বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নওগাঁর ঐতিহাসিক আদ্যাবাড়ী মন্দির অযত্ন-অবহেলায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে 

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি, নওগাঁ নওগাঁর মহাদেবপুরে অযত্ন অবহেলায় ধ্বংস হচ্ছে ঐতিহাসিক আদ্যাবাড়ী মন্দির। মহাদেবপুর উপজেলার খাজুর ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামে এ ঐতিহাসিক মন্দিরটি অবস্থিত। এ মন্দিরটি প্রাচীন ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলোর মধ্যে অন্যতম। ঐতিহাসিক এ মন্দির দেখতে এক সময় সনাতন ধর্মালম্বীসহ নানা ধর্মের মানুষ এ উপজেলায় আসতো। কিন্তু সেসব এখন কেবলই স্মৃতি।  নওগাঁ জেলার ঐতিহাসিক মন্দির গুলোর মধ্যে […]

নওগাঁর ঐতিহাসিক আদ্যাবাড়ী মন্দির অযত্ন-অবহেলায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে 

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:১৯

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি, নওগাঁ

নওগাঁর মহাদেবপুরে অযত্ন অবহেলায় ধ্বংস হচ্ছে ঐতিহাসিক আদ্যাবাড়ী মন্দির। মহাদেবপুর উপজেলার খাজুর ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামে এ ঐতিহাসিক মন্দিরটি অবস্থিত। এ মন্দিরটি প্রাচীন ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলোর মধ্যে অন্যতম। ঐতিহাসিক এ মন্দির দেখতে এক সময় সনাতন ধর্মালম্বীসহ নানা ধর্মের মানুষ এ উপজেলায় আসতো। কিন্তু সেসব এখন কেবলই স্মৃতি। 

নওগাঁ জেলার ঐতিহাসিক মন্দির গুলোর মধ্যে বেশ পুরাতন বেশ কয়েকটি মন্দির হচ্ছে 

ঠাকুর মান্দা মন্দির (শ্রীশ্রী রঘুনাথ জিউ মন্দির): মান্দা উপজেলা।

কালিতলা মন্দির: নওগাঁ সদর।

শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ মন্দির: নওগাঁ সদর (ছোট যমুনা নদীর নিকট)।

শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালী মন্দির: নওগাঁ সদর।শ্রী শ্রী হরি মন্দির: সুপারিপট্টি, নওগাঁ সদর।রাজ-রাজেশ্বরী দেবী মন্দির (বলিহার জমিদার বাড়ি): নওগাঁ সদর।

চোড়াচন্ডি কালী মন্দির: বদলগাছী উপজেলা।

বদলগাছী কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দির: বদলগাছী উপজেলা।

আদ্যাবাড়ি মন্দির: মহাদেবপুর উপজেলা।বোনো দুর্গমাতা মন্দির: রানীনগর উপজেলা। 

আদ্যাবাড়ি মন্দির প্রাচীন ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলোর মধ্যে অন্যতম। ঐতিহাসিক এ মন্দির দেখতে এক সময় সনাতন ধর্মালম্বীসহ নানা ধর্মের মানুষ এ উপজেলায় আসতো। কিন্তু সেসব এখন কেবলই স্মৃতির পাতায়।গাছ আর লতায় জড়িয়ে জির্ণসির্ণর ভগ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে আগাছার আড়ালে। দেখলে যেন মনে হবে কোন ভুতের বাড়ী। সরেজমিনে গিয়ে এমন অবস্থায় চোখে পড়ল। 

দীর্ঘদিনের অযত্ন অবহেলায় এ মন্দিরটি এখন অস্তিত্ব হারাতে বসেছে। তবে আগের মতো জাঁকজমক না থাকলেও স্থানীয় সনাতন ধর্মালম্বীরা এখনও এখানে দূর্গাপূজাসহ নানা পূজা পার্বণে ঘটা করেই পূজা করছে। প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিলে এ ঐতিহাসিক মন্দিরকে ঘিরে এখানে গড়ে উঠতে পারে আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র। এ মন্দিরটির নির্মাণ কাল নিয়ে নানা মতভেদ রয়েছে। তবে এর নির্মাণ শৈলী দেখে মনেহয় এটি পাল রাজত্ব কালের কোন এক সময় পালদের হাতে নির্মিত হয়েছে এই মন্দির । 

ঐতিহাসিক দলিল দস্তাবেজ খুব কম। যা জানা যায়, তার বেশিরভাগই স্থানীয়ভাবে প্রচলিত গালগপ্পো। তবে মন্দিরের নির্মাণশৈলী দেখে মনে হয়, সম্ভবত পাল শাসনামলের কোন এক সময় মন্দিরটি নির্মাণ করা হয়েছিল। সেই হিসাবে মন্দিরের বয়স হাজার বছরের কাছাকাছি।

অনেক ঐতিহাসিকও তেমনই মত দিয়েছেন। যত্রতত্র সেই মন্দিরের ভাঙা অংশ এখনো চোখে পড়ে। এই মন্দির কমপ্লেক্সটি অতীতে সুউচ্চ চওড়া সীমানা প্রাচীর দিয়ে সুরক্ষিত ছিল। সীমানা প্রাচীর টিকে না থাকলেও এর অস্তিত্ব এখনো সহজে অনুমান করা যায়। 

এলাকাবাসী ও জনমানুষের মুখ থেকে জানতে পারা যায় যে মন্দির টি মোটামুটি 

 ৪ বিঘা জমির উপর নির্মিত। এক সময় মাটি থেকে এ মন্দিরের চুড়ার উচ্চতা ছিল প্রায় ৬৫ ফিট। এ মন্দিরের আদ্যামাতা, অন্নপূর্ণা ও গৌড়ীপট দেবী ছিল। এ ৩টি দেবী মূর্তিই ছিল পাথরের তৈরি। সেসময় মূল মন্দিরের পার্শ্বে আরও অনেক গুলো অনুষঙ্গ মন্দির নির্মাণ করা হয়েছিল।

স্থানীয় প্রবীণ কৈবত্য এর ভাষ্যমতে এখানে ১০১টি অনুষঙ্গ মন্দির নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল এবং এটিকে দ্বিতীয় কাশি বানানোর পরিকল্পনা ছিল। বর্তমানে কালের বির্বতনে মূল মন্দিরটি কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে থাকলেও অনুষঙ্গ মন্দির গুলি অনেক আগেই ধ্বংস হয়ে গেছে। সেই সাথে মিশে গেছে তাদের চিহ্ন। 

শোনা যায় মন্দিরের জমি গুলোও নামে বে-নামে দখল করে নিয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা।প্রবীণদের মতে কিছুদিন আগেও মন্দিরের চুড়ার উপরে সুবিশাল একটি ত্রিশূল ছিল। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এ ত্রিশূলটিও চুরি হয়ে গেছে। স্থানীয় উন্নয়ন ও মানবাধিকার সংস্থা “আদিবাসী উন্নয়ন সংস্হা “থেকে ঐতিহাসিক এ স্থাপনাটি সংস্কার করে রক্ষণাবেক্ষণার দাবী জানান। 

তারা আরো দাবী করেন ঐতিহাসিক এ মন্দিরটি এখনও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে আসেনি। তবে যদি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে এ ঐতিহাসিক মন্দিরটি সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয় তাহলেই কেবল রক্ষা পাবে শত বছরের পুরানো ও ঐতিহাসিক মন্দিরটি।ফেরে পাবে তার হারানো ঐতিহ্য। হয়তো আবারও পুরোহিতের ঘন্টা বাজবে পূজা অর্চনা হবে প্রাণ ফিরে পাবে শত বছরের পুরানো এই মন্দিরটি। 

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।