শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

গণকবরে শায়িত শহীদ ও শহীদ পরিবারের স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগ

 ছাইদুল ইসলাম, (নওগাঁ) প্রতিনিধি নওগাঁর ধামইরহাটে উপজেলার উমার ইউনিয়নের কুলফৎপুর এলাকার গণকবরে পাক-হানাদার বাহিনীর নৃশংস গণহত্যার বর্ণনা করেন ওই দিন  প্রাণে রক্ষা পাওয়া আব্দুল মান্নান।আক্ষেপ করেন শহীদি মর্যাদা না পাওয়ার। নওগাঁর ধামইরহাটে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালীন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পিস কমিটির সদস্য ওসমান হাজীর নির্দেশে ১৪ জন গেরস্ত ও শ্রমিক গণহত্যার স্বীকার হন। পাকিস্তানি হানাদার […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ২০:১২

 ছাইদুল ইসলাম, (নওগাঁ) প্রতিনিধি
নওগাঁর ধামইরহাটে উপজেলার উমার ইউনিয়নের কুলফৎপুর এলাকার গণকবরে পাক-হানাদার বাহিনীর নৃশংস গণহত্যার বর্ণনা করেন ওই দিন  প্রাণে রক্ষা পাওয়া আব্দুল মান্নান।আক্ষেপ করেন শহীদি মর্যাদা না পাওয়ার।
নওগাঁর ধামইরহাটে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালীন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পিস কমিটির সদস্য ওসমান হাজীর নির্দেশে ১৪ জন গেরস্ত ও শ্রমিক গণহত্যার স্বীকার হন। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন তথ্য মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে সহযোগিতা করার অপরাধে শ্রাবন মাসের ৬ তারিখ দুপুর একটায় ২০ জন মুক্তিকামী জনতাকে কুলফৎপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে এনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে ব্রাশ ফায়ার করা হয়।
এতে ঘটনাস্থলেই ১৪ জন শহীদ হন এবং ৬ জন ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে যান। এদের মধ্যে অনেকেই মাঠে হাল চাষের সময় ও নিজ বাড়িতে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় পাক-হানাদার বাহিনীর সদস্যদের হাতে আটক হয়।
শনিবার   (১৪ডিসেম্বর) বিকেল ৩ টায়  বাকরুদ্ধ কণ্ঠে এমনই নৃশংস গণহত্যার বর্ণনা দেন প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুল মান্নান। তিনি বলেন ঐ দিন বড় ভাইয়ের সঙ্গে তাকেও পাক-হানাদার বাহিনীর সদস্যরা দুই হাত ও চোখ বেঁধে ধরে নিয়ে যায়।  বুলেটের আঘাতে বড় ভাই মতিবুল শহীদ হন আর ভাগ্যক্রমে তিনি বেঁচে যান। সেদিনের পর থেকেই  তিনি অনেকটা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন।
স্বাধীনতার কয়েক যুগ পেরিয়ে গেলেও শহীদ পরিবারদের স্বীকৃতি না পাওয়া এবং ভাই হারানো কষ্টের সেই ক্ষত আজও বহন করে চলেছেন আব্দুল মান্নান ও তার পরিবার।
তিনি বলেন, পাক-হানাদার বাহিনীর সদস্যরা গুলি করার সময় তিনিসহ আরও ৬ জন জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এতে ১৪ জন শহীদ হন এবং বাকিদের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে কিনা তার জন্য পাক-বাহিনীর সদস্যরা রাইফেলের বাঁট ও পা দিয়ে খুঁচে সকলের শরীরে আঘাত করেন। এসময় বাকি সদস্যরা মৃত্যুর ভয়ে পাক সেনাদের কাছে প্রাণভিক্ষা চান। এরপর পাক বাহিনী ওই ৬ জনকে রশি দিয়ে বেঁধে পার্শ্ববর্তী ফার্সিপাড়া ক্যাম্পে নিয়ে যান।
ওদের মধ্যে আব্দুল মান্নানের নামের সঙ্গে পাক হানাদার বাহিনীর কমান্ডারের নামের মিল থাকায় ওইযাত্রায় তিনি প্রাণে রক্ষা পেলেও ওইদিন বাকিদের ভাগ্যে কি ঘটেছিল তা আজও তার কাছে অজানা রয়ে গেছে।
গণহত্যার শিকার অন্য বীর শহীদেরা হলেন- উপজেলার উমার ইউনিয়নের কুলফৎপুর এলাকার মৃত বজির উদ্দীনের ছেলে শহীদ আমজাদ হোসেন, মৃত কফিল উদ্দিন মন্ডলের ছেলে শহীদ চান মদ্দীন মন্ডল, মৃত ইছরত আলী দেওয়ানের ছেলে শহীদ কছি মদ্দীন মন্ডল, সুবার উদ্দীন মন্ডলের ছেলে শহীদ ছয়েফ উদ্দীন, আবেদ আলী মন্ডলের ছেলে শহীদ আবতাব উদ্দীন, মৃত আবেদ আলী মন্ডলের ছেলে শহীদ তায়েজ উদ্দীন, মৃত সিরাজ উদ্দীনের ছেলে শহীদ মতিবুল হোসেন, টুটি কাটা এলাকার মৃত ছবির উদ্দীনের ছেলে শহীদ আব্বাছ আলী, মৃত শরিফ উদ্দীনের ছেলে শহীদ আাবেদ আলী।
এছাড়াও কৈগ্রাম এলাকার মৃত ছালে মদ্দীনের ছেলে শহীদ রহিম উদ্দীন, মৃত মহির উদ্দীনের ছেলে ফয়জুল ইসলাম, মৃত কিমির উদ্দীন মন্ডলের ছেলে শহীদ তজির উদ্দীন মন্ডল, মৃত সহিদ তজীর উদ্দীন মন্ডলের ছেলে শহীদ তমিজ উদ্দিন (বিজু), এবং দাড়াবাতা এলাকার মৃত রহিম উদ্দীনের ছেলে শহীদ অবির উদ্দীন।
সরোজমিনে উপজেলার উমার ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ড কুলফৎপুর এলাকার গিয়ে দেখা যায় গণহত্যার শিকার ১৪ জন শহীদদের নাম লিপিবদ্ধ করে একটি স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে। স্বাধীনতার কয়েক যুগ পেরিয়ে গেলেও অজ্ঞাত কারণে কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও নজরদারির অভাবে গণ কবরের চারপাশ অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকায় সেখানে গরু, ছাগল ও ভেড়ার  বিচরণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে। একারণে শহীদ পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে একরকম চাপা ক্ষোভ লক্ষ্য করা গেছে।
স্থানীয়রা কিছুটা কুবের শহীদ বলেন  , স্বাধীনতার কয়েক যুগ পেরিয়ে গেলেও গণহত্যার শিকার পরিবারদের খোঁজ রাখেনি কেউ। বছরের পর বছর স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা শুধু প্রতিশ্রুতি দিলেও সংরক্ষণ করা হয়নি গণ কবরের চারপাশ। সরকারিভাবে শহীদ পরিবারদের স্বীকৃতিও মেলেনি তাদের। পাননি মুক্তিযোদ্ধা ভাতাসহ কোন অনুদান। এমন বীভৎস স্মৃতিকে বুকে ধারণ করে মানাবেতর জীবন যাপন করছেন শহীদ পরিবারের অনেক সদস্যরা।
প্রাণে বেঁচে যাওয়া আব্দুল মান্নানের স্ত্রী আনজুয়ারা ও শহীদ পরিবারের অন্যান্য  সদস্যরা আক্ষেপ করে বলেন, ‘পাক-হানাদার বাহিনীর সদস্যরা মাঠ থেকে গ্রামের গেরস্থদের (কৃষকদের) ধরে এনে হত্যা করেন। এদের মধ্যে কেউ বুদ্ধিজীবী ছিলেন না। অথচ গণকবরটিকে ঘিরে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মোমবাতি প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে সেখানে বুদ্ধিজীবী দিবস উদযাপন করা হয়। এমন অবস্থায় গণহত্যার স্বীকার বীর শহীদদের প্রতি অসম্মান ও ইতিহাস বিকৃতের গুরুতর অভিযোগ এনে এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।