সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজধানী

নির্বাচন ঘিরে রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার, মোড়ে মোড়ে চলছে তল্লাশি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় যানবাহন ও সাধারণ মানুষের তল্লাশি জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সম্ভাব্য নাশকতা, সহিংসতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড় ও প্রবেশপথে একাধিক চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, সিএনজি অটোরিকশা ও মাইক্রোবাসসহ নানা ধরনের যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি […]

নির্বাচন ঘিরে রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার, মোড়ে মোড়ে চলছে তল্লাশি

নির্বাচন ঘিরে রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার, মোড়ে মোড়ে চলছে তল্লাশি

নিউজ ডেস্ক

১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১০

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় যানবাহন ও সাধারণ মানুষের তল্লাশি জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সম্ভাব্য নাশকতা, সহিংসতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড় ও প্রবেশপথে একাধিক চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, সিএনজি অটোরিকশা ও মাইক্রোবাসসহ নানা ধরনের যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি চালাতে দেখা যায় পুলিশকে। যাত্রীদের পরিচয়পত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি সন্দেহজনক মনে হলে ব্যাগ ও যানবাহন তল্লাশি করা হচ্ছে।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন উপলক্ষে কেউ যাতে অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক বা নাশকতামূলক সামগ্রী বহন করতে না পারে, সে লক্ষ্যেই এই বিশেষ অভিযান। পাশাপাশি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে।

সরেজমিনে দুপুরে শাহবাগ এলাকায় দেখা যায়, তল্লাশি চৌকি বসিয়ে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন থামানো হচ্ছে। প্রথমে গাড়ি থামানোর সংকেত দিয়ে চালককে হাত উপরে রাখতে বলা হয়। এরপর শরীর তল্লাশি এবং সঙ্গে থাকা ব্যাগ খুলে পরীক্ষা করা হয়।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, সকাল থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাব, আব্দুল গণি রোড, চানখারপুল, দোয়েল চত্বর, হাতিরপুল, পরীবাগ ও পলাশীসহ বিভিন্ন সড়কে তল্লাশি চালানো হয়েছে। এ সময় কোনো নাশকতামূলক বস্তু পাওয়া যায়নি।

ধানমন্ডি এলাকার ৮/এ, ২৭ নম্বর সড়ক, শুক্রবাদ, সায়েন্সল্যাব মোড়, ধানমন্ডি ১৫ ও জিগাতলা এলাকায়ও তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানান ধানমন্ডি থানার ওসি সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও বিজিবিও পৃথকভাবে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।

পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার মো. শাহরিয়ার আলী জানান, নির্বাচন সামনে রেখে তার বিভাগের ছয়টি থানার আওতায় তল্লাশি ও বিশেষ অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, নির্বাচন ঘিরে রাজধানীর সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। কেউ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের তল্লাশি ও নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এদিকে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর তৎপরতাও বেড়েছে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে গুলশান-বাড্ডা লিংক রোডে র‍্যাব-১ বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালায়। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের শনাক্তে যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি করা হয়।

র‍্যাব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে। দিয়া বাড়ি ক্যাম্পের মেজর গাজী মেহেদী হাসান এক ব্রিফিংয়ে বলেন, ভোটাররা যাতে নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে যেতে ও ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে যৌথবাহিনী মাঠে থাকবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে ভোটের দিন এবং ভোটগ্রহণের পরও এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহাল থাকবে।

রাজধানী

আত্মহত্যার আগে ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট,‘তোমার অভাবেই শেষ হয়ে গেলাম’

রাজধানীর ডেমরা পুলিশ লাইন্সে সাইদুল ইসলাম (২১) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে জানিয়েছে পুলিশ। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় নয় মাস আগে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে যোগ দেন সাইদুল। […]

আত্মহত্যার আগে ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট,‘তোমার অভাবেই শেষ হয়ে গেলাম’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ জুলাই ২০২৬, ১৭:৫৩

রাজধানীর ডেমরা পুলিশ লাইন্সে সাইদুল ইসলাম (২১) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় নয় মাস আগে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে যোগ দেন সাইদুল। তিনি ডেমরা পুলিশ লাইন্সের একটি বহুতল ভবনের নবম তলায় থাকতেন। বৃহস্পতিবার রাতে নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দেন বলে অভিযোগ। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান।

ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ত্রীকে নিয়ে কিছু পুরোনো ছবি সংযুক্ত করে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন সাইদুল। ওই পোস্টে তিনি ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন, মানসিক কষ্ট এবং পরিবারের কাছে ক্ষমা চাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি আত্মহত্যার চিন্তা বা তীব্র মানসিক সংকটে ভুগে থাকেন, তাহলে বিশ্বস্ত পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করা গুরুত্বপূর্ণ। জরুরি ঝুঁকি থাকলে স্থানীয় জরুরি সেবার সহায়তা নেওয়া উচিত।

রাজধানী

পল্লবীতে ৭ বছরের শিশুকে গলা কেটে হত্যা: অভিযুক্ত সোহেল ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার জানান, আসামিকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। এর আগে আজ বেলা সাড়ে ১১টার […]

নিউজ ডেস্ক

১৯ মে ২০২৬, ২২:৪৬

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার জানান, আসামিকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

এর আগে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর–১১ নম্বরের সেকশনের বি ব্লকের সাত নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির তিনতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। শিশুটিকে হত্যার পর তার মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। বিচ্ছিন্ন মাথা শৌচাগারে পাওয়া যায়। শিশুটির শরীরের মূল অংশটি পাওয়া যায় খাটের নিচ থেকে।

পুলিশ জানায়, সোহেল রানা ওই কক্ষে দুই মাস আগে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। ঘটনার পর তিনি শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। তবে ওই বাসা থেকে তাঁর স্ত্রীকে তখনই আটক করা হয়।

পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, শিশুটির নিখোঁজের এক ঘণ্টার মধ্যেই পাশের ফ্ল্যাট থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। শিশুটিকে হত্যা করা হয় আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে। ৯৯৯ নম্বরে সংবাদ পেয়ে বেলা ১১টার পর শিশুটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ ও পরিবার জানায়, রামিসা আক্তার স্থানীয় একটি স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত। তাঁর বাবার নাম আবদুল হান্নান মোল্লা। তিনি একটি রিকুটিং এজেন্সিতে চাকরি করেন। মায়ের নাম পারভীন আক্তার। তাঁদের দুই মেয়ের মধ্যে রামিসা ছোট। বড় মেয়ে রাইসা আক্তার স্থানীয় একটি স্কুলের নবম শ্রেণিতে পড়ে।

পরিবারটি প্রায় ১৭ বছর ধরে পল্লবীর মিরপুর–১১ নম্বরের সেকশনের বি ব্লকের সাত নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির তিনতলার উত্তর
পাশের ফ্ল্যাটে বসবাস করছে। শিশুটির লাশ পাওয়া যায় পাশের ফ্ল্যাটের একটি কক্ষ থেকে।

রাজধানী

জাহাঙ্গীর গেইটের রাস্তায় লাশ , পাশে ভাঙাচোরা বাইক

রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেইট এলাকার রাস্তায় এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলের পাশে একটি ভাঙাচোরা মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে ওই ব্যক্তির সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রোববার রাতে জাহাঙ্গীর গেইটের সড়কে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানা গেছে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা […]

জাহাঙ্গীর গেইটের রাস্তায় লাশ , পাশে ভাঙাচোরা বাইক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:১৬

রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেইট এলাকার রাস্তায় এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলের পাশে একটি ভাঙাচোরা মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে ওই ব্যক্তির সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

রোববার রাতে জাহাঙ্গীর গেইটের সড়কে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানা গেছে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা মোটরসাইকেলটির বিভিন্ন অংশ ভাঙাচোরা অবস্থায় ছিল।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো দুর্ঘটনার পর ওই ব্যক্তি রাস্তায় পড়ে থাকতে পারেন। তবে কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে এবং নিহত ব্যক্তি মোটরসাইকেলটির চালক ছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনার খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন বলে জানা গেছে। নিহত ব্যক্তির পরিচয় এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা চলছে।