বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আবাসিক গ্রাহকদের বুকফাটা আর্তি: “গ্যাসের বিল দিচ্ছি, কিন্তু চুলা জ্বলছে না কেন?”

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি নিয়মিত তিতাস গ্যাসের বিল পরিশোধ করছেন গ্রাহকেরা। কিন্তু প্রয়োজনের মুহূর্তে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত গ্যাস। মুন্সীগঞ্জ শহর ও আশপাশের এলাকাগুলোতে গত কয়েক দিন ধরে তিতাস গ্যাসের সরবরাহ মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন আবাসিক গ্রাহকেরা। বহু বাসাবাড়িতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জ্বলছে না চুলা। কোথাও বা গ্যাসের চাপ এতটাই কম যে, সামান্য আগুন জ্বললেও […]

আবাসিক গ্রাহকদের বুকফাটা আর্তি: “গ্যাসের বিল দিচ্ছি, কিন্তু চুলা জ্বলছে না কেন?”

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৪ আগস্ট ২০২৬, ২২:৩৯

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

নিয়মিত তিতাস গ্যাসের বিল পরিশোধ করছেন গ্রাহকেরা। কিন্তু প্রয়োজনের মুহূর্তে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত গ্যাস। মুন্সীগঞ্জ শহর ও আশপাশের এলাকাগুলোতে গত কয়েক দিন ধরে তিতাস গ্যাসের সরবরাহ মারাত্মকভাবে কমে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন আবাসিক গ্রাহকেরা।

বহু বাসাবাড়িতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জ্বলছে না চুলা। কোথাও বা গ্যাসের চাপ এতটাই কম যে, সামান্য আগুন জ্বললেও তা সঙ্গে সঙ্গে নিভে যাচ্ছে।

​এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে রান্নাবান্না বন্ধ রেখে কেউ বাইরে থেকে খাবার কিনে খাচ্ছেন। অনেকে আবার বিকল্প হিসেবে তেলের চুলা, ইলেকট্রিক চুলা কিংবা লাকড়ির দিকে ছুটছেন। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন শিশু, বয়স্ক ও কর্মজীবী মানুষ থাকা পরিবারগুলো।

​পঞ্চসার ইউনিয়নের দশকানি এলাকার বেসরকারি চাকরিজীবী সাকিব হোসেন তাঁর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “গত তিন দিন ধরে বাইরে খেয়ে দিন পার করতে হচ্ছে। আজও সকাল থেকে গ্যাস নেই। এভাবে তো আর চলা সম্ভব না। বাধ্য হয়ে তেলের চুলা কিনতে যাচ্ছি। নিয়মিত গ্যাসের বিল দিয়েও যদি গ্যাস না পাই, তবে আমরা কোথায় যাব?”

​একই দুর্ভোগের চিত্র দেখা গেছে মুন্সীগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকায়। সেখানকার বাসিন্দা রুপা বেগম জানান, সকাল থেকে চুলা না জ্বলায় চরম বিপাকে পড়েছেন তারা। তিনি বলেন, “সংসারে ছোট বাচ্চা আছে, বাইরে থেকে কত দিন খাবার কিনে চালানো যায়? গ্যাস সরবরাহে সমস্যা হলে কর্তৃপক্ষ অন্তত আগে থেকে জানালে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া যেত।”

​সিপাহীপাড়া এলাকার বাসিন্দা আফিফা জাহান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “মনে হচ্ছে গ্যাস সংযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে। টানা চার দিন ধরে এই পরিস্থিতি চলছে। কবে নাগাদ সমস্যা সমাধান হবে, তা-ও কেউ বলতে পারছে না।”

​ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, বিল নেওয়ার সময় কর্তৃপক্ষের কোনো ঢিল থাকে না, কিন্তু সার্ভিস দেওয়ার ক্ষেত্রে এই চরম সংকট দেখা দিলে দায় নেওয়ার মতো কাউকে পাওয়া যায় না। এক আবাসিক গ্রাহকের মতে, দিনে এক-দুই ঘণ্টা গ্যাস কম থাকা মেনে নেওয়া যায়; কিন্তু দিনের পর দিন চুলা না জ্বললে তা মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে।

​গ্যাস সরবরাহের এই তীব্র সংকটের বিষয়ে জানতে চাইলে মুন্সীগঞ্জ তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের ম্যানেজার (ইঞ্জিনিয়ার) শরীফুল ইসলাম বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, “এটি শুধু মুন্সীগঞ্জের সমস্যা নয়, সারাদেশেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মূলত এলএনজি টার্মিনালে তৈরি হওয়া সংকটের কারণেই সরবরাহে এই ব্যাঘাত ঘটেছে।”

​পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, সমস্যা কাটিয়ে উঠতে চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগতে পারে। তবে নির্দিষ্ট করে কবে নাগাদ সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে তিনি এখনই সুনির্দিষ্ট কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারেননি।

​তিতাস কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে একে ‘জাতীয় সংকট’ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হলেও, তাৎক্ষণিক কোনো সমাধান না পেয়ে ক্ষোভে ফুটছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। রান্নার মতো নিত্যদিনের মৌলিক সেবা ব্যাহত হওয়ায় মুন্সীগঞ্জের হাজার হাজার পরিবারে এখন চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।