যমে পত্রিকা নির্বাচন করেন ৷ 

এ সময় তালার কালবেলা পত্রিকার তালা প্রতিনিধি সাংবাদিক এম শাহিনুর রহমান তার পত্রিকায় দেওয়ার জন্য জোর দাবি করেন, কিন্তু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন এটি লটের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে, যার নাম লটারিতে উঠবে সেই পত্রিকা বিজ্ঞাপন যাবে, এ সময় কালবেলা সাংবাদিক কে এম শাহিনুর রহমান তার পত্রিকায় দেওয়ার জন্য ইউএনও সাহেবকে বলেন, তখনো লটারি সংগঠিত হয়নি, তিনি কোন কিছু না বুঝে কালবেলার অফিস কর্তৃক ইউএনও সাহেবের কাছে ফোন করান ৷ এ সময় উপস্থিত সকল সাংবাদিক বিব্রত বোতসহ অসম্মান বোধ করেন, এর ভিতর স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে কয়েকজন প্রতিবাদ করেন ৷

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সকলকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ করেন ৷ বিষয়টি তখনই মিটে যায়, এ সময় উপস্থিত সকল সাংবাদিকের মতামতের ভিত্তিতে অত্যন্ত সুক্ষ সঠিকভাবে লটারি করা হয় ৷ তালা ইউএনও কর্তৃক কালবেলা সাংবাদিককে কোন প্রকার হেনেস্তা করা হয়নি ৷ এ ঘটনায় তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায় স্থানীয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সুশীল সমাজ, সকল সাংবাদিকবৃন্দসহ উপজেলা সকল পর্যায়ের জনগণ কালবেলা অনলাইনে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় নিন্দা প্রতিবাদ জানান ৷

জানা যায়, কালবেলা পত্রিকার সাংবাদিক নামধারী কে এম শাহিনুর রহমান তথাকথিত চরমপন্থী ক্যাডার, ১৯৯০ সালের দিকে তালা উপজেলায় সন্ত্রাসীদের অভয়ারন্য তৈরি হয়। এসময় সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া গ্রামের কে. এম. শাহিনুর রহমান তালায় এসে নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টির ক্যাডার হিসেবে বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজী, ডাকাতি, ঘের দখল,

ছিনতাই সহ নানাবিধ অপরাধে লিপ্ত হয়। বিগত কিছুদিন ধরে সে বর্তমান সরকার ও বৈষম্য বিরোধি আন্দোলনের ছাত্রদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে এলাকার আইন শৃঙ্খলা অস্থিতিশীল করে তোলার চেষ্টা শুরু করেছে। তার বিরুদ্ধে নানাবিধ অভিযোগ অতিষ্ঠতলা উপজেলার মানুষ ৷

এসব বিষয়ে তালায় কর্মরত দৈনিক ইনকিলাবের সাংবাদিক জাহাঙ্গীর হোসেনসহ একাধিক সাংবাদিক জানান, চরমপন্থী ক্যাডার ও পেশাদার চাঁদাবাজ শাহিনুর রহমান নিজ এলাকা থেকে বিতাড়িত হয়ে তালায় এসে কৌশলে সাংবাদিকের সাইন বোর্ড ধারন করে,

নানান অপরাধ ঘটিয়ে এখানকার আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটাচ্ছে। সাংবাদিক পরিচয়ে সে জনপ্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জিম্মি করে বেপরোয়া চাঁদাবাজী, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের গাছ চুরি, নিরিহ ও সম্মানিত মানুষদের অসম্মানিত করে টাকা হাতিয়ে নেয়া সহ নানান অপরাধ করে এখানকার সাংবাদিকদের ভাবমূর্তী ক্ষুন্ন করছে ৷ 

তার অত্যাচারে সাংবাদিক সমাজ এবং সাধারন মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। 

এবিষয়ে তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মীর জাকির হোসেন জানান, কে. এম. শাহীনুর রহমান একজন পেশাদার চাঁদাবাজ, চরমপন্থী দলের ক্যাডার ও প্রতারক। আমাদের রিপোর্টার্স ক্লাবে একসময় সরল বিশ্বাসে তাকে সদস্য করা হয়। পরে তার অপরাধমুলক কাজের বিষয় জানতে পেরে ক্লাব থেকে শাহিনকে স্থায়ী বহিস্কার করা হয়েছিল। বর্তমানে সে তালার অন্য একটি সাংবাদিক সংগঠনের সাথে জড়িত

এ বিষয়ে তালা উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক ও তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান সাঈদ বলেন, তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোহাম্মদ রাসেল অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ, তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ মেনে নেওয়া যায় না, আমি কালবেলার প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি,

এবিষয়ে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক আকবর হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি শামিম খান, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মিঠু সহ তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা বলেন, কালবেলার সাংবাদিক কে. এম. শাহীনের বিরুদ্ধে নানাবিধ অভিযোগ রয়েছে।

নিজ স্বার্থ উদ্ধার করতে না পেরে তালা উপজেলার একজন দক্ষ, সৎ, নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ রাসেল এর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোযাট তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট,  

আমরা উক্ত সংবাদেরর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি ৷

এ বিষয়ে তালা উপজেলা কমপ্লেক্স জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা তাওহিদুর রহমান বলেন, তালা উপজেলার বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মোঃ রাসেল অত্যন্ত ভালো মানুষ, তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠায় আমি খুবই মর্মাহত হয়েছি, ইউএনও সাহেবের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি,

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।

সারাদেশ

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু লামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সাত বছর বয়সী শিশু লামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। মরদেহ গুম করতে ঘাড় থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং শরীরের অন্য অংশও টুকরো করার চেষ্টা চালানো হয় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) মাত্র ৭ ঘণ্টার […]

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু লামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু লামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন

নিউজ ডেস্ক

২০ মে ২০২৬, ১০:১০

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সাত বছর বয়সী শিশু লামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। মরদেহ গুম করতে ঘাড় থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং শরীরের অন্য অংশও টুকরো করার চেষ্টা চালানো হয়

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে পল্লবী থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস এন নজরুল ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য লামিসাকে খুঁজতে থাকেন তার মা। এক পর্যায়ে বাসার দরজার সামনে শিশুটির একটি জুতা পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। সন্দেহ থেকে পাশের ফ্ল্যাটের দরজায় ধাক্কা দিতে থাকেন, কিন্তু দরজা ভেতর থেকে আটকানো ছিল। মায়ের চিৎকারে এলাকাবাসী এসে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে শিশু লামিসার মরদেহ দেখতে পায়। এ সময় মূল আসামি সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়।

এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সম্ভবত বাথরুমে শিশুটির সঙ্গে মূল আসামির অবৈধ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। আলামত সংগ্রহ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) পাঠানো হয়েছে। শিশুটির সঙ্গে আসামির কোনো যৌন ক্রিয়া হয়েছে কি না তা পরবর্তীতে বিস্তারিত জানা যাবে।’

মরদেহ টুকরো করার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘পরবর্তীতে মরদেহ লুকানোর জন্যই সম্ভবত মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। হাত কেটে টুকরো করার চেষ্টাও করা হয়। কিন্তু শিশুটির মা দরজায় ধাক্কাধাক্কি শুরু করলে মূল আসামি জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। পুরো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেননি তিনি।’

প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা, ধর্ষণের কারণে শিশুটির রক্তপাত শুরু হলে তাকে হত্যা করে মরদেহ গুম করার পরিকল্পনা করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।’

গ্রেপ্তার সোহেল রানার চরিত্র সম্পর্কে পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে নাটোরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। তার স্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘তিনি সম্ভবত বিকৃত যৌনরুচিসম্পন্ন একটা লোক। তিনি তার স্ত্রীকেও বিভিন্নভাবে টর্চার করেছেন।’

ঘটনার পর প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের প্তুল্লা থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মিরপুর ১১ নম্বরের মিল্লাত ক্যাম্প সংলগ্ন বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। খবর পেয়ে পল্লবী থানা পুলিশ, সিআইডি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।