মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

দেশের মানুষ এইবার জামায়াতকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায়: মাসুদ সাঈদী

যারা জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ করতে চেয়েছিল, আল্লাহ তাদেরকেই নিষিদ্ধ করেছেন। জামায়াত-শিবির এই দেশের মানুষের হৃদয়ে রয়েছে, এই সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা যাবে না

দেশের মানুষ এইবার জামায়াতকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায়: মাসুদ সাঈদী

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৮ আগস্ট ২০২৫, ১৩:০০

পিরোজপুর-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাসুদ সাঈদী আওয়ামী লীগের রাজনীতি ও নেতৃত্বকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে বলেছেন—“৫ আগস্টে জনগণ আওয়ামী লীগের রাজনীতির মৃত্যুঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছে।” মঙ্গলবার জাতীয় মুক্তি দিবস উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত গণমিছিল ও সমাবেশে তিনি এসব বলেন।

মাসুদ সাঈদী বলেন,

“যিনি নিজেকে সবসময় বলতেন ‘পালাই না, পালাতে জানি না’ সেই শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মধ্যাহ্নেই দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। জনগণের রোষ, অন্যায়-জুলুম ও অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের কারণে এদেশ থেকে আওয়ামী লীগকে বিতাড়িত হতে হয়েছে।”

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,

“যারা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করবে, তাদেরকেও জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে।”

তার দাবি, বাংলাদেশে এখন থেকে চলবে কেবল ইসলামপন্থী এবং বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি। যারা মুজিববাদী বা দিল্লির আজ্ঞাবহ হয়ে রাজনীতি করতে চাইবে, তাদের কঠোর প্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে। তিনি বলেন,

“আওয়ামী লীগের নামে আর কেউ রাজনীতি করতে পারবে না। যারা করতে চাইবে, জনগণ তাদের ধুয়ে মুছে সাফ করে দেবে।”

তিনি আগস্ট মাসে কোরআনের পাখি আল্লামা সাঈদীর শাহাদাতকে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড আখ্যা দিয়ে বলেন,

“যারা জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ করতে চেয়েছিল, আল্লাহ তাদেরকেই নিষিদ্ধ করেছেন। জামায়াত-শিবির এই দেশের মানুষের হৃদয়ে রয়েছে, এই সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা যাবে না।”

সাম্প্রতিক সময়ে এটিএম আজহারুল ইসলামের বেকসুর খালাসকে সামনে টেনে তিনি বলেন,

“এটা প্রমাণ করে আওয়ামী লীগের বিচারিক নাটক ছিল সাজানো। যেসব বিচারপতি ও প্রসিকিউটর এ নাটকে অংশ নিয়েছেন, তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিতে হবে।”

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন,

“৪৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে বিচারের মুখোমুখি করা হোক। খুনি হাসিনার প্রকাশ্য ফাঁসি না হলে জনগণ তা মেনে নেবে না।”

তিনি আরও বলেন, “গত ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগ জামায়াত-শিবির ও অন্যান্য বিরোধী মতকে নিশ্চিহ্ন করতে চেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু ইসলামপন্থীরা আন্দোলনের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে, তারা এই দেশের ভবিষ্যৎ গড়তে প্রস্তুত। ৫ আগস্ট এসেছে নতুন বাংলাদেশ গঠনের দিন হিসেবে।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে মাসুদ সাঈদী বলেন,

“নির্বাচনের পূর্বে নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, বিচার বিভাগসহ সব ক্ষেত্রে সংস্কার ও পরিবর্তন জরুরি। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি না করে কোনো নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না।”

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন,

“আওয়ামী লীগ তার রাজনীতির মূলধন, রাজাকার তাস, আমছালা সব হারিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। এখন আবার কেউ কেউ সেই পুরনো ‘রাজাকার রাজাকার’ খেলায় মেতেছে। কিন্তু জনগণ এবার আর সেই ফাঁদে পা দেবে না। এই রাজনীতির ব্যবসা এখন লসের ব্যবসা। জনগণ এই বস্তাপচা নাটক প্রত্যাখ্যান করে জামায়াতকে রাষ্ট্রক্ষমতায় দেখতে চায়।”

তিনি বলেন,

“এবার দেশের মানুষ ৫৩ বছর ধরে দেখা সব নাটকের শেষ দেখতে চায়। তাদের হৃদয় থেকে ওঠা আকাঙ্ক্ষা—ইসলামপন্থী শক্তি যেন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যায়। জামায়াতকে ঠেকাতে গিয়ে যারা গলা ফাটিয়ে রাজাকার রাজাকার চিৎকার করছিল, আজ তারা নিজেরাই অস্তিত্ব সংকটে। সময় এসেছে সৎ নেতৃত্বের বিজয়ের।”

সমাবেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন ফরিদ, মাওলানা আব্দুর রব, জহিরুল হক, শেখ আব্দুর রাজ্জাক, মাওলানা ইসহাক আলী এবং শিবিরের জেলা সভাপতি ইমরান হোসেনসহ জামায়াত-শিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

এই সমাবেশ ছিল কেবল একটি রাজনৈতিক বার্তা নয়, বরং ক্ষমতার পালাবদলের দৃপ্ত ঘোষণা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮২

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৭

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮২

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৭