মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নেত্রকোনায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মমতাজ বেগমের অবহেলায় প্রধান শিক্ষকদের যাতায়াত ভাতার টাকা ফেরত ও বিদ্যালয়ের ইন্টারনেট বিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠেছে। গত ২৯জুন দেওশ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুরা আক্তার শেলী প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সহ বিভিন্ন দপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে অধিদপ্তর এক সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন […]

নেত্রকোনায় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২১ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৬

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মমতাজ বেগমের অবহেলায় প্রধান শিক্ষকদের যাতায়াত ভাতার টাকা ফেরত ও বিদ্যালয়ের ইন্টারনেট বিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠেছে। গত ২৯জুন দেওশ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুরা আক্তার শেলী প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সহ বিভিন্ন দপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে অধিদপ্তর এক সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন। ১৬জুলাই ওই কমিটির সদস্য সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তৌফিকুল ইসলাম আটপাড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে তদন্ত করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশের ন্যায় আটপাড়া উপজেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে ইন্টারনেট বাবদ প্রতি বিদ্যালয়ের জন্য ৬হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়। উপজেলার ১০৩টি বিদ্যালয়ের ৬লাখ ১৮হাজার টাকা বরাদ্দ হয়। এ টাকা সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবে জমা না দিয়ে শিক্ষা কর্মকর্তা নিজেই উত্তোলন করেন। শিক্ষকগণ ইন্টারনেট ভাতা চাইলে ভ্যাট আইটি প্রদান করার কথা বলেন শিক্ষা কর্মকর্তা। এ নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে সন্দেহ হয়। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের প্রধান শিক্ষকের যাতায়াতের ভাতাও পায়নি তারা। শিক্ষা কর্মকর্তার অবহেলায় যাতায়াত ভাতার টাকা ফেরত যায়। 

জানা গেছে, উপজেলার দেহশ্রী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুরা আক্তার শেলী অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে অধিদপ্তর ১৩জুলাই এক সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটির জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা তৌফিকুল ইসলামকে তদন্ত করতে এক চিঠিতে আদেশে দেন। গত ১৬জুলাই তিনি আটপাড়া উপজেলা শিক্ষা করা অফিসে তদন্ত করেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, আটপাড়া উপজেলায় ১০৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এসব বিদ্যালয়ের প্রতি অর্থ বছরের ন্যায় এ বছরও স্লিপের টাকা বরাদ্দ হয়। একই সাথে কয়েকটি বিদ্যালয়ের সংস্কার কাজ করার জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়। এসব কাজের বিল ভাউচার জমা দেওয়ার পর তাদের বরাদ্দকৃত টাকা থেকে ভ্যাট আইটি সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে বাকী টাকা উত্তোলন করতে হয়। প্রত্যেক বিদ্যালয়ের ইন্টারনেট সুবিধার জন্য ছয় হাজার টাকা বরাদ্দ থাকে। এছাড়াও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের প্রতিবছর শিক্ষা অফিস সহ উপজেলা বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য যাতায়াত ভাড়া বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে এক্ষেত্রে বিধি মালা অনুযায়ী শর্ত থাকে উপজেলা থেকে ৮কিলোমিটার এর মধ্যে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের জন্য যাতায়াত ভাড়ার কোন বরাদ্দ থাকে না।

দেওশ্রী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুরা আক্তার শেলী জানান, অফিসের পরামর্শে স্লিপের টাকার ও ইন্টারনেটের ভাতার ভ্যাট ব্যাংকে জমা দিয়েছি। কিন্তু ইন্টারনেট ভাতার টাকা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মহোদয় না জানিয়ে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে তিনি স্লিপ ও ইন্টারনেট ভাতার ভ্যাট হিসেবে কর্তনের কথা জানান। এছাড়াও একটি সিন্ডিকেট করে তিনি প্রধান শিক্ষকদের যাতায়াত ভাতার নয়ছয় করে আত্মসাৎ করেন।

অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে আটপাড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মমতাজ বেগম জানান, বিলম্ব হওয়ার কারণে ইন্টারনেট ভাতার ভ্যাট জমা দেন। পরে ভাতার টাকা উত্তোলন করে শিক্ষকদের দিয়েছি। এখনও আমার ২০হাজার টাকা বিভিন্ন বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের কাছে থেকে পায়নি।  

যাতায়াত ভাতা ফেরত দেওয়ার বিষয় তিনি বলেন শিক্ষকদের তাগাদা দিয়েছি কিন্তু সময় সল্পতার কারণে ভাতার টাকা ফেরত যায়। এখানে আমার কোন অবহেলা নাই।

তদন্ত কমিটির একমাত্র সদস্য সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তৌফিকুল ইসলাম তদন্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আটপাড়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করেছি। আমি এখন প্রশিক্ষণে থাকায় প্রতিবেদনটি পাঠানো হয়নি। প্রশিক্ষণ শেষ করেই প্রতিবেদন পাঠাবো।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।