সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

এমপি হওয়ার জন্য অনেকেই এলাকায় পাগলা কুকুরের মতো বসে আছে : ব্যারিস্টার ফুয়াদ

রাজনৈতিক দলগুলোর নারী অংশগ্রহণ, সংরক্ষিত আসনের বাস্তবতা ও রাজনৈতিক সংস্কার নিয়ে মন্তব্য করেছেন ব্যারিস্টার ফুয়াদ। তিনি বলেন, আমরা ২০০৮ সালের আরপিওতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, রাজনৈতিক দলের কমিটিগুলোর অন্তত ৩৩ শতাংশ সদস্য হবেন নারী। বাস্তবতা হলো, ১৭ বছর পার হয়ে গেলেও আমরা এখনও ১০ শতাংশও অর্জন করতে পারিনি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাহলে যেসব সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে, […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ জুন ২০২৫, ১১:১১

রাজনৈতিক দলগুলোর নারী অংশগ্রহণ, সংরক্ষিত আসনের বাস্তবতা ও রাজনৈতিক সংস্কার নিয়ে মন্তব্য করেছেন ব্যারিস্টার ফুয়াদ। তিনি বলেন, আমরা ২০০৮ সালের আরপিওতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, রাজনৈতিক দলের কমিটিগুলোর অন্তত ৩৩ শতাংশ সদস্য হবেন নারী। বাস্তবতা হলো, ১৭ বছর পার হয়ে গেলেও আমরা এখনও ১০ শতাংশও অর্জন করতে পারিনি।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাহলে যেসব সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে, তার প্রভাব কী? তার ফলাফল কোথায়? ইলেকশন কমিশন কি এই ব্যর্থতার পর্যালোচনা করেছে? যদি না করে থাকে, তবে স্যাংশন কোথায়? কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে—ভোটই তো হচ্ছে না, তাহলে আপনি কাকে শাস্তি দেবেন?

নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উপজেলায় নারী ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছেন, জেলা পরিষদে মহিলা সদস্য আছেন, তবুও তারা সত্যিকার অর্থে ক্ষমতাবান হননি। পাইপলাইন তৈরি না করে কোটা চাপিয়ে দিলে এমপি হবে শুধু মমতাজ বা সুবর্ণা মোস্তফা মার্কার।

সরাসরি অভিযোগ করে তিনি বলেন, এমপি হওয়ার জন্য অনেক পুরুষ নেতা এলাকায় পাগলা কুকুরের মতো বসে আছে। ওরা ১৭ বছর ধরে এমপি হতে পারেনি। এখন কেউ যদি সেই এলাকায় নারী প্রার্থী হয়, তাহলে তারা ওই নারী প্রার্থীকে পিটিয়ে এলাকা ছাড়া করে দেবে। আমি নিজের চোখে দেখেছি—একই দলের ভেতর থেকেই মারার পরিকল্পনা তৈরি হয়। এটিই বাস্তবতা।

তিনি আরও বলেন, আপনি যদি রাজনৈতিক সংস্কার চান, তাহলে দলের ভেতর থেকেই জবাবদিহিতা আনতে হবে। ডেডলাইন, পদ্ধতি ও ফ্রেমওয়ার্ক ঠিক করতে হবে। শুধু উপর থেকে চাপিয়ে দিলে হবে না।

সংসদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংসদ এখনো এমন ৫০ জন এমপি তৈরি করতে পারেনি, যারা আইন প্রণয়ন কী তা বুঝেন। এখনো জনগণের চোখে সংসদ মানে ইউপি চেয়ারম্যানের বড় সংস্করণ—চাল দেয়, রাস্তা করে। আইন প্রণয়ন বা বাজেট বিতর্ক—এসব নিয়ে কেউ ভাবে না।

তিনি আরও বলেন, ১২ কোটি মানুষের দেশে আপনি যদি সাংসদকে আইন প্রণেতা হিসেবে দেখাতে চান, তাহলে জনগণকেও সেইভাবে প্রস্তুত করতে হবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, জনগণ এখনো চায় চাল, টিন, রাস্তা, উপবৃত্তি, ভাতা। পাসপোর্ট আটকে আছে এনআইডির ভুলে—এমন সমস্যার সমাধান চায়। তারা কখনো বলে না—‘আমার এলাকার এমপি বাজেট ডিবেট করুক’।

সমাধান প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, আমাদের দলীয় অবস্থান থেকে আমরা বলেছি, সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা ৫০ থেকে বাড়িয়ে ১০০ করতে হবে। তাতে নারী ছাড়াও প্রতিবন্ধী, পাহাড়ি, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, হরিজনসহ সকল পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

নারী প্রার্থীদের নিয়ে তার সতর্ক বার্তা, আমি দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানাই—কমপক্ষে ৫ থেকে ১০ শতাংশ নারী প্রার্থী সরাসরি নমিনেশন দিন। কিন্তু সেটাও বাস্তবসম্মতভাবে ভাবতে হবে। কারণ যারা দীর্ঘদিন এমপি হতে পারেনি, তারা এলাকা দখলে রেখেছে। আপনি যদি নারী প্রার্থী পাঠান, তারা এলাকা থেকে উড়িয়ে দেবে। সেটা রিয়েল অন-দ্য-গ্রাউন্ড বাস্তবতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪২৯

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৪
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৪

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪২৯