বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

কয়েকটি রাজনৈতিক দলের চাপে সরকার দিশাহারা : মঞ্জু

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা এখন প্রশ্নবিদ্ধ। তারা কখনো একদলকে, আবার কখনো আরেক দলকে খুশি রাখার নীতি গ্রহণ করেছে। কয়েকটি রাজনৈতিক দলের চাপে সরকার এখন দিশাহারা। তারা সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে—এমন আস্থা রাখা কঠিন। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকালে ঝিনাইদহ সফরকালে শহরের একটি রেস্তোরাঁয় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব […]

কয়েকটি রাজনৈতিক দলের চাপে সরকার দিশাহারা : মঞ্জু

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৪ অক্টোবর ২০২৫, ২২:৩২

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা এখন প্রশ্নবিদ্ধ। তারা কখনো একদলকে, আবার কখনো আরেক দলকে খুশি রাখার নীতি গ্রহণ করেছে। কয়েকটি রাজনৈতিক দলের চাপে সরকার এখন দিশাহারা। তারা সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে—এমন আস্থা রাখা কঠিন।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকালে ঝিনাইদহ সফরকালে শহরের একটি রেস্তোরাঁয় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা) ইয়ামিনুর রহমান ও যুব পার্টির সদস্য সচিব হাদীউজ্জামান খোকন।

মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর প্রশাসনকে সঠিকভাবে পুনর্গঠন করা যায়নি। নানামুখী বিশৃঙ্খলার কারণে এখনো অনিশ্চিত—নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু হবে কি না। বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির দ্বন্দ্বে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও কঠোর অবস্থান নিতে পারছে না, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা একদলীয় ব্যবস্থা কায়েম করে নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করেছিলেন। সাংবাদিক মাহমুদুর রহমান ও প্রবীণ সাংবাদিক আবুল আসাদকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডের রহস্য বছরের পর বছরেও উদঘাটন করা যায়নি। দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার করে অর্থনীতি ধ্বংস করা হয়েছে।

এবি পার্টির চেয়ারম্যান আরও বলেন, নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য এখন নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা গণঅভ্যুত্থানের পর কেউ প্রত্যাশা করেনি। রাষ্ট্রের কাছে আমাদের দাবি খুবই সামান্য—শুধু নাগরিক অধিকার ফিরে পাওয়া। মাদকাসক্ত তরুণদের নিয়ে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন, চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্যে মানুষ অতিষ্ঠ। ঝিনাইদহের যোগাযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থা চরমে, বিশেষ করে যশোর থেকে ঝিনাইদহ পর্যন্ত সড়কের অবস্থা অত্যন্ত করুণ।

তিনি বলেন, কে ভারতের দালাল, কে পাকিস্তানের দালাল—এসব নিরর্থক বিতর্কে জাতিকে জড়ানো হয়েছে। কে মৌলবাদী, কে নাস্তিক—এসব প্রশ্নে অযথা বিভাজন তৈরি করা হচ্ছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরও রাজনৈতিক দলগুলো অহেতুক বিতর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি।

মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো বেকারত্ব সমস্যা সমাধানে কার্যকর কোনো পরিকল্পনা দিতে পারছে না। মুখস্থ বক্তব্য নয়, বাস্তবভিত্তিক ও পরিকল্পিত সমাধান এখন সময়ের দাবি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে এবি পার্টির ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়, যা জনগণের কাছে সমাদৃত হয়েছে।

এখন সময় এসেছে অতীতের বিভেদ ভুলে সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে সব ঝুঁকি মোকাবিলা করে জাতিকে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে হবে।

সভায় এবি পার্টির চেয়ারম্যান ঝিনাইদহ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে দলের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। তিনি জানান, ঝিনাইদহ-১ আসনে এবি যুব পার্টির সদস্য সচিব হাদীউজ্জামান খোকন, ঝিনাইদহ-২ আসনে অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান এবং ঝিনাইদহ-৩ আসনে মুফতি মুজাহিদুল ইসলাম এবি পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, কেন্দ্রীয় জুলাই অভ্যুত্থান বিষয়ক সহ-সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা জেলা আহ্বায়ক আলমগীর হোসাইন, ঝিনাইদহ জেলা সদস্য সচিব নাজমুস সাদাত, মাগুরা জেলা আহ্বায়ক ইমরান নাজির ও মেহেরপুর জেলা সমন্বয়ক রফিকুজ্জামান প্রমুখ।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৪৩

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৪৩
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৩৯

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৩৯