সোমবার, ১১ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

গাজীপুর-৫ থেকে বিপুল বিজয় , মন্ত্রিসভায় দেখতে চান এলাকাবাসী এ কে এম ফজলুল হক মিলনকে

মোঃআতেফ ভূঁইয়া , গাজীপুর (সদর) প্রতিনিধি: এ কে এম ফজলুল হক মিলন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৫ আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয় অর্জনের পর স্থানীয় জনমনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তুলেছেন এলাকার সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ […]

গাজীপুর-৫ থেকে বিপুল বিজয় , মন্ত্রিসভায় দেখতে চান এলাকাবাসী এ কে এম ফজলুল হক মিলনকে

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:১৫

মোঃআতেফ ভূঁইয়া , গাজীপুর (সদর) প্রতিনিধি:

এ কে এম ফজলুল হক মিলন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর-৫ আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয় অর্জনের পর স্থানীয় জনমনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তুলেছেন এলাকার সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ জনগণ।

‘গাজীপুর থেকে কে হচ্ছেন নতুন মন্ত্রী?’

স্থানীয় চায়ের দোকান থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সবখানেই এখন একটাই প্রশ্ন: গাজীপুর থেকে কে হচ্ছেন নতুন মন্ত্রী? আলোচনায় সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত নাম সাবেক ছাত্রনেতা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অভিজ্ঞ এই নেতা।

ছাত্ররাজনীতি থেকে জাতীয় নেতৃত্বে

রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, ছাত্রজীবনেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন ফজলুল হক মিলন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-এ যোগ দেন। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে প্রচার সম্পাদক, যুগ্ম আহ্বায়ক, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক (অনার্স) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ঢাকা কলেজ-এ অধ্যয়নকালে ছাত্রদলের প্রথম কমিটির সদস্য হিসেবেও সক্রিয় ছিলেন।

ছাত্ররাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক, বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক এবং বৃহত্তর ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বর্তমানে তিনি গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

আন্দোলন-সংগ্রাম ও কারাবরণ

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে তিনি একাধিকবার কারাবরণ করেন। রাজনৈতিক জীবনে সাতবার কারাবন্দি হওয়া ছাড়াও তার বিরুদ্ধে ৬৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল বলে দলীয় সূত্র জানায়। এসব প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তিনি রাজনৈতিক অবস্থানে অবিচল ছিলেন।

আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা ও নীতিনির্ধারণী ভূমিকা

ফজলুল হক মিলন দুইবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সংসদ সদস্য থাকাকালে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর আমন্ত্রণে সিঙ্গাপুরে একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশ নেন এবং যুক্তরাজ্যের হাউজ অব কমন্স-এর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের সুযোগ পান। ছাত্রদলের সভাপতি থাকাকালে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর সফরসঙ্গী হিসেবে সার্ক সম্মেলনেও অংশগ্রহণ করেন।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা

স্থানীয় ছাত্রদল নেতা মো. মাহাথির ভূঁইয়া বলেন, “ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা একজন জাতীয় নেতার সঙ্গে তরুণ প্রজন্মের একটি স্বাভাবিক সংযোগ রয়েছে। উন্নত ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে তাকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।”

পুবাইল থানা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক সোহেল খান বলেন, “মিলন ভাইয়ের বিজয় গাজীপুর-৫ এর মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন। তিনি দলের দুঃসময়ে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে এলাকার উন্নয়ন আরও বেগবান হবে।”

সোনারগাঁ হোটেলের কর্মকর্তা আব্দুল হক ভূঁইয়া মানিকের মতে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা তাকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে এসেছে। ফলে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে যে আলোচনা চলছে, তা পুরোপুরি অমূলক নয়।

গাজীপুরবাসীর প্রত্যাশা এখন একটাই—তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধির নেতৃত্বে উন্নয়ন ও কার্যকর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হোক জাতীয় পর্যায়ে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।