মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

আমাদের সেনাবাহিনী অসহায়; যেখানেই পা রাখবেন সেখানেই সুড়ঙ্গ: ইসরায়েলের সামরিক বিশ্লেষক

গাজা উপত্যকায় হামাসের প্রতিরোধ টানেল এবং গেরিলা কৌশল ইসরাইলি সেনাবাহিনীর জন্য মারাত্মক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসরাইলি সামরিক বিশ্লেষক আভি আশকেনাজি। তিনি এ লড়াইকে “চামচ দিয়ে সমুদ্র সেঁচার মতো” আখ্যা দিয়েছেন। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘মা’আরিভ’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আশকেনাজি বলেন, “গাজায় যেখানেই আপনি পা রাখবেন, সেখানেই একটি সুড়ঙ্গ রয়েছে। এখনও হাজার হাজার সুড়ঙ্গ চিহ্নিত […]

আমাদের সেনাবাহিনী অসহায়; যেখানেই পা রাখবেন সেখানেই সুড়ঙ্গ: ইসরায়েলের সামরিক বিশ্লেষক

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ এপ্রিল ২০২৫, ১৭:০৯

গাজা উপত্যকায় হামাসের প্রতিরোধ টানেল এবং গেরিলা কৌশল ইসরাইলি সেনাবাহিনীর জন্য মারাত্মক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসরাইলি সামরিক বিশ্লেষক আভি আশকেনাজি।

তিনি এ লড়াইকে

“চামচ দিয়ে সমুদ্র সেঁচার মতো” আখ্যা দিয়েছেন।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘মা’আরিভ’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আশকেনাজি বলেন,

“গাজায় যেখানেই আপনি পা রাখবেন, সেখানেই একটি সুড়ঙ্গ রয়েছে। এখনও হাজার হাজার সুড়ঙ্গ চিহ্নিত করা যায়নি।”

তিনি আরও জানান, “প্রাথমিক ধারণা ছিল হামাস দুর্বল হয়ে গেছে, কিন্তু বাস্তবে তারা এখনও শক্তিশালী এবং সংগঠিত। দক্ষিণ গাজা, বিশেষত রাফাহ ও আল-মাওয়াসি এলাকায় টানেলের মাধ্যমে শত শত যোদ্ধা স্থানান্তর করা হয়েছে।”

সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে গাজার যুদ্ধকে তিনি ইসরাইলের জন্য “অত্যন্ত জটিল ও অবিরাম হুমকি” হিসেবে উল্লেখ করেন। আশকেনাজি বলেন,

“হামাস যোদ্ধারা টানেল থেকে বের হয়ে গুলি চালিয়ে আবার অন্তর্হিত হয়ে যাচ্ছে। এই ঘটনা দিনে একাধিকবার ঘটছে, যা সেনাদের সর্বক্ষণিক সতর্ক অবস্থানে থাকার প্রয়োজন তৈরি করছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে—এটি কি সবসময় সম্ভব?”

এদিকে, ইসরাইলি সেনাবাহিনীর রেডিও এক প্রতিবেদনে জানায়, গাজার যুদ্ধে সেনা সংকট স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দক্ষিণ গাজার রাফাহ অঞ্চলে রিজার্ভ ব্রিগেড ২০৫ মোতায়েন রয়েছে, কিন্তু মাত্র ৬০ শতাংশ সৈন্যই সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছে। সেনা ঘাটতির কারণে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করতে পারছে না ইসরায়েলি বাহিনী।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, রিজার্ভ বাহিনীর অভাব শুধু সংখ্যাগত সমস্যা নয়, এটি মনোবল ও কৌশলগত দুর্বলতারও ইঙ্গিত দেয়। আশকেনাজি বলেন, “ইসরায়েলি বাহিনী যদি বড় আকারে সৈন্য মোতায়েন করে, তাহলে হামাসের গেরিলা বাহিনী তাদের ওপর আরও প্রবল হামলা চালাতে পারে, যা ইসরায়েলি বন্দীদের জীবনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।”

সম্প্রতি ইসরায়েলি টেলিভিশন চ্যানেল ‘কান’-এর এক প্রতিবেদনেও সেনাবাহিনীতে নতুন রিক্রুটের সংকট, রিজার্ভ সেনাদের অসন্তোষ এবং যুদ্ধ ক্লান্তির বাস্তবতা তুলে ধরা হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, গাজার ভেতরে প্রতিরোধ টানেল ব্যবস্থাপনা শুধু হামাসের কৌশলগত শক্তির প্রতীক নয়, এটি ইসরাইলি প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা সক্ষমতারও ব্যর্থতা নির্দেশ করে। দীর্ঘ সময় ধরেই এই টানেলগুলো ব্যবহার করে হামাস গোপনে অস্ত্র মজুদ, সৈন্য স্থানান্তর ও প্রতিরোধ অভিযান পরিচালনা করে আসছে, যা ইসরায়েলি সামরিক পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা দিয়েছে।

মাঠ পর্যায়ের চিত্র বলছে, রাফাহ ও খান ইউনুস এলাকায় টানেলভিত্তিক হামলায় ইসরাইলি বাহিনীর মৃত্যুহার বাড়ছে। পাশাপাশি বন্দী ইসরায়েলি সেনাদের উদ্ধার না হওয়া, গাজায় স্থানীয় জনসমর্থন বৃদ্ধি পাওয়া এবং হামাসের সশস্ত্র শাখা কাসাম ব্রিগেডের গতিশীলতা ইসরায়েলের জন্য দীর্ঘমেয়াদে যুদ্ধ জয়ের কৌশলকে দুর্বল করে তুলছে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ সত্ত্বেও ইসরায়েলি সামরিক অভিযান থেমে নেই। তবে মানবিক বিপর্যয়, ভেঙে পড়া অবকাঠামো এবং যুদ্ধজর্জর জনগণকে ঘিরে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর উদ্বেগও ক্রমেই বাড়ছে।

এই প্রেক্ষাপটে সামরিক বিশ্লেষকদের মত, যদি যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হয়, তবে ইসরায়েল কেবল গাজায় নয়, বরং নিজের সামরিক ও রাজনৈতিক অভ্যন্তরেও গুরুতর চাপের মুখে পড়বে। আর হামাসের টানেল নেটওয়ার্ক যতদিন সক্রিয় থাকবে, ততদিন ইসরায়েলের জয়ের কৌশল চূড়ান্তভাবে সফল হওয়া সম্ভব নয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৭

আন্তর্জাতিক

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে […]

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ডেস্ক রিপোর্ট

২৭ জুন ২০২৬, ১০:০৯

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়, বরং তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে যারা সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করছেন, তাদের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে। সৌদিতে প্রবেশের আগের ২১ দিনের মধ্যে যদি কোনো ব্যক্তি এই তিন দেশের যেকোনো একটিতে অবস্থান করে থাকেন, তবে তিনিও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন। এছাড়া সৌদি নাগরিকদেরও ওই তিন দেশে ভ্রমণ না করার নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ‘ওয়াকায়া’ জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সংক্রামক ব্যাধির আন্তঃসীমান্ত বিস্তার রোধে এই জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইবোলা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সৌদি আরবের প্রবেশপথগুলোতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা (স্ক্রিনিং), রোগ নজরদারি এবং দ্রুত সাড়াদান প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া আক্রান্ত দেশগুলোর প্রতিবেশী রাষ্ট্র—যেমন রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, তানজানিয়া ও কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ব্রাজাভিল) থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ স্থিতিশীল। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা চালুর পর থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ইবোলার কোনো নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়নি। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মহামারি পরিস্থিতির ওপর সৌদি কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক নজর রাখছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৭

আন্তর্জাতিক

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের […]

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।

ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।

পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।

অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।

তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।

অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে।

ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৭

আন্তর্জাতিক

ওমান উপকূলে ড্রোন হামলায় ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ!

ওমান উপকূলের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরে ওমান কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নাবিকদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়। জানা গেছে, ড্রোন হামলার পর সাগরে পুরোপুরি ডুবে যায় ওই জাহাজটি। ‘এমএসভি হাজি আলি’ (Haji Ali) নামের কার্গো শিপের উপর এই হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। প্রাথমিক […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ মে ২০২৬, ১৮:০৪

ওমান উপকূলের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরে ওমান কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নাবিকদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়।

জানা গেছে, ড্রোন হামলার পর সাগরে পুরোপুরি ডুবে যায় ওই জাহাজটি। ‘এমএসভি হাজি আলি’ (Haji Ali) নামের কার্গো শিপের উপর এই হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি।

প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ড্রোন হামলার জেরেই জাহাজটি ডুবে গিয়েছে। তবে জাহাজে থাকা ১৪ জন ভারতীয় নাবিককেই নিরাপদে উদ্ধার করেছে ওমান কোস্টগার্ড।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র হামলাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ওমান কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, জাহাজের সব ক্রু সদস্য নিরাপদ আছেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক বিবৃতিতে ভারত বলেছে, বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং নিরীহ বেসামরিক নাবিকদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।

পাশাপাশি নৌ চলাচল ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৭