শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

বাকৃবির সোহরাওয়ার্দী হলের তিন দিনব্যাপী ফিস্টের সমাপনী

বাকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের লেভেল-১, সেমিস্টার-২ এর শিক্ষার্থীদের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী ‘ফিনিক্স কার্নিভাল ফিস্ট’ সম্পন্ন হয়েছে। গত ২১ আগস্ট শুরু হওয়া এ আয়োজন আজ (২৩ আগস্ট) সমাপনী দিনে এসে শেষ হয়। শিক্ষার্থীরা প্রথম দিনে বিকাল পাঁচটায় একটি আনন্দ র‍্যালি বের করে। র‍্যালিটি বিভিন্ন ছাত্রী ও ছাত্র হলের সামনে ঘুরে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৪ আগস্ট ২০২৫, ০১:২০

বাকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের লেভেল-১, সেমিস্টার-২ এর শিক্ষার্থীদের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী ‘ফিনিক্স কার্নিভাল ফিস্ট’ সম্পন্ন হয়েছে। গত ২১ আগস্ট শুরু হওয়া এ আয়োজন আজ (২৩ আগস্ট) সমাপনী দিনে এসে শেষ হয়।

শিক্ষার্থীরা প্রথম দিনে বিকাল পাঁচটায় একটি আনন্দ র‍্যালি বের করে। র‍্যালিটি বিভিন্ন ছাত্রী ও ছাত্র হলের সামনে ঘুরে কেয়ার মার্কেট প্রদক্ষিণ করে হলে ফিরে আসে। সন্ধ্যায় হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মোঃ বজলুর রহমান মোল্ল্যা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো আব্দুল আলীম উপস্থিত থেকে কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।

দ্বিতীয় দিনে জুনিয়র শিক্ষার্থীরা সিনিয়রদের সঙ্গে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলেন। বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলিপ্যাডে জাঁকজমকপূর্ণ ফ্ল্যাশ মব অনুষ্ঠিত হয়,

যা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভেতর ও বাইরের দর্শনার্থীরা উপভোগ করেন। পরে সন্ধ্যা সাতটায় কেয়ার মার্কেট এলাকায় আরেকটি ফ্ল্যাশ মব অনুষ্ঠিত হয়। এর পর শিক্ষার্থীরা আয়োজন করে তাদের গ্র্যান্ড ডিনার।

তৃতীয় দিনে কালার ফিস্ট ও পুল পার্টির আয়োজন করা হয়। আর রাতে অনুষ্ঠিত হয় রাজকীয় কালচারাল নাইট। যেখানে শিক্ষার্থীরা গান, নাচ, অভিনয়সহ নানা প্রতিভার প্রকাশ ঘটান। এর মাধ্যমে তিন দিনব্যাপী আনন্দ-উৎসবমুখর ‘ফিনিক্স কার্নিভাল ফিস্ট’-এর সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।

প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিব বলেন, এ ধরনের আয়োজন শুধু আনন্দের জন্য নয়, বরং নতুন শিক্ষার্থীদের মধ্যে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ করে দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর সবার সঙ্গে একসঙ্গে মিশে যাওয়ার একটি সময় প্রয়োজন হয়।

ফিস্টের আয়োজন শিক্ষার্থীদের সেই সুযোগ তৈরি করে দেয়। এতে করে একে অপরের সঙ্গে বন্ধুত্ব দৃঢ় হয়, নতুন পরিবেশে সহজে মানিয়ে নেওয়া যায় এবং একসঙ্গে পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার মনোভাব তৈরি হয়ে থাকে।

একই বর্ষের আরেক শিক্ষার্থী নাফি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে হলে ওঠার পর সিনিয়রদের কাছ থেকে কেমন ব্যবহার পাওয়া যাবে তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই এক ধরনের কৌতূহল থাকে। কিন্তু সোহরাওয়ার্দী হলের অভিজ্ঞতা একেবারেই ভিন্ন।

এমন আন্তরিক ও সহযোগিতাপরায়ণ সিনিয়র পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার। সিনিয়ররা শুধু পড়াশোনাতেই নয়, ক্যাম্পাস জীবনের নানা দিকেও দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। ফলে নতুন শিক্ষার্থীরা শুরু থেকেই একটি পরিবারিক পরিবেশের অভিজ্ঞতা পাচ্ছে, যা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে মানসিকভাবে এগিয়ে যেতে সহায়তা করছে।

 শিক্ষার্থী মাফি বলেন, ফ্ল্যাশ মব এবং ডিনারের এই আয়োজন দীর্ঘদিন স্মৃতিতে থেকে যাবে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতেই এমন একটি আয়োজন শিক্ষার্থীদের মনে আনন্দ, উচ্ছ্বাস এবং ঐক্যের বার্তা দিয়েছে।

শুধু খাবার আর সাংস্কৃতিক আয়োজন নয় বরং এখানে সবার অংশগ্রহণ ও উদ্দীপনাই ছিল সবচেয়ে বড় দিক। আমার মতে এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে এবং ভবিষ্যতে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত করে।

দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মুজাহিদ বলেন,” আমরাও যখন লেভেল-১ এ ছিলাম, তখন এই আয়োজন করেছি। এখন জুনিয়ররা সুন্দরভাবে সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে। এটা আমাদের সবার জন্যই আনন্দের।”

আয়োজন সম্পর্কে হলের সিনিয়র শিক্ষার্থী মো. শাহীন জানান,” ঐতিহাসিক হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের ৫৭ ব্যাচের তিন দিন ব্যাপী ফিস্টের প্রোগ্রাম নিঃসন্দেহে ভাতৃত্বের মেলবন্ধন। আনন্দ, ফূর্তিবাজিতে মেতে উঠে সবাই।এই ফিস্টের মাধ্যমে সিনিয়র -জুনিয়র সম্পর্কে যেন নতুন মাত্রা যুক্ত হয়।আর এই সম্পর্ক বজায় রেখে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল পরিবার সামনে এগিয়ে যেতে চায়।”

আরেক সিনিয়র শিক্ষার্থী মো. নুরনবী বলেন,” এই ধরনের অনুষ্ঠান আমাদের সেই ব্যস্ততার ফাঁকে একটু ভিন্ন স্বাদ এনে দেয়।এখানে আমরা পরিবার থেকে দূরে থেকেও নতুন এক পরিবার তৈরি করি, যেখানে সম্পর্ক,সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আমাদের একত্রে রাখে।আমি আশা করি এই অনুষ্ঠান আমাদের মনে দীর্ঘদিন আনন্দের স্মৃতি হিসেবে থেকে যাবে।”

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও […]

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও ‘গরিব’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে এসব আচরণের সমর্থকদের বিরুদ্ধেও প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘Red Card to Racist, Classist and Hypocrite’ এবং ‘Red Card to Those Who Support Discrimination, Humiliation and Bullying’। শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্য, অপমান ও হয়রানির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি এসব আচরণকে সমর্থনকারীদেরও তাঁরা প্রত্যাখ্যান করছেন।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নায়েম বলেন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব ম্যাম ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নেকাব করায় তাকে Fundamentalist এবং সন্ত্রাসী বলে অবিহিত করেন। এছাড়াও, তিনি একই ক্লাসে ছেলেদের ৬ জন এক বেঞ্চে বসায় ‘গে’ এবং ‘গরিব’ বলে অবিহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ফেইসবুক লাইভে এগুলোর কোন কিছু এড্রেস না করে এক পাক্ষিক এআই নির্ভর বিবৃতি দেন৷

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি সামিনা লুৎফা, শিক্ষক নেটওয়ার্ক এবং তার অন্যান্য অনুসারী তাকে নির্লজ্জভাবে ডিফেন্ড করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের মূল অপরাধী হিসেবে প্রোট্রে করার চেষ্টা করছেন। আজকের প্রতিকী প্রতিবাদ তাদের সকলের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না,আমি এই মূহুর্তে অফিসে নাই। তবে শিক্ষার্থীরা যদি এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকে, তবে তা দেখে বিষয়টি সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। পরে ৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে সাময়িকভাবে সব ধরনের ক্লাস কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।