বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নিজের ফাঁসি চাইলেন এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া

কুমিল্লা-১০ (লালমাই-নাঙ্গলকোট) আসনের এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার নিজের ফাঁসি চেয়ে দেওয়া ফেসবুক পোস্ট কুমিল্লাজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রোববার (১০ মে) দুপুর পৌনে ১২টায় মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া নিজের ‘Mobasher Bhuiyan MP’ আইডিতে এই পোস্ট দেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘আমার ফাঁসি চাই: এই নিউজ মনোযোগ দিয়ে পড়েন। কোন শব্দের জন্য আমার ফাঁসি হওয়া উচিত […]

নিজের ফাঁসি চাইলেন এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া

মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া

নিউজ ডেস্ক

১১ মে ২০২৬, ১০:০৭

কুমিল্লা-১০ (লালমাই-নাঙ্গলকোট) আসনের এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার নিজের ফাঁসি চেয়ে দেওয়া ফেসবুক পোস্ট কুমিল্লাজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

রোববার (১০ মে) দুপুর পৌনে ১২টায় মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া নিজের ‘Mobasher Bhuiyan MP’ আইডিতে এই পোস্ট দেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘আমার ফাঁসি চাই: এই নিউজ মনোযোগ দিয়ে পড়েন। কোন শব্দের জন্য আমার ফাঁসি হওয়া উচিত বলে মনে করেন? কী ছিল এই বৈঠকের উদ্দেশ্য? এই বৈঠকে যাহা বলেছি, যে উদ্যোগ নিয়েছি, সব বাস্তবায়ন করব ইনশাল্লাহ, আমার নির্বাচনি এলাকাকে চাঁদাবাজমুক্ত করবো। সঠিক গণমাধ্যমকর্মী চিহ্নিত করে তাদের প্রত্যক্ষ ভোটে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করবো, হলুদ সাংবাদিকতা বন্ধ করবো।’

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে নাঙ্গলকোট উপজেলা প্রশাসনের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া বলেন, ‘আমি আপনাদের সহযোগিতায় এমপি হই নাই। গত ১৭ বছর আপনাদের কাউকে দেখি নাই নাঙ্গলকোটকে নিয়ে একটি নিউজ করতে। সুতরাং ৫৮ মাস আমার ক্ষমতা আছে। আমি যেভাবে চাই সেভাবে চলতে হবে।’

এই বক্তব্যের একটি ভিডিও রোববার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি নাঙ্গলকোট প্রেস ক্লাব সভাপতি মজিবুর রহমান মোল্লাকে বিএনপির আরেক নেতা আবদুল গফুর ভূঁইয়ার সঙ্গে ছবি দেখিয়ে তাকে বারবার ফ্যাসিস্টের দোসর বলে আখ্যায়িত করেন। এনিয়ে তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো সুযোগ দেননি। স্থানীয় সাংবাদিক মজিবুর রহমান মোল্লাকে তার নিকট ক্ষমা চাইতেও বলেন।

এছাড়া অন্যান্য সাংবাদিকরাও কথা বলতে চাইলে এমপি ধমক দিয়ে তাদেরকে থামিয়ে দেয়। তাদেরকে কোনো কথা বলার সুযোগ না দিয়ে তার একক সিদ্ধান্ত তাদেরকে মানতে হবে বলে শাসান। তার শাসানো নিয়ে কেউ সংবাদ পরিবেশন করলে তাকেও দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করেন। ‎

এসময় এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া তার পাশে বসে থাকা একজনকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, উনিও তথাকথিত বিএনপি। পাশে বসে থাকা অন্য দুই সাংবাদিককে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘এইতো আমার পাশেদি এখানে জামায়াতের আড্ডাখানা আছে। আমি সব জেনেশুনে আজকে বিষপান করতে বসছি। আমি নিঃস্বার্থ-নিঃস্বার্থভাবে আপনাদের সহযোগিতা চাই। আপনাদেরকে সহযোগিতা করতে চাই। যারা আগাই আসবেন আমার দরজা খোলা। যারা আগাই আসবেন না, আসসালামু আলাইকুম।’

এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া আরও বলেন, ‘এখানে একজন সাংবাদিকও কিছু লেখেনি। লিখলে নাঙ্গলকোটের বেহাল দশা থাকত না, আরও উন্নত হতো।’ একপর্যায়ে তিনি নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাব সভাপতি মজিবুর রহমান মোল্লাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আপনি ফ্যাসিস্টের দোসর। আপনার বিরুদ্ধে আমার নিকট অনেক অভিযোগ রয়েছে। আপনি আওয়ামী লীগ করে এখন বিএনপি করছেন। বিএনপি থেকে মনোনয়নপ্রাপ্ত সাবেক সংসদ সদস্য গফুর ভূঁইয়ার পারপাস সার্ভ করেছেন। গফুর ভূঁইয়াকে দিয়ে অনেক বেশি বেনিফিট হয়েছেন। আপনি ফ্যাসিস্টের দোসর। স্ট্রেইট, আই সে ইউ। ফ্যাসিস্টের দোসর। আপনি চ্যালেঞ্জ করছেন? আমার কাছে ডকুমেন্ট আছে। আমি ডকুমেন্ট নিয়ে কথা বলি।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত ১৭ বছর কোনো আওয়ামী লীগের লোকের সঙ্গে আপোস করি নাই। আজকে আপনার সঙ্গে কেন মিটিং করবো। আমি মিটিং করতে অপারগ।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া বলেন, আমি চেয়েছি নাঙ্গলকোট উপজেলায় বিভক্ত তিন সাংবাদিক সংগঠনকে একত্রিত করে তাদের ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে। পেশাদার সাংবাদিকদের একটি কমিটি করে দিতে। তারা এটাকে উল্টোভাবে নিয়েছে। ওই বৈঠকে আমি তাদের বলেছি প্রয়োজনে আমার পক্ষ থেকে আপনাদের একটি ফান্ড দিবো। উল্টো আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করেছে। এজন্য বলেছি আমার ফাঁসি চাই।

সাংবাদিকদের ফ্যাসিস্টের দোসর বলার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, দোসরকে দোসর বলেছি, এতে সমস্যা কোথায়? আমি আমার চাচাকেও ছেড়ে কথা বলিনি। তাকেও ফ্যাসিস্টের দোসর বলেছি।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।