শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ধামইরহাটে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা ঐতিহ্যবাহী কারাম উৎসব পালন করলেন

ছাইদুল ইসলাম, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি  পুরুষরা সাদা ধুতি আর ঢিলেঢালা জামা পরে মাদল বাজাচ্ছেন। অন্যদিকে রঙিন কলস মাথায় নিয়ে নারীরা লাল হলুদ নীল রঙের শাড়ি, খোপায় বাহারি রংয়ের ফুল, কোমরে বিছা পড়ে মাদলের তালে তালে নাচছেন। মাদলের তালে নৃত্যের এই উৎসবের নামই ঐতিহ্যবাহী কারাম উৎসব। কোথাও কোথাও এই উৎসব ডালপূজা বা বৃক্ষপূজা নামেও পরিচিত।  নওগাঁর […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২৩:২১

ছাইদুল ইসলাম, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি 

পুরুষরা সাদা ধুতি আর ঢিলেঢালা জামা পরে মাদল বাজাচ্ছেন। অন্যদিকে রঙিন কলস মাথায় নিয়ে নারীরা লাল হলুদ নীল রঙের শাড়ি, খোপায় বাহারি রংয়ের ফুল, কোমরে বিছা পড়ে মাদলের তালে তালে নাচছেন। মাদলের তালে নৃত্যের এই উৎসবের নামই ঐতিহ্যবাহী কারাম উৎসব। কোথাও কোথাও এই উৎসব ডালপূজা বা বৃক্ষপূজা নামেও পরিচিত। 

নওগাঁর ধামইরহাটে কারাম বৃক্ষের ডাল পূজাকে ঘিরে ষষ্ঠতম ঐতিহ্যবাহী কারাম উৎসব উদযাপন করেছে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়। 

সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল পাঁচটার সময় আগ্রাদ্বীগুন হাই স্কুল ফুটবল মাঠে আগ্রাদ্বীগুন ইউনিয়ন আদিবাসী সামাজিক সংগঠনের সভাপতি বিশত তিগ্যার সভাপতিত্বে প্রদীপ জ্বালিয়ে এর উদ্বোধন করেন উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার কামরুজ্জামান সরদার।

নিজেদের ঐতিহ্য ধরে রাখতে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দিতে এই উৎসবের আয়োজন করে আগ্রাদ্বীগুন ইউনিয়ন আদিবাসী সমাজিক সংগঠন ও আদিবাসী ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষা সম্মেলন কমিটি। আর এতে সহযোগিতা করে আগ্রাদ্বীগুন আদিবাসীদের স্থায়িত্বশীলতা অর্জন (ASA) প্রকল্প ২য় ধাপ (Ext)।

বিকেলে সরজমিনে দেখা যায়, খোলা মাঠে বাঁশের মাথায় সাদা পতাকা (ঝান্ডি) বেঁধে এর চারদিক ঘিরে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে নারী-পুরুষের নাচ-গান। এতে ২৫টি সাংস্কৃতিক দল নাচ-গান পরিবেশন করে। 

এ সময় নারীদের হলুদ, লাল ও সাদা, লাল পাড়ের শাড়ি, শাখা-সিঁদুর, গায়ে অলংকার, খোঁপায় বাহারি রঙের ফুল, হাতে ফুলের চুরি, পায়ে নুপুর, মাথায় ফুলের কলসসহ নানা সাজে অনুষ্ঠানে সমবেত হয়ে নৃত্য পরিবেশন করে। এই আয়োজন দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে এসে ভিড় করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষেরা। বাদ যায়নি শিশু-কিশোরেরাও।

এক দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী কারাম উৎসবকে ঘিরে সাঁওতাল, ওঁরাও, মাহাতো, পাহান, মাহালিসহ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারী-পুরুষেরা দুপুরের পর থেকে বদলগাছি, সাপাহার, দেবিপুর, পত্নীতলাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে নৃত্য পরিবেশনের জন্য দলবদ্ধ হয়ে অনুষ্ঠানে সমবেত হতে শুরু করে। এবং তাঁদের নিজ নিজ রীতিতে দলবদ্ধ হয়ে কারাম উৎসবে নৃত্য পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রথম দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়। 

কারাম উৎসব উদযাপনের জন্য নারী পুরুষেরা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পূজার প্রথম দিন উপোস থাকে। উপোস অবস্থায় মাদল, ঢোল, করতাল ও ঝুমকির বাজনার তালে তালে নেচে-গেয়ে এলাকা থেকে কারামগাছের (খিল কদম) ডাল তুলে আনে। একারণে এর নাম কারাম উৎসব। 

কারাম উৎসবে অংশগ্রহণকারী মুনমুন ওরাও বলেন, ‘ভাদ্র মাসের এই সময় পূজা শেষে উপোস থাকা কিশোরীরা চিতই পিঠা, কুশলি পিঠা প্রভৃতি খাবার নিয়ে পরস্পরকে আমন্ত্রণ জানিয়ে উপোস ভাঙে। এরপর নিজেদের মধ্যে সংগ্রহ করা চাল, ডালে তৈরি খিচুড়ি দিয়ে উপস্থিত স্বজন ও অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এরপর উৎসবের শুরুতে বাপ দাদাদের ঐতিহ্যকে ধারণ করে প্রাচীন প্রথা মেনে ধর্মীয় রীতিতে কারাম গাছের ডাল মাটিতে পুঁতে পূজা করে বিভিন্ন বয়সের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের নারী পুরুষেরা। বিপদ-আপদ ও অভাব-অনটন থেকে রক্ষা পাওয়ার লক্ষ্যে মূলত এই কারাম পূজা পালন করা হয়ে থাকে।’

আগ্রাদ্বীগুন ইউনিয়ন আদিবাসী সামাজিক সংগঠনের সভাপতি বিশত তিগ্যা সময়ের আলোকে বলেন, ‘নিজেদের ঐতিহ্য ধরে রাখতে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দিতে এই উৎসবের আয়োজন করে আগ্রাদ্বীগুন ইউনিয়ন আদিবাসী সমাজিক সংগঠন ও আদিবাসী ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষা সম্মেলন কমিটি।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইমাম জাফর, উপজেলা জনসাস্থ্য সহকারী প্রকৌশলী মিলন কুমার সরকার, আগ্রাদ্বীগুন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন মোস্তাক, আগ্রাদ্বীগুন কলেজের অধ্যক্ষ মোজাফফর রহমান, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান পরিচালক যোগেন্দ্রনাথ সরকার।

এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কারিতাস রাজশাহী অঞ্চল (ASA) প্রকল্পের মাঠ অফিসার বলাই মারান্ডী, পুষ্পিতা মার্ডী, কুরশিত পাহান, যতিন টপ্য প্রমূখ। 

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।