শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য

১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশে হাসপাতাল বানাচ্ছে তুরস্ক

“দেশে আইভিএফ চিকিৎসা সেবা ধীরে ধীরে উন্নত হচ্ছে, কিন্তু তা পর্যাপ্ত নয়। ফলে রোগীরা এখনো ভারত, সিঙ্গাপুর বা তুরস্কে যাচ্ছেন। আমরা চাই এই চিকিৎসা দেশেই সাশ্রয়ী ও বিশ্বমানেরভাবে পৌঁছে দিতে।”

নিউজ ডেস্ক

০৬ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:২৩

বাংলাদেশে বন্ধ্যত্বের চিকিৎসা এখনো একটি অবহেলিত স্বাস্থ্যখাত। দেশে সরকারিভাবে কোনো বিশেষায়িত বন্ধ্যত্ব হাসপাতাল না থাকায় প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক দম্পতি চিকিৎসার জন্য দেশ ছাড়ছেন। তবে এবার এ খাতে বড় বিনিয়োগ আনতে যাচ্ছে তুরস্কের ওকান ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে অত্যাধুনিক ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (আইভিএফ) হাসপাতাল নির্মাণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

সূত্র জানায়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শাখা থাকা এই তুর্কি বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালটি বাংলাদেশে তাদের প্রথম আইভিএফ বিশেষায়িত ইউনিট স্থাপন করতে চায়। প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে তুরস্ক সরকারের অনুমোদিত মেডিকেল ট্যুরিজম কোম্পানি টার্কিশডক। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী বছরের শেষ নাগাদ হাসপাতালটির নির্মাণকাজ শুরু হবে, যার আনুমানিক ব্যয় ১০০ কোটি টাকা।

টার্কিশডকের কান্ট্রি হেড এম নুরুজ্জামান রাজু জানান, শুরুতে তুরস্কের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বাংলাদেশি চিকিৎসকদের সঙ্গে কাজ করবেন এবং হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেবেন। দুই বছর পর হাসপাতালটি পুরোপুরি স্থানীয় চিকিৎসকদের দ্বারা পরিচালিত হবে। তিনি বলেন,

“দেশে আইভিএফ চিকিৎসা সেবা ধীরে ধীরে উন্নত হচ্ছে, কিন্তু তা পর্যাপ্ত নয়। ফলে রোগীরা এখনো ভারত, সিঙ্গাপুর বা তুরস্কে যাচ্ছেন। আমরা চাই এই চিকিৎসা দেশেই সাশ্রয়ী ও বিশ্বমানেরভাবে পৌঁছে দিতে।”

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বে প্রায় ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ দম্পতি বন্ধ্যত্ব সমস্যায় ভুগছেন। বাংলাদেশের মতো নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে এই হার ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। প্রজনন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের মোট বন্ধ্যত্বে ভোগা দম্পতির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বিদেশে চিকিৎসা নিতে যান।

তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর প্রায় ১০ লাখ বাংলাদেশি রোগী বিভিন্ন কারণে বিদেশে চিকিৎসা নিতে যান, যার একটি বড় অংশই বন্ধ্যত্ব নিরাময়ের জন্য। ভারতে এই চিকিৎসার খরচ ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা, আর তুরস্কে একই চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় প্রায় অর্ধেক খরচে—৮ থেকে ১০ লাখ টাকায়, যেখানে থাকা-খাওয়া ও যাতায়াতও অন্তর্ভুক্ত।

টার্কিশডকের প্রধান নির্বাহী ফাইক গকসু বলেন, “তুরস্ক বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ চিকিৎসা সেবা প্রদানকারী দেশ। আমাদের লক্ষ্য, তুরস্কের আধুনিক প্রযুক্তি, নৈতিক চিকিৎসা পদ্ধতি ও প্রশিক্ষণ বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া। বাংলাদেশে আইভিএফ চিকিৎসা শুধু একটি ক্লিনিক নয়, বরং এটি হবে একটি যৌথ রেফারেন্স সেন্টার, যেখানে তুর্কি ও বাংলাদেশি চিকিৎসকরা একসঙ্গে কাজ করবেন।”

তিনি জানান, হাসপাতালের প্রথম ধাপে থাকবে আইভিএফ, জেনেটিক স্ক্রিনিং এবং নারীদের প্রজননস্বাস্থ্য বিভাগ। পরবর্তী ধাপে লিভার, কিডনি ও বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেবা চালু করা হবে। তুরস্কে তাদের আইভিএফ চিকিৎসায় সফলতার হার ৭০ শতাংশের বেশি, এবং চিকিৎসায় শুধু দম্পতির নিজস্ব জেনেটিক উপাদান ব্যবহৃত হয়, যা ইসলামি চিকিৎসা নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

ফাইক গকসু আরও বলেন, “বাংলাদেশে বড় সমস্যা অবকাঠামো নয়, বরং ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ঘাটতি এবং বিশেষজ্ঞ জনবলের অভাব। আমরা তুর্কি প্রযুক্তির মাধ্যমে রিমোট ডায়াগনোসিস, যৌথ সার্জারি ও চিকিৎসক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করব। বিশেষ করে তুরস্কের ‘জিরো ইনফেকশন সার্জিক্যাল মডেল’ বাংলাদেশে প্রয়োগ করা হবে, যাতে রোগীরা নিরাপদ, দ্রুত ও সাশ্রয়ী চিকিৎসা পান।”

বাংলাদেশে এ হাসপাতাল চালু হলে প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা রক্ষা সম্ভব হবে, একইসঙ্গে দেশের চিকিৎসকরা আন্তর্জাতিকমানের প্রযুক্তি ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

অন্যান্য

গোলাম পরওয়ার মাসির বাড়িতে এসে পিসির নামে মিথ্যা কথা বলে গেলেন

ভোলা-১ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের প্রতিবাদে ভোলায় বিক্ষোভ করেছে দলটির নেতাকর্মীরা। বক্তারা বলেন, গোলাম পরওয়ার পার্থর নামে উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যাচার করেছেন। সোমবার (১৫ জুন) রাতে ভোলা শহরের নতুন জেলা বিজেপির কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ প্রতিবাদ সমাবেশ […]

গোলাম পরওয়ার মাসির বাড়িতে এসে পিসির নামে মিথ্যা কথা বলে গেলেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৬ জুন ২০২৬, ১০:৫২

ভোলা-১ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের প্রতিবাদে ভোলায় বিক্ষোভ করেছে দলটির নেতাকর্মীরা। বক্তারা বলেন, গোলাম পরওয়ার পার্থর নামে উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যাচার করেছেন।

সোমবার (১৫ জুন) রাতে ভোলা শহরের নতুন জেলা বিজেপির কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

জানা গেছে, শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে ভোলা জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় উপস্থিত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন গোলাম পরওয়ার। ভোলা সদর আসনের এমপি পার্থকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি ভোলার মানুষের কাছে আসেন না, উলটো মানুষকে কষ্ট করে ঢাকায় যেতে হয় তার কাছে। নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি সংসদে ভোলার সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে জোরালো দাবি জানান না, অথচ সরকারকে খুশি করতে সুযোগ পেলেই জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কথা বলেন।

এদিকে প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে জেলা বিজেপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রতন বলেন, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার মাসির বাড়িতে এসে পিসির নামে একটি মিথ্যা কথা বলে গেলেন। এতো বড় মিথ্যা কথা ভোলার মানুষ আর শোনেনি বলে আমার মনে হয়। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেই বরিশালের জনসভায় ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ভোলা-বরিশাল সেতুর কথা বলেছেন। তিনি জাতীয় সংসদে ভোলা-বরিশাল সেতু, মেডিকেল কলেজ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজনসহ ভোলার নানা সমস্যার কথা সংসদে তুলে ধরেছেন। যে কোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তো সময়ের প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আমি জানতে চাই, গোলাম পরওয়ার কিভাবে দায়িত্বশীল জায়গা থেকে এমন অসত্য কথা প্রচার করেছেন। অথচ তার নিজের এলাকাতেই নিজের ঠাঁই নেই। নির্বাচন হয়েছে সবেমাত্র কয়েকমাস হল, অথচ গোলাম পরওয়ার আলাদিনের চেরাগের মতো সব দেখতে চান। বাংলাদেশের মানুষ যদি তাদের সব কথা বিশ্বাস করতো, তাহলে তারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকতো। আমি মনে করি, জামায়াতের ভাওতাবাজির কথা এদেশের মানুষ কোনোদিন গ্রহণ করে নাই। ভোলার উন্নয়নের জন্য পার্থর বিকল্প আর কেউ নেই।  এছাড়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান ও জানান তিনি।

সমাবেশে জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মোত্তাছিন বিল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মো. নুরনবী। ভোলা সদর উপজেলার বিজেপির সভাপতি আব্দুল জলিল ও সাধারণ সম্পাদক মো.বুলবুল প্রমুখ বক্তব্য দেন। এছাড়া বিজেপি ও তাদের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

অন্যান্য

নেত্রকোনা ও সিলেটে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু

নেত্রকোনার কেন্দুয়া ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ফেঞ্চুগঞ্জের হাকালুকি হাওড় এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে তিন জেলে প্রাণ হারান। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এসব ঘটনা ঘটে। নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় বজ্রপাতে নিহত দুজন হলেন মাসকা ইউনিয়নের দিগলী গ্রামের শামসুল হুদা এবং সান্দিকোনা ইউনিয়নের ডাউকি গ্রামের আশরাফুল ইসলাম। শামসুল হুদা মুড়াই বিলে মাছ […]

নেত্রকোনা ও সিলেটে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

১৮ জুন ২০২৬, ১৯:৩৭

নেত্রকোনার কেন্দুয়া ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ফেঞ্চুগঞ্জের হাকালুকি হাওড় এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে তিন জেলে প্রাণ হারান।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এসব ঘটনা ঘটে।

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় বজ্রপাতে নিহত দুজন হলেন মাসকা ইউনিয়নের দিগলী গ্রামের শামসুল হুদা এবং সান্দিকোনা ইউনিয়নের ডাউকি গ্রামের আশরাফুল ইসলাম। শামসুল হুদা মুড়াই বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হন। অন্যদিকে আশরাফুল ইসলামকে মরাপুড়ি ডোবা এলাকা থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ জানান, বজ্রপাতেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বাঘমারা এলাকার জুড়ি নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে তিন জেলে প্রাণ হারান। নিহতরা হলেন মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার কামালপুর গ্রামের ছাবির মিয়া (৪০), হামিদ (৪৫) ও কাবিল (৩৫)। হামিদ ও কাবিল আপন দুই ভাই।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে বৃষ্টির মধ্যে হাকালুকি হাওড় এলাকায় মাছ ধরার সময় তারা বজ্রপাতের শিকার হন। ঘটনাস্থলেই ছাবির মিয়া ও হামিদের মৃত্যু হয়। বজ্রপাতের পর কাবিল নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। পরে তাকে মৃত হিসেবে শনাক্ত করা হয় এবং উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হয়।

ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ওসি আবু জাফর মোহাম্মদ মাহফুজুল কবির বলেন, উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

অন্যান্য

আড়াইহাজারে ডিবির ওপর হামলা, আহত ৩ পুলিশ সদস্য হাসপাতালে

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে একটি মামলার আসামি গ্রেপ্তারের অভিযানে গিয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তিন সদস্য হামলার শিকার হয়ে আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার উচিতপুরা ইউনিয়নের শান্তিনগর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন এসআই মামুন মাতুব্বর, এএসআই আমান উল্লাহ ও কনস্টেবল কবির আহম্মেদ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা ডিবি দক্ষিণ বিভাগের চার সদস্যের একটি দল […]

আড়াইহাজারে ডিবির ওপর হামলা, আহত ৩ পুলিশ সদস্য হাসপাতালে

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

১৯ জুন ২০২৬, ১০:০৬

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে একটি মামলার আসামি গ্রেপ্তারের অভিযানে গিয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তিন সদস্য হামলার শিকার হয়ে আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার উচিতপুরা ইউনিয়নের শান্তিনগর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন এসআই মামুন মাতুব্বর, এএসআই আমান উল্লাহ ও কনস্টেবল কবির আহম্মেদ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা ডিবি দক্ষিণ বিভাগের চার সদস্যের একটি দল একটি মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় আসামিপক্ষের লোকজন তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে আহত তিন সদস্যকে একটি পিকআপ ভ্যানে করে শান্তিনগর বাজারে নিয়ে গিয়ে আবারও মারধর করা হয়।

খবর পেয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়।

আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজেল হোসেন জানান, ইউনিফর্ম না থাকায় ডিবি সদস্যরা জনরোষের শিকার হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

তিনি আরও জানান, অভিযানে থাকা অপর সদস্য কনস্টেবল আকাশ পাশের একটি ওয়াশরুমে অবস্থান করায় হামলার শিকার হননি। এ ঘটনায় ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি জব্দ করে থানা পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।