বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

এমপি হওয়ার জন্য অনেকেই এলাকায় পাগলা কুকুরের মতো বসে আছে : ব্যারিস্টার ফুয়াদ

রাজনৈতিক দলগুলোর নারী অংশগ্রহণ, সংরক্ষিত আসনের বাস্তবতা ও রাজনৈতিক সংস্কার নিয়ে মন্তব্য করেছেন ব্যারিস্টার ফুয়াদ। তিনি বলেন, আমরা ২০০৮ সালের আরপিওতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, রাজনৈতিক দলের কমিটিগুলোর অন্তত ৩৩ শতাংশ সদস্য হবেন নারী। বাস্তবতা হলো, ১৭ বছর পার হয়ে গেলেও আমরা এখনও ১০ শতাংশও অর্জন করতে পারিনি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাহলে যেসব সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে, […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ জুন ২০২৫, ১১:১১

রাজনৈতিক দলগুলোর নারী অংশগ্রহণ, সংরক্ষিত আসনের বাস্তবতা ও রাজনৈতিক সংস্কার নিয়ে মন্তব্য করেছেন ব্যারিস্টার ফুয়াদ। তিনি বলেন, আমরা ২০০৮ সালের আরপিওতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, রাজনৈতিক দলের কমিটিগুলোর অন্তত ৩৩ শতাংশ সদস্য হবেন নারী। বাস্তবতা হলো, ১৭ বছর পার হয়ে গেলেও আমরা এখনও ১০ শতাংশও অর্জন করতে পারিনি।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাহলে যেসব সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে, তার প্রভাব কী? তার ফলাফল কোথায়? ইলেকশন কমিশন কি এই ব্যর্থতার পর্যালোচনা করেছে? যদি না করে থাকে, তবে স্যাংশন কোথায়? কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে—ভোটই তো হচ্ছে না, তাহলে আপনি কাকে শাস্তি দেবেন?

নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উপজেলায় নারী ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছেন, জেলা পরিষদে মহিলা সদস্য আছেন, তবুও তারা সত্যিকার অর্থে ক্ষমতাবান হননি। পাইপলাইন তৈরি না করে কোটা চাপিয়ে দিলে এমপি হবে শুধু মমতাজ বা সুবর্ণা মোস্তফা মার্কার।

সরাসরি অভিযোগ করে তিনি বলেন, এমপি হওয়ার জন্য অনেক পুরুষ নেতা এলাকায় পাগলা কুকুরের মতো বসে আছে। ওরা ১৭ বছর ধরে এমপি হতে পারেনি। এখন কেউ যদি সেই এলাকায় নারী প্রার্থী হয়, তাহলে তারা ওই নারী প্রার্থীকে পিটিয়ে এলাকা ছাড়া করে দেবে। আমি নিজের চোখে দেখেছি—একই দলের ভেতর থেকেই মারার পরিকল্পনা তৈরি হয়। এটিই বাস্তবতা।

তিনি আরও বলেন, আপনি যদি রাজনৈতিক সংস্কার চান, তাহলে দলের ভেতর থেকেই জবাবদিহিতা আনতে হবে। ডেডলাইন, পদ্ধতি ও ফ্রেমওয়ার্ক ঠিক করতে হবে। শুধু উপর থেকে চাপিয়ে দিলে হবে না।

সংসদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংসদ এখনো এমন ৫০ জন এমপি তৈরি করতে পারেনি, যারা আইন প্রণয়ন কী তা বুঝেন। এখনো জনগণের চোখে সংসদ মানে ইউপি চেয়ারম্যানের বড় সংস্করণ—চাল দেয়, রাস্তা করে। আইন প্রণয়ন বা বাজেট বিতর্ক—এসব নিয়ে কেউ ভাবে না।

তিনি আরও বলেন, ১২ কোটি মানুষের দেশে আপনি যদি সাংসদকে আইন প্রণেতা হিসেবে দেখাতে চান, তাহলে জনগণকেও সেইভাবে প্রস্তুত করতে হবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, জনগণ এখনো চায় চাল, টিন, রাস্তা, উপবৃত্তি, ভাতা। পাসপোর্ট আটকে আছে এনআইডির ভুলে—এমন সমস্যার সমাধান চায়। তারা কখনো বলে না—‘আমার এলাকার এমপি বাজেট ডিবেট করুক’।

সমাধান প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, আমাদের দলীয় অবস্থান থেকে আমরা বলেছি, সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা ৫০ থেকে বাড়িয়ে ১০০ করতে হবে। তাতে নারী ছাড়াও প্রতিবন্ধী, পাহাড়ি, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, হরিজনসহ সকল পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

নারী প্রার্থীদের নিয়ে তার সতর্ক বার্তা, আমি দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানাই—কমপক্ষে ৫ থেকে ১০ শতাংশ নারী প্রার্থী সরাসরি নমিনেশন দিন। কিন্তু সেটাও বাস্তবসম্মতভাবে ভাবতে হবে। কারণ যারা দীর্ঘদিন এমপি হতে পারেনি, তারা এলাকা দখলে রেখেছে। আপনি যদি নারী প্রার্থী পাঠান, তারা এলাকা থেকে উড়িয়ে দেবে। সেটা রিয়েল অন-দ্য-গ্রাউন্ড বাস্তবতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৪৯

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৪৯

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৭৪

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৪৯