রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

টাঙ্গাইলে মোট ভোটকেন্দ্রের ১৫ শতাংশ ঝুঁকিপূর্ণ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের ৮টি সংসদীয় আসনের এক হাজার ৬৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৬০টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে- যা মোট ভোটকেন্দ্রের প্রায় ১৫.০৫ শতাংশ। এর মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৩:৫৫

আব্দুল্লাহ আল মামুন, টাঙ্গাইল

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের ৮টি সংসদীয় আসনের এক হাজার ৬৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৬০টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে- যা মোট ভোটকেন্দ্রের প্রায় ১৫.০৫ শতাংশ। এর মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জেলা নির্বাচন অফিস ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলার ৮টি সংসদীয় আসনে এবার মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে এক হাজার ৬৩টি। এর মধ্যে ১৬০টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ও ৯০৩টি ভোটকেন্দ্রকে সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মোট ভোট কক্ষ রয়েছে ৬ হাজার ৩৪১টি। এসব আসনে মোট ভোটার রয়েছেন ৩৩ লাখ ৩৪ হাজার ৪২৭ জন। এরমধ্যে মধ্যে নারী ভোটার রয়েছে ১৬ লাখ ৬২ হাজার ৭৭২ জন, পুরুষ ভোটার ১৬ লাখ ৭১ হাজার ৬৩০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২৫ জন।

সূত্রমতে, টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে ১৪৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৭টি ঝুঁকিপূর্ণ। এরমধ্যে মধুপুরে ১৫ এবং ধনবাড়ী উপজেলায় ১২টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। এ আসনে ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৪৩৩ জন ভোটারের জন্য ভোট কক্ষ রয়েছে ৮৪০টি। টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে ১৩৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩৩টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। এর মধ্যে গোপালপুরে ১৫টি এবং ভূঞাপুর উপজেলায় ১৮টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। ৪ লাখ ১৮ হাজার ৬০৬ জন ভোটারের এ আসনে ভোট কক্ষ রয়েছে ৮০০টি। টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনটি ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনে মোট ১২২টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। ৩ লাখ ৮২ হাজার ৭২০ জন ভোটারের এ আসনে ভোট কক্ষ রয়েছে ৭১৩টি। টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনটি ২টি পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনে ১১৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১টি কেন্দ্র ঝুঁঁকিপূর্ণ। এ আসনের ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৯১৭ জন ভোটারের জন্য ভোট কক্ষ রয়েছে ৬৮৪টি।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনটি ১টি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনে ১৩০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২২টি ঝুঁকিপূর্ণ। এ আসনের ৪ লাখ ৬২ হাজার ৪১২ জন ভোটারের জন্য ভোটকক্ষ রয়েছে ৯১০টি। টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনটি ২০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনের ১৫৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩১টি ঝুঁকিপূর্ণ। এর মধ্যে দেলদুয়ার উপজেলায় ১৬টি এবং নাগরপুর উপজেলায় ১৫টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। এ আসনের দুই উপজেলায় ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৬ জন ভোটারের জন্য ভোট কক্ষ রয়েছে ৮৮৪টি। টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনটি ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনে ১২৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১২টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। এ আসনে ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৪৩৭ জন ভোটারের জন্য ভোটকক্ষ রয়েছে ৭২৬টি। টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনটি ২টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনে ১৩১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৩টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। এর মধ্যে বাসাইল উপজেলায় ৫টি এবং সখীপুর উপজেলায় ৮টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। এ আসনে ৪ লাখ ১৪ হাজার ৮২৬ জন ভোটারের জন্য ভোটকক্ষ রয়েছে ৭৮৪টি।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়- দূরবর্তী, যানবাহন আসা-যাওয়ায় অসুবিধা, দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা এবং প্রার্থীর বাড়ির সামনে ভোটকেন্দ্র বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, তাদের সব কেন্দ্রগুলো ভোটগ্রহণের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নির্বাচনে সব কেন্দ্রেই পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি নিডিশ্চত করা হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণভাবে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।