শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ঘাটাইলে বিএনপির এক নেতার সমর্থকদের পেটালো আরেক নেতার সমর্থকেরা

মো:ফারুক আহমেদ, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ  টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে স্থানীয় প্রভাব বিস্তার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করা বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিএনপির এক নেতার সমর্থকদের পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করেছে আরেক নেতার সমর্থকেরা। এতে গুরুত্বর আহত হয়ে টাঙ্গাইল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পাঁচজন। ২৩শে জুলাই বুধবার সন্ধায় উপজেলার সাগরদীঘি ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। জানা যায়, এলাকায় দলীয় প্রভাব বিস্তারকে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৪ জুলাই ২০২৫, ২০:৩৮

মো:ফারুক আহমেদ, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ 

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে স্থানীয় প্রভাব বিস্তার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করা বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিএনপির এক নেতার সমর্থকদের পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করেছে আরেক নেতার সমর্থকেরা। এতে গুরুত্বর আহত হয়ে টাঙ্গাইল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পাঁচজন।

২৩শে জুলাই বুধবার সন্ধায় উপজেলার সাগরদীঘি ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। জানা যায়, এলাকায় দলীয় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মাইনুল ইসলাম সমর্থক এবং সাবেক মন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

সাম্প্রতিক সময়ে উভয়পক্ষ পাল্টাপাল্টি ফেসবুকে স্ট্যাটাস এবং একাধিক মিটিং এর আয়োজন করে আক্রমানাত্তক বক্তব্য প্রদান করলে সেই উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। এরই জের ধরে বুধবার সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় কয়েকজনকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনা ঘটলো। 

হামলায় আহত হয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক নেতা মজিবুর রহমান মাসুম, আনোয়ার হোসেন (৪৫), হাফিজ উদ্দিন (৬২), নান্নু মিয়া (৫৫) প্রমুখ। তাঁরা সবাই বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মাইনুল ইসলামের কর্মী ও সমর্থক। 

সন্ত্রাসী এ ঘটনায় স্থানীয় মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে জালাল উদ্দিন মেম্বার (৫৫), মোফাজ্জল হোসেন (৩৮), আল মামুন (৩৩), জালাল উদ্দিনের ছেলে বিদ্যুৎ মিয়া (২৮), মোফাক হোসেনের ছেলে মুরাদ হোসেন (২৩), ছামাদের ছেলে জিয়াউর রহমান (৪২) সহ ১৫ জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা

আরও ১৫-২০ জনের বিরুদ্ধে ঘাটাইল থানায় লিখিত একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তাঁরা সবাই সাবেক মন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদের সমর্থক বলে জানা গেছে। 

স্থানীয়রা আরও জানায়, সাগরদীঘি ইউনিয়নের মালিরচালা গ্রামের দুলাল উদ্দিনের ছেলে মজিবুর রহমান মাসুম নিজেকে ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দাবী করে গত ২১ জুলাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার নিজস্ব আইডি থেকে প্রদত্ত একটি দীর্ঘ স্ট্যাটাসে স্থানীয় রাজনিতিক জালাল মেম্বারের নানামুখী সমালোচনা করেন। 

স্ট্যাটাসটিতে মাসুম লিখেন,“স্বৈরাচার শেখ হাসিনা পালানোর পর তার (জালাল মেম্বার) কিছু সুনামের কথা বলি। প্রথম সুনাম-সাগরদিঘী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক এবং সাবেক মেম্বার খলিল ভাইকে তার বাসায় ডেকে নিয়ে মারধর।

তারপর জোরদিঘির গোলাম মোস্তফাকে সাগরদিঘী চৌরাস্তায় ফেলে মারধর। তারপর হাতিমারার হালিম ভাই এবং তার ছেলের সাথে কি কারনে মাথা ফাটাফাটি হয়েছিল সেই ঘটনা কমবেশি সবাই জানে।“ 

তিনি লিখেন, “এই জালাল মেম্বার কয়েক মাস আগে আমাদের পার্শ্ববর্তী এলাকার একজনকে কু পরামর্শ দিয়ে আমার নামে মামলা করিয়েছে।“ এছাড়াও মাসুম ওই ফেসবুক স্ট্যাটাসে জালাল মেম্বারের নামোল্লেখ করে আরও নানান সমালোচনা করেন।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জালাল মেম্বারের অনুসারিরা একতরফাভাবে হামলা চালিয়ে তাদেরকে বেধড়ক পিটিয়ে মাথা, হাত ও পাঁজরে অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে। আহত মজিবুর রহমান মাসুমের ভাই শহিদুল ইসলাম বলেন,

সাগরদীঘি এলাকায় বুধবার বিকেলে একটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করলে সেখানে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ জালাল মেম্বারের নেতৃত্বে তার অনুসারিরা হামলা করে পাঁচজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে। এ বিষয়ে জালাল মেম্বার বলেন, ঘটনার সময় আমি জেলা সদর টাঙ্গাইলে ছিলাম।

সেখান থেকে শুনতে পেরেছি সাগরদীঘিতে একটি মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আমার কোন সম্পৃক্ততা নাই। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মাইনুল ইসলাম বলেন, জালাল মেম্বারের ইন্ধনে সাগরদীঘিতে মারামারির ঘটনা ঘটেছে।

এতে মাসুম সহ কয়েকজন আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন। আমরা এই ঘটনায় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব। সাবেক মন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ সমর্থক একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মাসুম সহ কয়েক বিএনপি সমর্থককে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় আমরা উদ্দিগ্ন।

এছাড়া জালাল মেম্বারের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বেও নানান অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। আমরা দলীয়ভাবে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। সাগরদীঘি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম বলেন,

মারামারির ঘটনায় আমাদের বিএনপির কোন লোকজন জড়িত নয়। যারা মারমারি করেছে তাদের বিএনপিতে কোন পদপদবীও নাই। তাঁরা নিজেদেরকে বিএনপির সমর্থক দাবী করে ব্যক্তি পর্যায়ের কোন নেতার সমর্থন ও ইন্ধনে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়েছে।

আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানিয়েছি। ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মীর মোশাররফ হোসেন (ওসি) বলেন,

সাগরদীঘিতে একটি মারামারির ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে জরুরী ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে।  

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।