বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

গিনেস বুকে রেকর্ড গড়েছিলেন আগেই, এখন গড়ছেন বাংলাদেশ

বাংলাদেশের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন এক নাম – আশিক চৌধুরী । গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নিজের নাম লেখানোর পর এবার দেশের অর্থনৈতিক নেতৃত্বেও রাখছেন অসাধারণ ভূমিকা । সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে চায়ের দোকান-সবখানেই এখন তাঁর গল্প, তাঁর বন্দনা । ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক পদত্যাগ ও দায়িত্ব হস্তান্তরের পর দেশের দায়িত্ব নেন নোবেল […]

গিনেস বুকে রেকর্ড গড়েছিলেন আগেই, এখন গড়ছেন বাংলাদেশ

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১০ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:৫৬

বাংলাদেশের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন এক নাম – আশিক চৌধুরী । গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নিজের নাম লেখানোর পর এবার দেশের অর্থনৈতিক নেতৃত্বেও রাখছেন অসাধারণ ভূমিকা । সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে চায়ের দোকান-সবখানেই এখন তাঁর গল্প, তাঁর বন্দনা ।

৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক পদত্যাগ ও দায়িত্ব হস্তান্তরের পর দেশের দায়িত্ব নেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস । এরপর এক মাস পার হতেই সিঙ্গাপুর থেকে আশিক চৌধুরী–কে উড়িয়ে এনে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA)–এর নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেন তিনি ।

নিয়োগের শুরুতে তাঁর দক্ষতা ও দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা নিয়ে ছিল নানা সংশয় । তবে মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই সেই সংশয় কাটিয়ে নিজেকে প্রমাণ করেছেন আশিক চৌধুরী ।

তিনি একদিকে যেমন বৈদেশিক বিনিয়োগের বিশাল সুযোগ সৃষ্টি করেছেন, অন্যদিকে দেশের মাটিতে একত্র করেছেন নাসা, স্টারলিঙ্কসহ বিশ্বসেরা প্রযুক্তি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের । এ যেন বাংলাদেশের বিনিয়োগ ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় ।

আশিক চৌধুরীর পূর্ণ নাম চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন । চাঁদপুরে জন্ম হলেও বাবার চাকরিসূত্রে শৈশব কেটেছে যশোরে । শিক্ষা জীবন শুরু করেন সিলেট ক্যাডেট কলেজে, পরে ঢাকা রেসিডেনশিয়াল মডেল কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা প্রশাসন ইনস্টিটিউট (আইবিএ)–এ ।

স্নাতক সম্পন্ন করে চলে যান যুক্তরাজ্যে । লন্ডন বিজনেস স্কুল থেকে ফাইনান্সে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন ।

পেশাগত জীবন শুরু করেন ২০০৭ সালে ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো–তে । এরপর কাজ করেছেন স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক–এ, যেখানে ছিলেন ল্যান্ডিং স্ট্র্যাটেজি ও ফিনান্সিয়াল প্ল্যানিং ম্যানেজার ।

এরপর আশিক যুক্ত হন দ্য বেঞ্চ নামক দেশের প্রথম স্পোর্টস বারের সঙ্গে উদ্যোক্তা হিসেবে । ২০১২ সালে লন্ডনে আমেরিকান এয়ারলাইন্স–এ ফিনান্সিয়াল ও স্ট্র্যাটেজিক অ্যানালিস্ট পদে যোগ দেন ।

একই সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস (বিইউপি)–তে ভিজিটিং প্রফেসর, এবং গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্ট–এর উপদেষ্টা ।

পরবর্তীতে যোগ দেন এইচএসবিসি বাংলাদেশ–এ এবং সেখান থেকে সিঙ্গাপুরে এইচএসবিসির গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেন । সেখান থেকেই তাঁকে দায়িত্বে নিয়ে আসেন ডক্টর ইউনুস ।

এ দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে নিজের ফেসবুক পোস্টে আশিক লেখেন-“সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি এক দুপুরে প্রফেসর ইউনুস হঠাৎ ফোন করে বললেন, ‘আশিক, দেশের মানুষের সেবা করার সুযোগ পাওয়া গেছে, আসবা নাকি?’ আমি নন্দিনীকে জিজ্ঞেস না করেই রাজি হয়ে গেলাম । জানতাম, ও কোনদিন মানা করবে না ।”

তিনি আরও লেখেন-“৪৯ সেকেন্ডের এক হোয়াটসঅ্যাপ কলে আমরা সিঙ্গাপুরের বিলাসী জীবন ছেড়ে ছুড়ে দেশের পথে রওনা দিলাম বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের দায়িত্বে । বন্ধুদের ভাষায় আমি এখন বাংলাদেশের চিফ মার্কেটিং অফিসার ।”

আশিক চৌধুরী শুধু একজন অর্থনীতিবিদ বা প্রশাসকই নন, তিনি একজন পেশাদার স্কাই ডাইভার । সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪১ হাজার ফিট উচ্চতা থেকে বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে লাফিয়ে পড়ে গড়েছেন বিশ্বরেকর্ড ।

এত উচ্চতা থেকে কোন ব্যানার বা পতাকা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া প্রথম ব্যক্তি হিসেবে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখান আশিক চৌধুরী ।

যেভাবে আশিক চৌধুরী দেশের পতাকাকে আকাশের সর্বোচ্চ উচ্চতায় তুলে ধরেছিলেন, ঠিক সেভাবেই তিনি যেন বাংলাদেশের অর্থনীতিকেও নিয়ে যান নতুন এক উচ্চতায়-এমনটিই এখন দেশবাসীর প্রত্যাশা তিনি ইতোমধ্যে যেভাবে বিনিয়োগ পরিবেশকে সচল, স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানের করে তুলেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয় ।

গিনেস বুক থেকে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ পর্যন্ত-আশিক চৌধুরীর যাত্রা যেন এক অনুপ্রেরণার গল্প । আগামী দিনের বাংলাদেশ নির্মাণে তাঁর অবদান কতখানি তা সময়ই বলে দেবে, তবে সূচনা যে দুর্দান্ত, তা বলাই যায় ।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।