রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

ওয়েলফেয়ার মডেল ও ভালো মানুষের রাজনীতিই জামায়াতের ‘সিগনেচার পয়েন্ট’: মির্জা গালিব

বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির স্বাতন্ত্র্য কোথায়—এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে ‘ওয়েলফেয়ার রাজনীতি’ এবং ‘ভালো মানুষের রাজনীতি’কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হিসেবে তুলে ধরেছেন লেখক ও বিশ্লেষক মির্জা গালিব। সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রচলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে অনেকেই রাজনীতিতে আসেন ক্ষমতা, অর্থ কিংবা ব্যক্তিগত পরিচিতি অর্জনের উদ্দেশ্যে। তবে জামায়াত-শিবিরের মধ্যে […]

ওয়েলফেয়ার মডেল ও ভালো মানুষের রাজনীতিই জামায়াতের ‘সিগনেচার পয়েন্ট’: মির্জা গালিব

মির্জা গালিব

ডেস্ক রিপোর্ট

১৯ জুন ২০২৬, ১০:৫২

বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির স্বাতন্ত্র্য কোথায়—এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে ‘ওয়েলফেয়ার রাজনীতি’ এবং ‘ভালো মানুষের রাজনীতি’কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হিসেবে তুলে ধরেছেন লেখক ও বিশ্লেষক মির্জা গালিব।

সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রচলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে অনেকেই রাজনীতিতে আসেন ক্ষমতা, অর্থ কিংবা ব্যক্তিগত পরিচিতি অর্জনের উদ্দেশ্যে। তবে জামায়াত-শিবিরের মধ্যে নিজের অর্থ ব্যয় করে মানুষের কল্যাণে কাজ করার একটি সংস্কৃতি রয়েছে, যা তাদের রাজনৈতিক দর্শনের অংশ।

মির্জা গালিবের ভাষ্য অনুযায়ী, জামায়াত-শিবিরের রাজনৈতিক দর্শনে রাজনীতি একটি ‘ইবাদত’ হিসেবে বিবেচিত হয়। এ কারণে সংগঠনটি বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে। তিনি মনে করেন, এই সাংগঠনিক সংস্কৃতির সম্প্রসারণ রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রেও প্রতিফলিত হতে পারে, যেখানে জনগণের করের অর্থ জনগণের কল্যাণে ব্যয় করার প্রবণতা গুরুত্ব পাবে।

পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, জামায়াতের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রে সংযমী হওয়া উচিত। তিনি বলেন, আইনগতভাবে বৈধ হলেও অতিরিক্ত সুবিধা গ্রহণ দলটির ঘোষিত রাজনৈতিক দর্শনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। এ প্রসঙ্গে তিনি জামায়াত আমিরের সাম্প্রতিক বক্তব্যের উল্লেখ করে বলেন, দলের সংসদ সদস্যরা ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি গ্রহণ করবেন না—এ ধরনের অবস্থান জনগণের কাছে ওয়েলফেয়ার রাজনীতির বার্তা পৌঁছে দিতে সহায়ক।

অন্যদিকে ‘ভালো মানুষের রাজনীতি’কে জামায়াতের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হিসেবে উল্লেখ করেন মির্জা গালিব। তার মতে, সমাজে অনেক সৎ ও যোগ্য মানুষ রয়েছেন, যারা সাধারণত রাজনৈতিক অঙ্গনে আসতে আগ্রহী হন না। কারণ রাজনীতিতে নানা ধরনের ঝুঁকি, নির্যাতন ও অনিশ্চয়তা রয়েছে। তবে আদর্শিক প্রেরণার মাধ্যমে জামায়াত-শিবির এসব মানুষকে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করতে সক্ষম হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি মনে করেন, বর্তমানে জাতীয় রাজনীতিতে জামায়াতের অবস্থান আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ। তাই দলটির উচিত এমন আচরণ ও নীতিগত অবস্থান গ্রহণ করা, যা তাদেরকে অন্যান্য রাজনৈতিক দল থেকে পৃথক হিসেবে তুলে ধরবে এবং জনগণের কাছে তাদের কল্যাণভিত্তিক রাজনৈতিক মডেলের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করবে।

ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে মির্জা গালিব বলেন, কোনো আইন বা সরকারি বরাদ্দ যদি দলের ঘোষিত রাজনৈতিক দর্শনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়, তাহলে তার বিরোধিতা করাই উচিত। একই সঙ্গে তিনি এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান, যা জনগণের কাছে জামায়াতের ওয়েলফেয়ার রাজনীতির ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

অন্যান্য খবর

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়। ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর […]

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৫৭

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়।

ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে দলটির মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি আবু সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

এর মধ্য দিয়ে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের সম্ভাব্য প্রার্থী সামনে আনল জামায়াতে ইসলামী।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৩৬

অন্যান্য খবর

জুলাই যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষায় সরকার প্রস্তুত: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ জন্য প্রয়োজনীয় যেকোনো ধরনের আইনি সুরক্ষা দিতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৩০০ ধারায় দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রোকেয়া বেগম অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীরা আইনি […]

জুলাই যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষায় সরকার প্রস্তুত: আইনমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

২৩ জুন ২০২৬, ২১:০১

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ জন্য প্রয়োজনীয় যেকোনো ধরনের আইনি সুরক্ষা দিতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৩০০ ধারায় দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রোকেয়া বেগম অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীরা আইনি সুরক্ষা পেলেও রাজনৈতিক সুরক্ষা পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি। তার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন আইনমন্ত্রী।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বর্তমান সরকার জুলাই আন্দোলন এবং এর অংশগ্রহণকারীদের আইনি কাঠামোর আওতায় এনে সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে। তার মতে, এই আইনি সুরক্ষা রাজনৈতিক সুরক্ষারও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

তিনি আরও বলেন, জুলাই চেতনায় বিশ্বাসী সরকার টেকসই সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আইনগত ব্যবস্থাকেই সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করে।

আইনমন্ত্রী জানান, জুলাই যোদ্ধাদের জন্য অতিরিক্ত কোনো সুরক্ষা বা ব্যবস্থা প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে সংসদ সদস্যদের প্রস্তাব সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

অন্যান্য খবর

‘তারেক রহমান বিদেশনীতিতে নাহিদ ইসলামের পথ অনুসরণ করছেন’ : এনসিপি নেত্রী মনিরা শাররমিন

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ার পথে রওনা হয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (২১ জুন) দুপুর পৌনে ৩টায় তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশের একটি বিশেষ ফ্লাইট ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর ত্যাগ করে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী তার এ সফরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ‘বিদেশনীতি’ অনুসরণ করছেন বলে মনে করেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ‘জাতীয় নারীশক্তি’-র […]

নিউজ ডেস্ক

২১ জুন ২০২৬, ১৮:৫৪

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ার পথে রওনা হয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (২১ জুন) দুপুর পৌনে ৩টায় তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশের একটি বিশেষ ফ্লাইট ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর ত্যাগ করে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী তার এ সফরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ‘বিদেশনীতি’ অনুসরণ করছেন বলে মনে করেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ‘জাতীয় নারীশক্তি’-র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এমন দাবি করেন।

মনিরা শারমিন লিখেছেন, ‘নাহিদ ইসলাম যেন সবকিছুতেই এ জাতির কাণ্ডারি হয়ে উঠছেন। প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়া দ্বিতীয় সফর চীনে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদেশনীতিতে নাহিদ ইসলামের পথ অনুসরণ করছেন, মালয়েশিয়া হয়ে চীনে যাচ্ছেন।’

তবে নাহিদ ইসলামের ‘বিদেশনীতির’ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি পোস্টে।

‘তারেক রহমান বিদেশনীতিতে নাহিদ ইসলামের পথ অনুসরণ করছেন’