শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নির্বাহী অফিসার এর নামে মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী

হাফিজুর রহমান, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা তালা উপজেলার ইউএনও শেখ রাসেলের বিরুদ্ধে, কালবেলা অনলাইন পোটল কর্তৃক মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করায়, ফুসে উঠেছে তালা উপজেলার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দসহ উপজেলার জনসাধারণ ৷ ঘটনার বিবরণে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মোঃ আকবর হোসেন বলেন,গত রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় কর্তৃক, পত্রিকায় হাটবাজার ইজারা […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১১:২২

হাফিজুর রহমান, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :

সাতক্ষীরা তালা উপজেলার ইউএনও শেখ রাসেলের বিরুদ্ধে, কালবেলা অনলাইন পোটল কর্তৃক মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করায়, ফুসে উঠেছে তালা উপজেলার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দসহ উপজেলার জনসাধারণ ৷

ঘটনার বিবরণে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মোঃ আকবর হোসেন বলেন,গত রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় কর্তৃক, পত্রিকায় হাটবাজার ইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য, তালা এবং পাটকেলঘাটার সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দদেরকে ডাকা হয়, সেই প্রেক্ষিতে প্রায় ৩০ জন সাংবাদিকের উপস্থিতিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ রাসেল লটারির মাধ্যমে পত্রিকা নির্বাচন করেন ৷ 

এ সময় তালার কালবেলা পত্রিকার তালা প্রতিনিধি সাংবাদিক এম শাহিনুর রহমান তার পত্রিকায় দেওয়ার জন্য জোর দাবি করেন, কিন্তু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন এটি লটের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে, যার নাম লটারিতে উঠবে সেই পত্রিকা বিজ্ঞাপন যাবে, এ সময় কালবেলা সাংবাদিক কে এম শাহিনুর রহমান তার পত্রিকায় দেওয়ার জন্য ইউএনও সাহেবকে বলেন, তখনো লটারি সংগঠিত হয়নি, তিনি কোন কিছু না বুঝে কালবেলার অফিস কর্তৃক ইউএনও সাহেবের কাছে ফোন করান ৷ এ সময় উপস্থিত সকল সাংবাদিক বিব্রত বোতসহ অসম্মান বোধ করেন, এর ভিতর স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে কয়েকজন প্রতিবাদ করেন ৷

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সকলকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ করেন ৷ বিষয়টি তখনই মিটে যায়, এ সময় উপস্থিত সকল সাংবাদিকের মতামতের ভিত্তিতে অত্যন্ত সুক্ষ সঠিকভাবে লটারি করা হয় ৷ তালা ইউএনও কর্তৃক কালবেলা সাংবাদিককে কোন প্রকার হেনেস্তা করা হয়নি ৷ এ ঘটনায় তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায় স্থানীয় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সুশীল সমাজ, সকল সাংবাদিকবৃন্দসহ উপজেলা সকল পর্যায়ের জনগণ কালবেলা অনলাইনে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ায় নিন্দা প্রতিবাদ জানান ৷

জানা যায়, কালবেলা পত্রিকার সাংবাদিক নামধারী কে এম শাহিনুর রহমান তথাকথিত চরমপন্থী ক্যাডার, ১৯৯০ সালের দিকে তালা উপজেলায় সন্ত্রাসীদের অভয়ারন্য তৈরি হয়। এসময় সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া গ্রামের কে. এম. শাহিনুর রহমান তালায় এসে নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন বিপ্লবী কমিউনিস্ট পার্টির ক্যাডার হিসেবে বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজী, ডাকাতি, ঘের দখল,

ছিনতাই সহ নানাবিধ অপরাধে লিপ্ত হয়। বিগত কিছুদিন ধরে সে বর্তমান সরকার ও বৈষম্য বিরোধি আন্দোলনের ছাত্রদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে এলাকার আইন শৃঙ্খলা অস্থিতিশীল করে তোলার চেষ্টা শুরু করেছে। তার বিরুদ্ধে নানাবিধ অভিযোগ অতিষ্ঠতলা উপজেলার মানুষ ৷

এসব বিষয়ে তালায় কর্মরত দৈনিক ইনকিলাবের সাংবাদিক জাহাঙ্গীর হোসেনসহ একাধিক সাংবাদিক জানান, চরমপন্থী ক্যাডার ও পেশাদার চাঁদাবাজ শাহিনুর রহমান নিজ এলাকা থেকে বিতাড়িত হয়ে তালায় এসে কৌশলে সাংবাদিকের সাইন বোর্ড ধারন করে,

নানান অপরাধ ঘটিয়ে এখানকার আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটাচ্ছে। সাংবাদিক পরিচয়ে সে জনপ্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জিম্মি করে বেপরোয়া চাঁদাবাজী, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের গাছ চুরি, নিরিহ ও সম্মানিত মানুষদের অসম্মানিত করে টাকা হাতিয়ে নেয়া সহ নানান অপরাধ করে এখানকার সাংবাদিকদের ভাবমূর্তী ক্ষুন্ন করছে ৷ 

তার অত্যাচারে সাংবাদিক সমাজ এবং সাধারন মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। 

এবিষয়ে তালা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মীর জাকির হোসেন জানান, কে. এম. শাহীনুর রহমান একজন পেশাদার চাঁদাবাজ, চরমপন্থী দলের ক্যাডার ও প্রতারক। আমাদের রিপোর্টার্স ক্লাবে একসময় সরল বিশ্বাসে তাকে সদস্য করা হয়। পরে তার অপরাধমুলক কাজের বিষয় জানতে পেরে ক্লাব থেকে শাহিনকে স্থায়ী বহিস্কার করা হয়েছিল। বর্তমানে সে তালার অন্য একটি সাংবাদিক সংগঠনের সাথে জড়িত

।

এ বিষয়ে তালা উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক ও তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান সাঈদ বলেন, তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোহাম্মদ রাসেল অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ, তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ মেনে নেওয়া যায় না, আমি কালবেলার প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি,

এবিষয়ে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক আকবর হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি শামিম খান, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মিঠু সহ তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা বলেন, কালবেলার সাংবাদিক কে. এম. শাহীনের বিরুদ্ধে নানাবিধ অভিযোগ রয়েছে।

নিজ স্বার্থ উদ্ধার করতে না পেরে তালা উপজেলার একজন দক্ষ, সৎ, নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ রাসেল এর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোযাট তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট,  

আমরা উক্ত সংবাদেরর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি ৷

এ বিষয়ে তালা উপজেলা কমপ্লেক্স জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা তাওহিদুর রহমান বলেন, তালা উপজেলার বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মোঃ রাসেল অত্যন্ত ভালো মানুষ, তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠায় আমি খুবই মর্মাহত হয়েছি, ইউএনও সাহেবের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি,

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।