মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য

১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশে হাসপাতাল বানাচ্ছে তুরস্ক

“দেশে আইভিএফ চিকিৎসা সেবা ধীরে ধীরে উন্নত হচ্ছে, কিন্তু তা পর্যাপ্ত নয়। ফলে রোগীরা এখনো ভারত, সিঙ্গাপুর বা তুরস্কে যাচ্ছেন। আমরা চাই এই চিকিৎসা দেশেই সাশ্রয়ী ও বিশ্বমানেরভাবে পৌঁছে দিতে।”

নিউজ ডেস্ক

০৬ নভেম্বর ২০২৫, ০৭:২৩

বাংলাদেশে বন্ধ্যত্বের চিকিৎসা এখনো একটি অবহেলিত স্বাস্থ্যখাত। দেশে সরকারিভাবে কোনো বিশেষায়িত বন্ধ্যত্ব হাসপাতাল না থাকায় প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক দম্পতি চিকিৎসার জন্য দেশ ছাড়ছেন। তবে এবার এ খাতে বড় বিনিয়োগ আনতে যাচ্ছে তুরস্কের ওকান ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে অত্যাধুনিক ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (আইভিএফ) হাসপাতাল নির্মাণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

সূত্র জানায়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শাখা থাকা এই তুর্কি বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালটি বাংলাদেশে তাদের প্রথম আইভিএফ বিশেষায়িত ইউনিট স্থাপন করতে চায়। প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে তুরস্ক সরকারের অনুমোদিত মেডিকেল ট্যুরিজম কোম্পানি টার্কিশডক। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী বছরের শেষ নাগাদ হাসপাতালটির নির্মাণকাজ শুরু হবে, যার আনুমানিক ব্যয় ১০০ কোটি টাকা।

টার্কিশডকের কান্ট্রি হেড এম নুরুজ্জামান রাজু জানান, শুরুতে তুরস্কের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বাংলাদেশি চিকিৎসকদের সঙ্গে কাজ করবেন এবং হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেবেন। দুই বছর পর হাসপাতালটি পুরোপুরি স্থানীয় চিকিৎসকদের দ্বারা পরিচালিত হবে। তিনি বলেন,

“দেশে আইভিএফ চিকিৎসা সেবা ধীরে ধীরে উন্নত হচ্ছে, কিন্তু তা পর্যাপ্ত নয়। ফলে রোগীরা এখনো ভারত, সিঙ্গাপুর বা তুরস্কে যাচ্ছেন। আমরা চাই এই চিকিৎসা দেশেই সাশ্রয়ী ও বিশ্বমানেরভাবে পৌঁছে দিতে।”

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বে প্রায় ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ দম্পতি বন্ধ্যত্ব সমস্যায় ভুগছেন। বাংলাদেশের মতো নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে এই হার ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। প্রজনন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের মোট বন্ধ্যত্বে ভোগা দম্পতির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বিদেশে চিকিৎসা নিতে যান।

তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর প্রায় ১০ লাখ বাংলাদেশি রোগী বিভিন্ন কারণে বিদেশে চিকিৎসা নিতে যান, যার একটি বড় অংশই বন্ধ্যত্ব নিরাময়ের জন্য। ভারতে এই চিকিৎসার খরচ ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা, আর তুরস্কে একই চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায় প্রায় অর্ধেক খরচে—৮ থেকে ১০ লাখ টাকায়, যেখানে থাকা-খাওয়া ও যাতায়াতও অন্তর্ভুক্ত।

টার্কিশডকের প্রধান নির্বাহী ফাইক গকসু বলেন, “তুরস্ক বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ চিকিৎসা সেবা প্রদানকারী দেশ। আমাদের লক্ষ্য, তুরস্কের আধুনিক প্রযুক্তি, নৈতিক চিকিৎসা পদ্ধতি ও প্রশিক্ষণ বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া। বাংলাদেশে আইভিএফ চিকিৎসা শুধু একটি ক্লিনিক নয়, বরং এটি হবে একটি যৌথ রেফারেন্স সেন্টার, যেখানে তুর্কি ও বাংলাদেশি চিকিৎসকরা একসঙ্গে কাজ করবেন।”

তিনি জানান, হাসপাতালের প্রথম ধাপে থাকবে আইভিএফ, জেনেটিক স্ক্রিনিং এবং নারীদের প্রজননস্বাস্থ্য বিভাগ। পরবর্তী ধাপে লিভার, কিডনি ও বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেবা চালু করা হবে। তুরস্কে তাদের আইভিএফ চিকিৎসায় সফলতার হার ৭০ শতাংশের বেশি, এবং চিকিৎসায় শুধু দম্পতির নিজস্ব জেনেটিক উপাদান ব্যবহৃত হয়, যা ইসলামি চিকিৎসা নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

ফাইক গকসু আরও বলেন, “বাংলাদেশে বড় সমস্যা অবকাঠামো নয়, বরং ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ঘাটতি এবং বিশেষজ্ঞ জনবলের অভাব। আমরা তুর্কি প্রযুক্তির মাধ্যমে রিমোট ডায়াগনোসিস, যৌথ সার্জারি ও চিকিৎসক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করব। বিশেষ করে তুরস্কের ‘জিরো ইনফেকশন সার্জিক্যাল মডেল’ বাংলাদেশে প্রয়োগ করা হবে, যাতে রোগীরা নিরাপদ, দ্রুত ও সাশ্রয়ী চিকিৎসা পান।”

বাংলাদেশে এ হাসপাতাল চালু হলে প্রতিবছর কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা রক্ষা সম্ভব হবে, একইসঙ্গে দেশের চিকিৎসকরা আন্তর্জাতিকমানের প্রযুক্তি ও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

অন্যান্য

বাজেট ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা থেকে সরে দাঁড়াল বিরোধী দল

জাতীয় সংসদে বাজেটের দাবির ওপর ছাঁটাই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বিরোধী দল। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদের বাজেট অধিবেশনের বিকাল সেশনে ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনার সময় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এ ঘোষণা দেন। তিনি স্পিকারের অনুমতি নিয়ে দাঁড়িয়ে জানান, বিরোধী দলের দেওয়া ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় এবং […]

বাজেট ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনা থেকে সরে দাঁড়াল বিরোধী দল

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

৩০ জুন ২০২৬, ২০:৫২

জাতীয় সংসদে বাজেটের দাবির ওপর ছাঁটাই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বিরোধী দল।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সংসদের বাজেট অধিবেশনের বিকাল সেশনে ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনার সময় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এ ঘোষণা দেন।

তিনি স্পিকারের অনুমতি নিয়ে দাঁড়িয়ে জানান, বিরোধী দলের দেওয়া ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা না থাকায় এবং সংসদের মূল্যবান সময় বাঁচাতে সেগুলো প্যাকেজ আকারে প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রস্তাবগুলো দিয়েছি, কিন্তু কোনোটি গৃহীত হতে দেখিনি। সময়ের সদ্ব্যবহার ও রেওয়াজের প্রতি সম্মান রেখে আমরা সব ছাঁটাই প্রস্তাব প্রত্যাহার করছি।”

এরপর স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম জানান, ট্রেজারি বেঞ্চ বিষয়টি গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর দাবির পর ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো সরাসরি ভোটে উপস্থাপন করা হবে।

পরে স্পিকার দাবি নম্বর ৩৪ উত্থাপনের জন্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে আহ্বান জানান।

অন্যান্য

জাবিতে ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণ, বহিরাগত যুবক আটক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) টিএসসি ভবনের নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে রিয়াজ আহমেদ (রাজ) নামে এক বহিরাগতকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। জানা গেছে, রিয়াজ আহমেদের বাড়ি কেরানীগঞ্জে। তিনি আরএফএল ইলেকট্রনিক্স গ্রুপের একটি শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযোগ […]

জাবিতে ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণ, বহিরাগত যুবক আটক

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

৩০ জুন ২০২৬, ১২:১৮

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) টিএসসি ভবনের নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে রিয়াজ আহমেদ (রাজ) নামে এক বহিরাগতকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

জানা গেছে, রিয়াজ আহমেদের বাড়ি কেরানীগঞ্জে। তিনি আরএফএল ইলেকট্রনিক্স গ্রুপের একটি শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমে প্রবেশ করলে এক শিক্ষার্থী তাকে সেখানে দেখতে পান। পরে তিনি অভিযুক্তের পরিচয় ও সেখানে প্রবেশের কারণ জানতে চাইলে সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি। বিষয়টি জানাজানি হলে আশপাশে থাকা শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করেন।

শিক্ষার্থীদের দাবি, অভিযুক্তের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে নারী শিক্ষার্থীদের গোপনে ধারণ করা একাধিক ভিডিও পাওয়া যায়। এছাড়া ফোনে এমন কিছু টেলিগ্রাম চ্যানেলের তথ্যও পাওয়া গেছে, যেগুলোর সঙ্গে এ ধরনের ভিডিও আদান-প্রদানের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। মোবাইলে পূর্বে ধারণ করা নারীদের আরও কিছু ভিডিওও পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখা ও প্রক্টোরিয়াল টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে অভিযুক্তকে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক রাশিদুল আলম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাদী হয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজগর আলী বলেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মামলা হওয়ার পর তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যান্য

জাল নিবন্ধন সনদের অভিযোগে ১৩ মাদ্রাসা শিক্ষকের এমপিও বন্ধ

জাল ও ভুয়া শিক্ষক নিবন্ধন সনদ এবং সুপারিশপত্র ব্যবহারের অভিযোগে দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় কর্মরত ১৩ জন শিক্ষকের এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) সুবিধা বন্ধ করেছে সরকার। একই সঙ্গে তাদের ইনডেক্স নম্বর বাতিল, সরকারি কোষাগারে উত্তোলিত বেতন-ভাতা ফেরত এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা এক অফিস আদেশে এ […]

জাল নিবন্ধন সনদের অভিযোগে ১৩ মাদ্রাসা শিক্ষকের এমপিও বন্ধ

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

০১ জুলাই ২০২৬, ১০:৪০

জাল ও ভুয়া শিক্ষক নিবন্ধন সনদ এবং সুপারিশপত্র ব্যবহারের অভিযোগে দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় কর্মরত ১৩ জন শিক্ষকের এমপিও (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) সুবিধা বন্ধ করেছে সরকার। একই সঙ্গে তাদের ইনডেক্স নম্বর বাতিল, সরকারি কোষাগারে উত্তোলিত বেতন-ভাতা ফেরত এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ ও সুপারিশপত্র জাল বা ভুয়া হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬’-এর ১৮.১ (গ) ও (ঙ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এমপিও সুবিধা বাতিল হওয়া ১৩ শিক্ষক হলেন— মো. নুরুজ্জামান (গোলকপুর সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদ্রাসা, সিরাজগঞ্জ), মো. মাহবুব রশিদ (তারাগঞ্জ ওয়াকফ এস্টেট কামিল মাদ্রাসা, রংপুর), মো. আব্দুর রহমান ও মো. মাসুম বিল্লাহ (বাটাজোড় আলিম মাদ্রাসা, পিরোজপুর), মো. হারুনুর রশিদ (নেওয়াশী ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা, কুড়িগ্রাম), করিমা খাতুন (মল্লিকেরবেড় ফাজিল মাদ্রাসা, বাগেরহাট), বিশ্বজিৎ সমাদ্দার (পাতাখালি ফাজিল মাদ্রাসা, সাতক্ষীরা), শহীদুল হক (পাঁচখুবী আহমদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, কুমিল্লা), মো. রোকনুজ্জামান (বেলাশী মদিনাতুল উলুম বালিকা আলিম মাদ্রাসা, গাজীপুর), জালাল উদ্দিন (সাতবাড়ীয়া শাহ আমানত (র.) দাখিল মাদ্রাসা, ঢাকা), হাসিনা (বড়িবাড়ী বালিকা দাখিল মাদ্রাসা, গাজীপুর), মো. মাহফুজুর রহমান (একডালা আউয়ালিয়া বালিকা আলিম মাদ্রাসা, গাজীপুর) এবং নাসরিন সুলতানা (শেখেরগাঁও জামিউল উলুম সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা, নরসিংদী)।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকেরা এ পর্যন্ত বেতন-ভাতা হিসেবে সরকারের কাছ থেকে যে অর্থ উত্তোলন করেছেন, তা দ্রুত সরকারি কোষাগারে জমা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।