শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

বাকৃবিতে জুলাই স্মৃতি পরিষদের আত্মপ্রকাশ

রায়হান আবিদ, বাকৃবি প্রতিনিধি:  বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেরণায় গড়ে উঠা প্লাটফর্ম “জুলাই স্মৃতি পরিষদ” এর আত্মপ্রকাশ উপলক্ষ্যে “কেমন বিশ্ববিদ্যালয় চাই” শীর্ষক ছাত্র-শিক্ষক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩ টায় বাকৃবির টিএসসি সম্মেলন কক্ষে ওই সংলাপের আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী মাসরুল আহসান ও বৃতি বিশ্বাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ নভেম্বর ২০২৪, ২৩:৩৬

রায়হান আবিদ, বাকৃবি প্রতিনিধি: 
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেরণায় গড়ে উঠা প্লাটফর্ম “জুলাই স্মৃতি পরিষদ” এর আত্মপ্রকাশ উপলক্ষ্যে “কেমন বিশ্ববিদ্যালয় চাই” শীর্ষক ছাত্র-শিক্ষক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
 শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩ টায় বাকৃবির টিএসসি সম্মেলন কক্ষে ওই সংলাপের আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী মাসরুল আহসান ও বৃতি বিশ্বাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী জায়াদ হাসান ওয়ালিদ।
 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী শেখ ফরিদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ নিজার আলম, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষক উম্মে ফারহানা সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ।
 অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং “জুলাই স্মৃতি পরিষদ” এর আত্মপ্রকাশের পটভূমি নিয়ে আলোচনা করা হয়৷ অনুষ্ঠানের মূল ধারণাপত্র পাঠ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সৌমিত্র পাল ও তাজরিন হাসান তূর্ণা। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান রাজু। উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তারা গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংকট ও সমাধানের নানা দিক নিয়ে আলোকপাত করেন।
 জাবির সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ নিজার আলম বলেন, “বাংলাদেশে ২০২৪ সালে একটা স্বাধীন রাষ্ট্রের মধ্যে ১-১.৫ হাজার লোক মেরে ফেলা হয়েছে।  তাহলে ব্রিটিশ আমলের থেকে কোনো ভালো অবস্থায় কি আপনি আছেন? আপনি কি দেশের নাগরিক?  মানব অধিকার থেকে নাগরিক অধিকার বেশি। কিন্তু আমাদের মানব অধিকার থেকেও নিচে, অমানবিক অধিকার। ‘২৪ সালে তাই সমঝোতা প্রয়োজন। এমন কোনো কাজ না করা যাতে মানবায়ন বিঘ্নিত হয়। আপনি রাষ্ট্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, এটা মনে রাখা দরকার।”
তিনি আরোও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় সবধরনের মত-পথের লোকের জন্য। আপনি কারো সাথে একমত হবেন, কারো সাথে হবেন না। এখন অনেক জায়গায় দেখা যায় ভিন্ন মতের মানুষকে মত প্রকাশে বাধা দেয়া হচ্ছে। যে আমার সমালোচনা করবে তার পাশে বসেই তো কথা বলার কথা। কিন্তু তা হচ্ছেনা। শিক্ষক ভুল করলে ছাত্র সেই ভুল করতে পারেনা।
আপনার বিবেচনা সবসময় যুক্তি নির্ভর হওয়া উচিত এবং সবসময় ন্যায়ের উপর ভিত্তি করে মোরালি ডিসিশন নেয়া প্রয়োজন।” বক্তব্যে বাকৃবির অধ্যাপক কাজী ফরিদ বলেন, “কেমন বিশ্ববিদ্যালয় চাই ? এমন বিশ্ববিদ্যালয় চাই, যেখানে সবার কথা বলার স্বাধীনতা থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেকহোল্ডার হচ্ছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। তাই কেমন শিক্ষক চাই এবং কেমন শিক্ষার্থী চাই এই প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ।”
এছাড়া বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা সংকট ও সমাধান নিয়েও আলোচনা করেন তিনি।
 প্রশ্নোত্তর পর্বে এক শিক্ষার্থীর প্রশ্নের উত্তরে জাককানইবির শিক্ষক উম্মে ফারহানা বলেন, “ছাত্র শিক্ষক সম্পর্ক হবে মোরালিটির উপর নির্ভর করে। শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী দুইজনই তাদের মোরাল দিক দিয়ে শক্তিশালী থাকলেই কেবল মানোন্নয়ন সম্ভব।” গণমানুষের অংশগ্রহণে যে অভূতপূর্ব আন্দোলন ২০২৪ সালে বাংলাদেশের মাটিতে শত প্রাণের বিনিময়ে নির্মিত হয়েছে সে নতুন বাংলাদেশে শহীদদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গণতান্ত্রিক ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা, জনমানুষের টাকায় যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয় সেই যেন জনমানুষের কল্যাণে জ্ঞান চর্চা ও গবেষণার সুযোগ অবারিত থাকে ও প্রকৃত মানুষ হবার সমস্ত আয়োজন থাকে সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করে আয়োজনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয় এবং সবশেষে বাকৃবিতে “জুলাই স্মৃতি পরিষদ” এর নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।