শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বাড়ি বাড়ি ঘুরে হারানো দিনের বিয়ের গীত সংরক্ষণ

মেহেদী হাসান মেহের, বাঞ্ছারামপুর, প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের পাড়াতুলি গ্রামে বাড়ি ফেরদৌসী লাকির। সারা জীবন শিক্ষকতা করে সদ্য অবসর নিয়েছেন তিনি। শুধু শিক্ষকতাই নয় সংস্কৃতি প্রতি তার রয়েছে গভীর এক আকর্ষণ। আবৃত্তি, সংগীত থেকে শুরু করে লোকসাহিত্যের চর্চা করেন সব সময়। হারানো সংস্কৃতি রক্ষায়ও রেখে চলছেন অবদান। এক সময়কার হারিয়ে যাওয়া লোক ঐহিত্য বিয়ের গীত খুব […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৯:৫৬

মেহেদী হাসান মেহের, বাঞ্ছারামপুর, প্রতিনিধি :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের পাড়াতুলি গ্রামে বাড়ি ফেরদৌসী লাকির। সারা জীবন শিক্ষকতা করে সদ্য অবসর নিয়েছেন তিনি। শুধু শিক্ষকতাই নয় সংস্কৃতি প্রতি তার রয়েছে গভীর এক আকর্ষণ। আবৃত্তি, সংগীত থেকে শুরু করে লোকসাহিত্যের চর্চা করেন সব সময়। হারানো সংস্কৃতি রক্ষায়ও রেখে চলছেন অবদান। এক সময়কার হারিয়ে যাওয়া লোক ঐহিত্য বিয়ের গীত খুব সযতনে সংরক্ষণ করছেন তিনি।

বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিয়ের গীত সংগ্রহ করেছেন তিনি। লোক মুখে শুনে শুনে লিখে রেখেছেন এই গীত। বয়স্ক মানুষদের কাছ থেকে তুলে এনেছেন হারিয়ে যাওয়া বিয়ের গল্প আর তখনকার সংস্কৃতি।

এসব লোকগাঁথা সংগ্রহে প্রায় হাজার খানেক বাড়িতে ঘুরেছেন লাকি ফেরদৌসী। এমন সব অভিজ্ঞতা আর গীত নিয়ে লিখেছেন বই। এতে স্থান পেয়েছে ৬৮ টি গীত।

সরেজমিনে লাকি ফেরদৌসীর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় গুনগুনিয়ে গাইছেন কিছু একটা। জিজ্ঞাসা করতেই বলে ওঠেন এগুলো বিয়ের গীত। তিনি বলেন, এই গীত তো এক সময় হারিয়ে যাবে। এর রক্ষা করবে কে? এই প্রজন্ম গীত কি জিনিস জানে না। এভাবে চলতে থাকলে আমরা তো শেকড়হীন হয়ে পড়বো। দিশেহারা হয়ে যাবে আমাদের আগামীর সন্তানরা।

বাড়ি বাড়ি ঘুরে কেন এই গীত সংগ্রহ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘একদিন স্কুলে যাওয়ার সময় উচ্চস্বরে গান বাজছিল। সহ্য করার মতো ছিল না। হঠাৎ মনে পড়লো আগেরকার কিছু স্মৃতির কথা। একটা সময় আমরা বিয়ে বাড়িতে গিয়ে মুরুব্বিদের সঙ্গে গীত গাইতাম। সপ্তাহ জুড়ে ছিল নির্মল আনন্দের বন্যা।

সেই উৎসবে কারো কোনো অসুবিধা হতো না। সবার প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ ছিল। তখনই ভাবলাম এই প্রজন্ম আসলে করছেটা কি! তাদেরকে অতীতের সমৃদ্ধ ভাণ্ডার না জানাতে পারলে তো জানবে না। পরদিনই সিন্ধান্ত নিলাম বাড়ি বাড়ি গিয়ে হারিয়ে যাওয়া গীত শুনবো আর লিখে রাখবো যাতে হারিয়ে না যায়।’

হারানো দিনের কথা মনে করিয়ে দিয়ে ফেরদৌসী লাকি জানান আগের দিনের বিয়েতে বর-কনেকে সুন্দর কথামালার সাবলীল সুরের গীতে আশীর্বাদ করা হতো। এখন আকাশ সংস্কৃতির কারণে আড়ালে পড়ে গেছে সেই সুন্দর মুহূর্ত। বিয়ে বাড়িতে উচ্চ শব্দে বাজানো গান এখন অনেকের ক্ষতির কারণ। অসুস্থ মানুষ, বয়স্ক, শিশুরা এই ভোগান্তির শিকার। মানুষের বোধোদয় জরুরি।

তরুণ প্রজন্মকে আগের সেই নির্মল আনন্দে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

লাকি ফেরদৌসী যাদের কাছে এই গীত সংগ্রহ করেছেন প্রতিবেদকের কথা হয় তাদের কয়েকজনের সঙ্গে। এরমধ্যে হাফসাতুন্নেসা নামে একজন বলেন, আগের দিনের বিয়েতে ১৫ দিন আগে থেকেই একটা আমেজে থাকতাম আমরা। গীতের সুরে সবাই বিমোহিত হতো। মা-চাচিরা মিলে একসঙ্গে গীত গাইলে পারস্পরিক বোঝাপড়াও হতো। এখন আর সেই দিন নেই। সবাই যার যার মতো। পড়শিদের অনেকেই জানায় না বিয়ের কথা। হুটহাট বিকট শব্দে বাজা সাউন্ড শুনেই বুঝতে হয় বিয়ে যে হচ্ছে। এতে আমাদের শারীরিক-মানসিক কষ্ট হয়।

হারিয়ে যাওয়া এমন সংস্কৃতি ফিরে পেতে চান অনেকেই। আর তাইতো হারানো দিনের কথায় লাকি ফেরদৌসীর এমন কাজকে স্বাগত জানিয়েছে স্থানীয়রা। সুধী মহলেও প্রশংসা কুড়াচ্ছেন এই সংস্কৃতি প্রেমী।

স্থানীয়রা বলছেন, আমাদের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করছেন লাকি ফেরদৌসী। অতীতের মধুময় দিনগুলোতে ফিরে যাওয়া হচ্ছে। সুস্থ সংস্কৃতি চর্চা খুব বেশি প্রয়োজন আমাদের এই সমাজে। এই কাজটিই করে চলছেন লাকি। সময়ের পরিবর্তনে শিকড় হারিয়ে না যাক এটাই আমাদের চাওয়া।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।