বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

“এই রাস্তা দিয়া গর্ভবতী নিলে রাস্তাতেই বাচ্চা হইব, লালমনিরহাটে ৮ মাসে ৩৩ মৃত্যু

লালমনিরহাট জেলার পাঁচটি উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলেছে। জেলা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতাল সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, বিগত আট মাসে জেলায় ৫৮ টি বড় সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ১২১ জন।  জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্য অনুযায়ী, বেপরোয়া গতি, অপ্রাপ্তবয়স্ক ও লাইসেন্সহীন […]

“এই রাস্তা দিয়া গর্ভবতী নিলে রাস্তাতেই বাচ্চা হইব, লালমনিরহাটে ৮ মাসে ৩৩ মৃত্যু

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:৪১

লালমনিরহাট জেলার পাঁচটি উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে চলেছে। জেলা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতাল সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, বিগত আট মাসে জেলায় ৫৮ টি বড় সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে ৩৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ১২১ জন। 

জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্য অনুযায়ী, বেপরোয়া গতি, অপ্রাপ্তবয়স্ক ও লাইসেন্সহীন চালক, অবৈধ ট্রলি ও থ্রি-হুইলারের দাপট এবং মহাসড়কে পর্যাপ্ত সড়কসংকেত না থাকাই দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।

বিশেষ করে লালমনিরহাট-বুড়িমারী ও রংপুর-কুড়িগ্রাম জাতীয় মহাসড়কের জেলা অংশে দুর্ঘটনার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। আগস্ট মাসে হাতীবান্ধায় ট্রাকের ধাক্কায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল শোরুম ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ২ জন নিহত হওয়াসহ ভারী বৃষ্টির কারণে সড়ক ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

উপজেলাভিত্তিক দুর্ঘটনার চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মার্চ থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত সময়ে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে পাটগ্রাম উপজেলায়। সেখানে ১৩টি দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত এবং ৩৫ জন মারাত্মক আহত হয়েছেন।

এছাড়া কালীগঞ্জ উপজেলায় ১১টি দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত ও ২৭ জন আহত হন। হাতীবান্ধা উপজেলায় ১০টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৬ জন এবং আহত হয়েছেন ২৬ জন। অপরদিকে আদিতমারী ও লালমনিরহাট সদর উপজেলায় ছয়টি করে দুর্ঘটনা ঘটে; যার মধ্যে আদিতমারীতে ৩ জন নিহত ও ১৫ জন আহত এবং সদর উপজেলায় ৩ জন নিহত ও ১৮ জন আহত হয়েছেন।

বিগত বছরগুলোর বার্ষিক পরিসংখ্যান ও চলতি ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত গতিধারা পর্যালোচনায় দেখা যায়, জেলায় দুর্ঘটনার হার ক্রমাগত উর্ধ্বমুখী। ২০২৩ সালে জেলায় মোট ৬২টি দুর্ঘটনায় ৩৭ জন এবং ২০২৪ সালে ৬৮টি দুর্ঘটনায় ৪২ জন নিহত হন।

২০২৫ সালে দুর্ঘটনার সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়ে ৭৫টিতে পৌঁছায়, যাতে প্রাণ হারান ৪৬ জন। চলতি ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত বিগত আট মাসে জেলাজুড়ে ৫৮টি দুর্ঘটনায় ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মহাসড়কের অনিয়ন্ত্রিত যান চলাচল ও অবকাঠামোগত ঝুঁকির কারণে দুর্ঘটনার সংখ্যা প্রতি বছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা। সম্প্রতি কালীগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় পা হারানো মোটরসাইকেল আরোহী আজহারুল ইসলাম (৩৮) জানান, সড়কে হেলমেট ছাড়া চালক আর অনুমোদনহীন ভারী যানবাহন অবাধে চলাচল করলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

হাফিজুর রহমান একজন পেশায় মাইক্রো গাড়িচালক তিনি বললেন, “কি কমো ভাই কষ্টের কথা, এই রাস্তা দিয়া গর্ভবতী নিলে রাস্তাতেই বাচ্চা হয় এমন অবস্থা।”

উদ্ধারকাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে লালমনিরহাট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা জানান, মহাসড়কে অনিয়ন্ত্রিত থ্রি-হুইলার, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও বালুবাহী ট্রলির বেপরোয়া চলাচলের কারণে বেশি প্রাণহানি ঘটছে। রাতের বেলা দূরপাল্লার বাস ও ট্রাকের গতির কারণে দুর্ঘটনার শিকার অনেকেই ঘটনাস্থলেই মারা যান।

আহতদের চিকিৎসাসেবা ও সীমাবদ্ধতার বিষয়ে লালমনিরহাট ১০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) জানান, হাসপাতালে আসা অধিকাংশ রোগীই মাথায় গুরুতর আঘাত ও অঙ্গহানি নিয়ে আসেন।

জেলায় উপযুক্ত ট্রমা কেয়ার সেন্টার ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় সংকটাপন্ন রোগীদের তাৎক্ষণিকভাবে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হয়, যার ফলে পথেই অনেকের মৃত্যু ঘটে। 

অন্যদিকে সার্বিক বিষয়ে লালমনিরহাটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) জানান, অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স যাচাইয়ে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।

তবে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, প্রশাসনিক অভিযানের পাশাপাশি লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা, চালকদের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা এবং পথচারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।