বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য

নেত্রকোনা ও সিলেটে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু

নেত্রকোনার কেন্দুয়া ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ফেঞ্চুগঞ্জের হাকালুকি হাওড় এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে তিন জেলে প্রাণ হারান। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এসব ঘটনা ঘটে। নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় বজ্রপাতে নিহত দুজন হলেন মাসকা ইউনিয়নের দিগলী গ্রামের শামসুল হুদা এবং সান্দিকোনা ইউনিয়নের ডাউকি গ্রামের আশরাফুল ইসলাম। শামসুল হুদা মুড়াই বিলে মাছ […]

নেত্রকোনা ও সিলেটে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

১৮ জুন ২০২৬, ১৯:৩৭

নেত্রকোনার কেন্দুয়া ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ফেঞ্চুগঞ্জের হাকালুকি হাওড় এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে তিন জেলে প্রাণ হারান।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এসব ঘটনা ঘটে।

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় বজ্রপাতে নিহত দুজন হলেন মাসকা ইউনিয়নের দিগলী গ্রামের শামসুল হুদা এবং সান্দিকোনা ইউনিয়নের ডাউকি গ্রামের আশরাফুল ইসলাম। শামসুল হুদা মুড়াই বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হন। অন্যদিকে আশরাফুল ইসলামকে মরাপুড়ি ডোবা এলাকা থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ জানান, বজ্রপাতেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বাঘমারা এলাকার জুড়ি নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে তিন জেলে প্রাণ হারান। নিহতরা হলেন মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার কামালপুর গ্রামের ছাবির মিয়া (৪০), হামিদ (৪৫) ও কাবিল (৩৫)। হামিদ ও কাবিল আপন দুই ভাই।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে বৃষ্টির মধ্যে হাকালুকি হাওড় এলাকায় মাছ ধরার সময় তারা বজ্রপাতের শিকার হন। ঘটনাস্থলেই ছাবির মিয়া ও হামিদের মৃত্যু হয়। বজ্রপাতের পর কাবিল নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন। পরে তাকে মৃত হিসেবে শনাক্ত করা হয় এবং উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হয়।

ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ওসি আবু জাফর মোহাম্মদ মাহফুজুল কবির বলেন, উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

অন্যান্য

গোলাম পরওয়ার মাসির বাড়িতে এসে পিসির নামে মিথ্যা কথা বলে গেলেন

ভোলা-১ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের প্রতিবাদে ভোলায় বিক্ষোভ করেছে দলটির নেতাকর্মীরা। বক্তারা বলেন, গোলাম পরওয়ার পার্থর নামে উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যাচার করেছেন। সোমবার (১৫ জুন) রাতে ভোলা শহরের নতুন জেলা বিজেপির কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ প্রতিবাদ সমাবেশ […]

গোলাম পরওয়ার মাসির বাড়িতে এসে পিসির নামে মিথ্যা কথা বলে গেলেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৬ জুন ২০২৬, ১০:৫২

ভোলা-১ সদর আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের প্রতিবাদে ভোলায় বিক্ষোভ করেছে দলটির নেতাকর্মীরা। বক্তারা বলেন, গোলাম পরওয়ার পার্থর নামে উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যাচার করেছেন।

সোমবার (১৫ জুন) রাতে ভোলা শহরের নতুন জেলা বিজেপির কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

জানা গেছে, শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে ভোলা জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় উপস্থিত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন গোলাম পরওয়ার। ভোলা সদর আসনের এমপি পার্থকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি ভোলার মানুষের কাছে আসেন না, উলটো মানুষকে কষ্ট করে ঢাকায় যেতে হয় তার কাছে। নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি সংসদে ভোলার সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে জোরালো দাবি জানান না, অথচ সরকারকে খুশি করতে সুযোগ পেলেই জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কথা বলেন।

এদিকে প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে জেলা বিজেপির সভাপতি আমিনুল ইসলাম রতন বলেন, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার মাসির বাড়িতে এসে পিসির নামে একটি মিথ্যা কথা বলে গেলেন। এতো বড় মিথ্যা কথা ভোলার মানুষ আর শোনেনি বলে আমার মনে হয়। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেই বরিশালের জনসভায় ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ভোলা-বরিশাল সেতুর কথা বলেছেন। তিনি জাতীয় সংসদে ভোলা-বরিশাল সেতু, মেডিকেল কলেজ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজনসহ ভোলার নানা সমস্যার কথা সংসদে তুলে ধরেছেন। যে কোনো উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তো সময়ের প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আমি জানতে চাই, গোলাম পরওয়ার কিভাবে দায়িত্বশীল জায়গা থেকে এমন অসত্য কথা প্রচার করেছেন। অথচ তার নিজের এলাকাতেই নিজের ঠাঁই নেই। নির্বাচন হয়েছে সবেমাত্র কয়েকমাস হল, অথচ গোলাম পরওয়ার আলাদিনের চেরাগের মতো সব দেখতে চান। বাংলাদেশের মানুষ যদি তাদের সব কথা বিশ্বাস করতো, তাহলে তারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকতো। আমি মনে করি, জামায়াতের ভাওতাবাজির কথা এদেশের মানুষ কোনোদিন গ্রহণ করে নাই। ভোলার উন্নয়নের জন্য পার্থর বিকল্প আর কেউ নেই।  এছাড়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান ও জানান তিনি।

সমাবেশে জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মোত্তাছিন বিল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মো. নুরনবী। ভোলা সদর উপজেলার বিজেপির সভাপতি আব্দুল জলিল ও সাধারণ সম্পাদক মো.বুলবুল প্রমুখ বক্তব্য দেন। এছাড়া বিজেপি ও তাদের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।