শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

হাতিয়াতে কাগজে-কলমে প্রকল্প, সরকারি অর্থ হরিলুট ইউপি সচিবের

নোয়াখালী প্রতিনিধি; নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার হরনী ও চানন্দী ইউনিয়নে বিভিন্ন সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ কাগজে-কলমে বাস্তবায়ন দেখিয়ে সরকারি অর্থ ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে হরিলুটের সত্যতা পাওয়া গেছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ ইউপি-২ শাখা হতে গত ৩রা জুন ২০২৬ এ সারাদেশে “ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা ” শীর্ষক প্রকল্পে ৪৫৭৯টি পরিষদের অনুকূলে উন্নয়ন কাজ করার […]

হাতিয়াতে কাগজে-কলমে প্রকল্প, সরকারি অর্থ হরিলুট ইউপি সচিবের

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৮ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৫৫

নোয়াখালী প্রতিনিধি;

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার হরনী ও চানন্দী ইউনিয়নে বিভিন্ন সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ কাগজে-কলমে বাস্তবায়ন দেখিয়ে সরকারি অর্থ ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে হরিলুটের সত্যতা পাওয়া গেছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ ইউপি-২ শাখা হতে গত ৩রা জুন ২০২৬ এ সারাদেশে “ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা ” শীর্ষক প্রকল্পে ৪৫৭৯টি পরিষদের অনুকূলে উন্নয়ন কাজ করার লক্ষ্যে সরকার আশি কোটি টাকা থোক বরাদ্দ দিয়েছেন। যার স্মারক নম্বর-১৪৫০।

মন্ত্রনালয়ে ঐ পত্রে হাতিয়া উপজেলার হরণী ইউনিয়ন পরিষদের অনুকূলে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করার জন্যে চার লক্ষ সত্তর হাজার টাকা এবং চানন্দী ইউনিয়ন পরিষদের অনুকূলে চার লক্ষ বিশ হাজার টাকা বরাদ্দ তথ্য পাওয়া যায়।

সরেজমিনে হরণী-চানন্দী ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যালয়ে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ এর ৮ ধারা অনুযারী প্রকল্প গুলোর তথ্য চেয়ে আবেদনপত্র জমা দেন দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি।

প্রথমে গণমাধ্যম কর্মীদের এমন প্রকল্প আসেনি বলে দ্বারসারা বক্তব্যে দিতে শুরু করেন সচিব। পরে মন্ত্রনালয়ে চিঠি দেখানো হলো তিনি জানান, আমি ভুলে গেছি ও মনে পড়েছে বিষয়টি।

এরপর ইউপি সচিব এ প্রতিবেদকে জানান, আমরা হরণী ইউনিয়নে এ টাকা দিয়ে ৫নং ওয়ার্ড ইসলামপুর সমাজের দিদার বাজার সংলগ্ন ১৬৫০ মিটার মাটির রাস্তা নিমার্ণ এবং হাতিয়া বাজার গরুর হাট সংলগ্ন ড্রেইন নিমার্ণ করতে দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার একটি প্রকল্প এবং ইউনিয়নের গুরুত্বপূৃর্ণ স্থানে বৃক্ষ রোপন নামে আরেকটি প্রকল্পে দুই লক্ষ বিশ হাজার টাকা বরাদ্দ রেখে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি।

চানন্দী ইউনিয়নের বরাদ্দ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী নামে একটি প্রকল্পে দুই লক্ষ বিশ হাজার টাকা এবং ভূমিহীন বাজার মাটির রাস্তা নিমার্ণ নামে অপর প্রকল্পে দুই লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়েছি।

সরেজমিনে প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা যায়, হরণী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড ইসলামপুর সমাজে পুরাতন একটি রাস্তার উপর কবিরের বাড়ি থেকে নবীবের বাড়ি পর্যন্ত কোথাও এক ইঞ্চি হতে দেড় ইঞ্চি মাটি ভরাট করা হয়েছে। তাও কোন শ্রমিক দিয়ে নয়, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে চুক্তিতে টাংকি ঘাট এলাকার ভেকু মেশিনের মালিক ইব্রাহিমের মাধ্যমে।

স্থানীয় আবদুল মতিন, ইলিয়াছ,রাসেল, একরাম সহ অনেকে জানান, ২০ ঘন্টার মতো ভেকু মেশিন দিয়ে কৃষি অফিসার স্যার কাজটি করেছেন সচিবের নির্দেশে শুনেছি। কত টাকা বরাদ্দ আমরা জানি না।

তাদের দাবি বড়জোর ৬০/৭০ হাজার টাকার মাটির কাজ করা হয়েছে। অথচ প্রকল্পটি কাগজে কলমে দেখানো হয়েছে দুই লক্ষ টাকা। প্রকল্পের পুরো অর্থ ব্যায় না করে ইউপি সচিবসহ কমিটির অন্যান্যরা সরকারি এ অর্থ হরিলুট করেছেন।

যা প্রকল্প এলাকা ঘুরে সত্যতা পাওয়া গিয়েছে। এছাড়াও হাতিয়া বাজার ড্রেইনের দৃশ্যমান কোন কাজ দেখা যায়নি। নামমাত্র গরুর হাটের জলাব্ধতা দূর করতে নালা পরিষ্কার চিত্র চোখে পড়েছে। বড়জোর শ্রমিক দিয়ে ১০ হাজার টাকার মতো ব্যায় করা হয়েছে।

এরপর আরেকটি প্রকল্পে দেখা যায়, হরণী ইউনিয়ন পরিষদের চারপাশে কিছু ফলজ,বনজ,ঔষুধি গাছের চারা লাগানো হয়েছে। স্থানীয় একাধিক সচেতন মহল জানান বড়জোর ২০ হাজার টাকার গাছ কিনেছেন সচিব। কিন্তুু কাগজে কলমে প্রকল্পটির খরছ দেখানো হয়েছে দুই লক্ষ বিশ হাজার টাকা।

চানন্দী ইউনিয়নে বরাদ্দকৃত প্রকল্পের এই প্রতিবেদকের হাতে কিছু গাছের চারা বিতরণের ছবি এসেছে। নামমাত্র চারা বিতরণ করে প্রকল্পের পুরো অর্থ সচিব সহ একটি সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিয়েছেন। এছাড়াও মাটির রাস্তা নিমার্ণ নামে যে প্রকল্প কাগজে কলমে দেখানো হয়েছে তার কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি পুরো ইউনিয়নে। 

প্রকল্প কাজ না হওয়া কিংবা নামমাত্র কাজ করায় স্থানীয়দের দুর্ভোগ দিন দিন চরম আকার ধারণ করছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পের বরাদ্দ ও কাগজপত্রে কাজ সম্পন্ন দেখানো হলেও বাস্তবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় তার যথাযথ প্রতিফলন নেই। ফলে সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

এ বিষয়ে জানতে হরণী-চানন্দী ইউনিয়নের সচিব মোয়াজ্জম হোসেন কে একাধিক বার কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। বার বার সংযোগ কেটে দেন। অন্তত্ব ৩ দিন অভিযুক্ত সবিরের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে জনসাধারণের জীবন মান উন্নয়নে সরকার বরাদ্দ দিচ্ছে। অথচ অসাধু এসব কর্মকর্তারা কাজ না করে সেই অর্থ হরিলুট করছেন।

অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের বরাদ্দপত্র, প্রাক্কলন, প্রকল্প কমিটির কাগজপত্র, বিল-ভাউচার, পরিমাপ বই, কাজ সম্পন্নের প্রত্যয়ন এবং অর্থ উত্তোলনের নথি যাচাইয়ের পাশাপাশি সরেজমিন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

তাদের দাবি, তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সরকারি অর্থের ক্ষতি নিরূপণ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জনগণের দুর্ভোগ নিরসনে প্রকল্পগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা হোক

এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাসেল ইকবাল জানান,বিষয়টি সম্পর্কে আমার জানা নেই। “খোঁজখবর নিয়ে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন গণমাধ্যম কর্মীদের।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।