সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ভারতে গিয়ে বাবার নাম পাল্টে সেখ সালাহউদ্দিন হলেন বিধান মল্লিক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই সেখ সালাহউদ্দিন ওরফে সেখ জুয়েল বর্তমানে ভারতের নাগরিক পরিচয়ে চলাফেরা করছেন, যেখানে তার নতুন নাম বিধান মল্লিক। ভারতীয় আধার কার্ডে তার বাবার নামও পরিবর্তন করে শেখ আবু নাছেরের পরিবর্তে মুদিন্দ্রনাথ মল্লিক লেখা হয়েছে। এই তথ্য প্রকাশের পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে […]

ভারতে গিয়ে বাবার নাম পাল্টে সেখ সালাহউদ্দিন হলেন বিধান মল্লিক

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৫ মার্চ ২০২৫, ১১:২১

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই সেখ সালাহউদ্দিন ওরফে সেখ জুয়েল বর্তমানে ভারতের নাগরিক পরিচয়ে চলাফেরা করছেন, যেখানে তার নতুন নাম বিধান মল্লিক। ভারতীয় আধার কার্ডে তার বাবার নামও পরিবর্তন করে শেখ আবু নাছেরের পরিবর্তে মুদিন্দ্রনাথ মল্লিক লেখা হয়েছে। এই তথ্য প্রকাশের পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সেখ জুয়েলের মতো শেখ পরিবারের আরও অনেক সদস্য ভারতীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন এবং আধার কার্ডের মাধ্যমে নিজেদের পরিচয় পরিবর্তন করেছেন। ভারতীয় আধার কার্ডের কপি বাংলাদেশ প্রতিদিনের কাছে এসেছে, যেখানে স্পষ্টভাবে তার নতুন নাম এবং ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে খুলনা-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন সেখ সালাহউদ্দিন, এবং ২০২৪ সালেও আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে গত বছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে হাসিনা সরকার পতনের পর তিনি ও শেখ পরিবারের বেশিরভাগ সদস্য ভারতে আশ্রয় নেন।

এর আগে, শেখ পরিবারের অনেক সদস্য সেনাবাহিনীর হেফাজতে আশ্রয় নিয়েছিলেন, যেখানে ৬২৬ জনকে রাখা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে তারা ক্যান্টনমেন্টের নিরাপত্তা হেফাজত থেকে বেরিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে যান। বর্তমানে সেখ জুয়েলসহ তার বড় ভাই শেখ হেলাল, শেখ সোহেল ও ছোট ভাই শেখ রুবেল পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় অবস্থান করছেন। জানা গেছে, সেখ জুয়েল তার ভারতীয় পরিচয় ব্যবহার করে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় অবাধে চলাফেরা করছেন এবং বিশেষ ট্রাভেল কার্ডের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যাতায়াতও করছেন।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সেখ জুয়েলের ভারতীয় আধার কার্ডে তার নাম উল্লেখ করা হয়েছে বিধান মল্লিক হিসেবে, যেখানে জন্মতারিখ ১ জানুয়ারি ১৯৫৯ এবং ঠিকানা শাড়াপুল, ডাকবাংলো, স্বরূপনগর, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ-৭৪৩২৮৬। তবে তার বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী নাম সেখ সালাহউদ্দিন, জন্মতারিখ ১ জানুয়ারি ১৯৬৭ এবং ঠিকানা সোনাডাঙ্গা, খুলনা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, শেখ পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ একজন সদস্যের এমন কর্মকাণ্ড শুধু দলীয় নেতাকর্মীদের জন্য নয়, বরং দেশের সাধারণ মানুষের কাছেও নৈতিকতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে, দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকা একটি দলের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতার এভাবে ভারতীয় নাগরিকত্ব গ্রহণ এবং নতুন পরিচয়ে বসবাস করা রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই ঘটনায় আওয়ামী লীগের ভেতরে প্রতিক্রিয়া তীব্র আকার ধারণ করেছে বলে জানা গেছে। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন এবং এই ধরনের কর্মকাণ্ড কেন ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের ঘটনা রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা সংকটের জন্ম দিতে পারে এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের দিক থেকেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।

এদিকে, সেখ জুয়েলের নাগরিকত্ব পরিবর্তনের বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করেনি। তবে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে যে, ভারতের বিশেষ কিছু মহলের সহায়তায় এই নাগরিকত্ব পরিবর্তনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং আরও কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিও একই পথ অনুসরণ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলও নজর রাখছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি শুধু একটি ব্যক্তিগত পরিচয় পরিবর্তনের ঘটনা নয়, বরং এর পেছনে রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক বিভিন্ন দিক রয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও বড় আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৯৩

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৯৩

রাজনীতি

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য […]

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৮

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে জানিয়ে সারজিস বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইভাবে হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও ফিরিয়ে দিতে হবে।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং প্রধানের আকস্মিক সফর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এখনই ভারতে যেতে হবে পরে গেলে ক্ষতি হবে-এ ধরনের বক্তব্য কোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রকাশ নয়।

এটা ভারতের ‘আধিপত্যবাদের স্টেটমেন্ট’ বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি যে দুটি শক্ত অবস্থানসম্পন্ন বিবৃতি দিয়েছে, তা সাধুবাদ জানাই। তবে, এসব অবস্থান শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

এসময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সুজা উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা রিফাত রশিদ, আবু বাকের মজুমদারসহ এনসিপির কক্সবাজারের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৯৩

রাজনীতি

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান। দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও […]

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৫৫

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান।

দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত নেপালের প্রেসিডেন্ট মাওলানা শফীকুর রহমান কাসেমী।

মামুনুল হকের সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি মাওলানা শায়খ সালেহ আহমাদ হামিদী এবং জাতীয় উলামা কাউন্সিল বাংলাদেশের সহসভাপতি মুফতি মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।

দুই দিনের সফর শেষে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আল্লামা মামুনুল হকের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

দলের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫২৫