বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বাঞ্ছারামপুরে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী কুস্তি খেলা

মেহেদী হাসান মেহের, বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ শীত আসলেই মেঘনা-তিতাস নদীঘেরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় কুস্তি খেলা শুরু হতো। ঐতিহ্যবাহী এই কুস্তি খেলা নিয়ে মানুষের মধ্যে ৭ থেকে ১০ বছর আগেও প্রচণ্ড আগ্রহ দেখা যেতো। চায়ের আড্ডা থেকে যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে আলোচনা আর আগ্রহ নিয়ে কথা হতো। এ বছর কে কুস্তিতে চ্যাম্পিয়ন হবে, কবে কোথায় খেলা হবে, […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৩:০১

মেহেদী হাসান মেহের, বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ

শীত আসলেই মেঘনা-তিতাস নদীঘেরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় কুস্তি খেলা শুরু হতো। ঐতিহ্যবাহী এই কুস্তি খেলা নিয়ে মানুষের মধ্যে ৭ থেকে ১০ বছর আগেও প্রচণ্ড আগ্রহ দেখা যেতো। চায়ের আড্ডা থেকে যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে আলোচনা আর আগ্রহ নিয়ে কথা হতো।

এ বছর কে কুস্তিতে চ্যাম্পিয়ন হবে, কবে কোথায় খেলা হবে, তাতে কোন কোন কুস্তিবিদ অংশ নিবে, এসব। কিন্তু মাদক, স্পন্সর, আয়োজক কমিটির অনীহা আর জায়গার অভাবে কুস্তি খেলা আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে।
আবহমান গ্রামবাংলার প্রাচীনতম ঐহিত্য কুস্তি খেলার প্রতি এই অঞ্চলের মানুষের একটা র্দূবলতা সবসময় ছিল এবং আজও আছে। বাঞ্ছারামপুর ও পার্শ্ববর্তী কুমিল্লার হোমনা-মেঘনা-তিতাস উপজেলায় কুস্তি খেলার স্থানীয় নাম হলো ‘ডুগ খেলা’।

কালের বিবর্তনে কুস্তি বা ডুগ খেলা হারিয়ে যেতে বসেছে। তারপরও আজ গ্রাম বাংলায় এই কুস্তি খেলা অতি জনপ্রিয়।

এক সময় বর্ষা আসলে গ্রামের উঠোনে হাডুডু খেলার প্রচলন ছিল। এখন এই খেলাটি আস্তে আস্তে বিলিন হয়ে গেছে। সুস্থ দেহ আর মন মানসিকতার বিকাশ ঘটাতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। বাঞ্ছারামপুরের ১৩টি ইউনিয়নের প্রায় সব গ্রামেই এলাকা ভিত্তিক কুস্তি খেলার আয়োজন হয়ে থাকে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আবারও এই এলাকায় কুস্তি খেলা শুরু হয়েছে।

বর্ষা আসলেই প্রতি গ্রামের যুবক, মধ্য বয়সি ছেলেরা কুস্তি খেলার প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। কিছু দিন প্রশিক্ষণ দেয়ার পর আবার অন্য এলাকার লোকজনকে আমন্ত্রণ জানিয়ে খেলার আয়োজন করা হয়। এই খেলার ভাল কুস্তিগীরকে “ডুগ প্লেয়ার” বলে আখ্যায়িত করা হয়। এই সকল কুস্তিগীর যারা থাকেন তারা প্রতিটি গ্রামে জামাই আদরে থাকেন। এলাকার প্রত্যেকেই তাকে শক্তি ও সাহস যোগাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। বিভিন্ন এলাকায় কুস্তিগীর

যারা আছে তারা বিশেষ নামে পরিচিতি  লাভ করে। এই খেলা বড় গ্রাম হলে এক গ্রামে নতুবা, দুই তিন গ্রামে মিলে (কুস্তিগীর) প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এলাকায় যেসব গ্রামে কুস্তিগীর আছে তাদেরকে খেলার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। যে এলাকায় খেলার আয়োজন করা হয় ঐ এলাকার শতশত দাওয়াতি লোক গ্রামে আগের দিন চলে যায়। আনন্দ উৎসাহে তাদেরকে গরু জবাই করে খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

পরদিন চলে কুস্তি খেলা, মাঠে হাজার হাজার লোক জমায়েত হয়। খেলা পরিচালনার জন্য এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি সহ দুই-তিন জনকে রেফারী দায়িত্ব দেওয়া হয়। তারা খেলা পরিচালনা করেন।

মঙ্গলবার দিনব্যপী উপজেলার সলিমাবাদ ইউনিয়নে কুস্তি খেলার আয়োজন করা হয়। সেখানে বহুদিন পর খেলা দেখতে মানুষের ঢল নেমেছিল।

কুস্তি খেলা নিয়ে গবেষণা ও কুস্তিখেলা পাগল ব্লগার শামীমুর রহমান বলেন, বাঞ্ছারামপুরে আগে যেখানে শতাধিক কুস্তিবিদ খেলার জন্য অপেক্ষা করতো, কখন শীতকালে আয়োজকদের ডাক শুনবে, সেখানে এখন ভালো মানের ১ ডজন প্লেয়ার পাওয়াটাই দুস্কর। খেলোয়াড় সংকটের কারণ হিসেবে বলেন, পার্শ্ববর্তী হোমনা-তিতাস থেকে মাদকের সহজলভ্যতা বাঞ্ছারামপুরে বেশী। উঠতি যুবকরা সেদিকে ঝুকছে। আগে আমাদের মাদক বন্ধ করতে হবে।

জানা গেছে, বাঞ্ছারামপুরে এখন যে হাতেগোনা খেলা হয়, সেখানে অন্য এলাকা থেকে প্লেয়ার চুক্তিতে আনতে হয়।

চট্টগ্রামের জব্বারের বলীখেলায় শেষ ২০১৮ সালে বাঞ্ছারামপুরের অলি বলী চ্যাম্পিয়ন হয়। তারপর, আর তেমন কোন অর্জন উল্লেখ করার মতো নেই।

মাহবুবুর রহমান নয়ন নামে কুস্তিপ্রেমী বলেন, বাঞ্ছারামপুরে কুস্তি খেলাকে পুনরায় জাগ্রত করতে হলে প্রশাসনের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনকে এগিয়ে আসতে হবে। মাদক নির্মুল করতে হবে। নইলে কুস্তি খেলা ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই হয়ে যাবে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।