মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

মানুষকে মিথ্যা বলে প্রতারণা করবেন না— জামায়াতকে মির্জা ফখরুল

“আমাদের বন্ধু মানুষ তাহের সাহেব— আমাদের দোষারোপ করেছেন যে, আমরা নাকি নির্বাচনকে বাধা দেবো। মানুষকে মিথ্যা কথা বলে প্রতারণা করবেন না।”

নিউজ ডেস্ক

০১ নভেম্বর ২০২৫, ২১:৫৫

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি কড়া আক্ষেপ ও এক বার্তা দেন। তিনি বলেন,

“আমাদের বন্ধু মানুষ তাহের সাহেব— আমাদের দোষারোপ করেছেন যে, আমরা নাকি নির্বাচনকে বাধা দেবো। মানুষকে মিথ্যা কথা বলে প্রতারণা করবেন না।”

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সম্মিলিত অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, যে নীতিতে দলসমূহ সম্মত নয়, সেগুলো নোট অব ডিসেন্ট হিসেবে রেখে সুনির্দিষ্টভাবে লিপিবদ্ধ করা হবে এবং বিএনপি সেগুলোর দায়-দায়িত্ব স্বীকার করবে না।

তিনি বিস্তারিতভাবে মন্তব্য করেন যে, বিএনপি কখনো রাস্তায় না নামে, কোনো ঘেরাও করে না এবং প্রধান উপদেষ্টার বাড়ি বা নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করাও তাদের কার্যক্রমে নেই। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু রাজনৈতিক শক্তি জোট গঠন করে সরকারকে চাপ দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। ফখরুল আরও বলেন,

“আমরা যেটা সই করেছি, আমরা অবশ্যই সেটার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করবো। কিন্তু যেটা আমরা সই করিনি, সেটার দায়-দায়িত্ব আমরা গ্রহণ করবো না।”

তিনি দাবি করেন যে, আলোচনার মাধ্যমে এসব জটিল বিষয় সমাধান করা সম্ভব এবং উল্লেখ করেন যে, নির্বাচনের নির্ধারিত সময়ই—২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি—নির্বাচন হওয়া উচিত।

গণভোট বিষয়ে তার বক্তব্য ছিল জোড়ালো ও বাস্তবসম্মত। তিনি বলেন,

“গণভোটের কথা বলেছে, আমরা রাজি হয়েছি, ঠিক আছে। প্রয়োজন ছিল না। একই দিন নির্বাচন ও গণভোট করা যায়—দুটি ব্যালট থাকবে; একটি গণভোটের জন্য, আর একটি সংসদীয় নির্বাচনের জন্য।”

ফখরুল যুক্তি দেন যে, আলাদা করে গণভোট করলে অতিরিক্ত বড় খরচ হবে এবং দেশের সম্পদর অপচয় হবে। এখানে তাঁর আহ্বান—অসঙ্গত সময় ও অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব নয়, বরং কার্যকর ও অর্থনৈতিকভাবে যুক্তিহীন ব্যবস্থার পরিবর্তে একসঙ্গীন পদ্ধতি গ্রহণ করা।

জামায়াতকে বিশেষভাবে তিনি সাবধান করে বলেন, মিথ্যা অভিযোগ ও নির্বাচনী ব্যাঘাত সৃষ্টি না করতে। তিনি বলেন,

“আপনারা পিআরের দাবি নিয়ে এসেছেন, আলোচনায় ছিল না, প্রস্তাবেও ছিল না। জোট পাকিয়ে রাস্তার মধ্যে আন্দোলন করছেন এবং ধমক দিচ্ছেন—আজকেই হতে হবে, না হলে আমরা নির্বাচন হতে দেবো না। এটা তো মানুষকে বোকা বানানো।”

তিনি জামায়াতকে অনুরোধ করেন, অপপ্রচার করা থেকে বিরত থাকুন এবং দায়িত্বশীল আচরণ করুন।

শফিকুল আলমের মন্তব্যের পর দেশের সাধারণ জনগণের ওপর ফখরুলের কড়া বক্তব্য—তার ভাষ্যে, “আজ কাগজে দেখলাম, আমাদের অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় বন্ধু মানুষ তাহের সাহেব আমাদের দোষারোপ করেছেন।” তবে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, বিএনপি কখনো নির্বাচন বিলম্ব করবার পক্ষে নয়; বরং দ্রুত ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা তাদের অন্যতম লক্ষ্য। জনস্বার্থে তিনি ভারতের ভূমিকা নিয়েও সুনির্দিষ্ট আভাস দেন; বরাবরই দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ের স্বতন্ত্রতা বজায় রাখার আহ্বান রাখেন।

ফখরুল মামলার প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘‘শেখ হাসিনাকে ভারতে ফেরত পাঠানোর জন্য ভারত সরকারকে আহ্বান করা উচিত—বাংলাদেশের আইনে যদি আদালত বিচারের আদেশ করে, তাহলে সে বিচারপ্রক্রিয়া চলুক।’’ একই সঙ্গে তিনি বললেন, দেশের মানুষের বিরোধিতা করবে না যে কোনো বিদেশী উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হবে না; দেশের আইনি প্রক্রিয়া ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।

বক্তৃতার সমাপনে তিনি একটি শক্ত শপথ নেন—দেশকে গণতন্ত্রমুখী, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে বিএনপি সব ধরনের ভূমিকা পালন করবে। তিনি জনসংহারের ওপর আলোকপাত করে বলেন, গণতন্ত্রের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনাই এই মুহূর্তের প্রধান উদ্দেশ্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩